বয়স কমিয়ে তরুণ থাকতে খেতে হবে যে ৬টি খাবার

প্রতিটি মানুষই চায় বয়স কমিয়ে তরুণ থাকতে। তবে যৌবন বা তারুণ্য ধরে রাখার জন্য শুধু মাত্র শরীর ও ত্বক দেখতে তরুণ দেখালেই হবে না বরং শরীরের আভ্যন্তরীণ অঙ্গ প্রত্যঙ্গও তরুণ থাকতে হবে।  সঠিক খাবার সঠিকভাবে গ্রহন করার মাধ্যমেই যৌবন ধরে রাখা সম্ভব। বাজারে এমন অনেক প্রসাধন বা ঔষধ রয়েছে যা ত্বকের তারুণ্য বা যৌবন ধরে রাখতে সাহায্য করতে পারে কিন্তু এসব সামগ্রীর বেশির ভাগ গুলোতেই রাসায়নিক পদার্থ থাকে যা ত্বকের জন্য ভালো নয়। এগুলোর অনেক ধরনের পার্শ্ব প্রতিক্রিয়াও থাকে সেই সাথে অনেক ব্যয়বহুল হয়ে থাকে। কিন্তু কিছু কিছু খাবার রয়েছে যা স্থায়ীভাবে তারুণ্য ধরে রাখতে সক্ষম।

১. পানি: শরীরের সঠিক তারুণ্য ধরে রাখতে প্রচুর পানি পান করতে হবে। এই পানির মাধ্যমেই শরীরের আভ্যন্তরীণ সমস্ত অস্বস্থিকর অবস্থা দূর করা সম্ভব। এটি শরীরের অতিরিক্ত ওজন কমাতে এবং শরীরের স্বাস্থ্যকর অবস্থা বজায় রাখতে সাহায্য করে। পানি হচ্ছে আল্লাহ্‌র রহমতপূর্ণ একটি পানীয় যার রয়েছে অসংখ্য স্বাস্থ্য উপকারিতা। তাই তারুণ্য ধরে রাখতে প্রথমেই পানি দিয়ে শুরু করতে হবে।

২. সবুজ চা: তারুণ্য ধরে রাখতে বহুল প্রশংসিত একটি পানীয় হচ্ছে ভেষজ সবুজ চা। সবুজ চায়ে রয়েছে একাধিক পুষ্টি উপাদান ও খনিজ পদার্থ যেমন অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট যা ভাঁজহীন ত্বক এবং আভ্যন্তরীণ অবস্থা ভালো রাখতে সাহায্য করে।

৩. গাঢ় রঙের সবুজ শাক সবজি: গাঢ় রঙের সবুজ শাক সবজি খাদ্য আঁশ, ভিটামিন ও খনিজ পদার্থের শক্তির আধার। এসব খাবার হার্টকে সুস্থ রাখার পাশাপাশি ওজন কমাতেও সাহায্য করে। এছাড়া বেশির ভাগ সবজি অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ হওয়াতে বেশি করে সবজি খেলে তা ত্বকে বার্ধক্য আসার গতিকে ধীর করে দেয়। বিশেষ করে সবুজ শাক সবজি যেমন পালং শাকে রয়েছে প্রচুর অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। বেশি করে সবজি খেতে পারেন এর পুষ্টিগুণের উপর নির্ভর করে সেটা কাঁচাই হোক বা রান্না করেই হোক।

৪. কালো ও লাল সিমের বিচি বা কিডনি বিন: তারুণ্য ধরে রাখার আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ খাবার হচ্ছে কালো ও লাল সিমের বিচি বা কিডনি বিন। কারন এতে রয়েছে অনেক বেশি পরিমানে খাদ্য আঁশ, পটাসিয়াম এবং প্রোটিন। এসব পুষ্টি উপাদান হার্টকে ভালো রাখার পাশাপাশি শরীরে খুব ভালো পরিমানে পুষ্টি প্রদান করে।

৫. গাজর: বিভিন্ন গবেষণায় দেখা যায় যে, গাজর ত্বকের জন্য খুবই উপকারি এবং প্রচুর পুষ্টি উপাদান সরবরাহ করে। ভিটামিন এ এর একটি শক্তিশালী উৎস হচ্ছে গাজর এবং তা অ্যান্টিঅক্সিডেন্টে ভরপুর যা ত্বকের কোষ বিনষ্টকারী ফ্রি রেডিকেলের বিরুদ্ধে লড়াই করে। গাজর অকালে বলিরেখা পরা থেকে রক্ষা করে।

৬. টমেটো: আমরা সাধারণত জানি যে টমেটোতে থাকে লাইকোপিন যা হৃদরোগের সম্ভাবনাকে কমায়। এছাড়া সূর্যের আলোর পোড়া ভাব কমাতে টমেটোর জুড়ি নেই। লাইকোপিন ত্বকের পোড়া ভাব কমাতে সাহায্য করে। এছাড়া এটি ত্বকের কোলাজেনের মাত্রা বাড়িয়ে ত্বককে করে তোলে মসৃণ এবং দাগমুক্ত। টমেটো তে রয়েছে প্রচুর অ্যান্টিঅক্সিডেন্টেও।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *