যে ৫টি খাবার শরীরে আয়রন জোগায়

আয়রন বা লৌহের অভাবে দম ফুরিয়ে আসা, কর্মশক্তি কমে যাওয়া, রক্তশূন্যতা, মাথা ঘোরানো ইত্যাদি সমস্যা দেখা দিতে পারে। শারীরিক ও মানসিক কার্যক্রম সঠিকভাবে চলার জন্য শরীরে চাই লৌহ। পুষ্টিবিজ্ঞানের এসব বিষয় আধুনিক জীবনে প্রায় সবাই জানেন। তবে কোন কোন খাবার থেকে লৌহ পাওয়া যাবে তা হয়ত অনেকেরই অজানা। পুষ্টিবিজ্ঞানের তথ্যানুসারে একটি ওয়েবসাইটে প্রকাশিত প্রতিবেদন অবলম্বনে লৌহতে ভরপুর কয়েকটি নিরামিষ খাবারের নাম এখানে দেওয়া হল।

১. গরুর মাংস: গরুর মাংস যদি আপনার প্রিয় খাবার হয়ে থাকলে আপনি এ থেকে আয়রন পেতে পারেন। কারণ গরুর মাংসে প্রচুর পরিমানে আয়রন রয়েছে। প্রতি ৬ আউন্স গরুর মাংস থেকে আপনি ৩ মিলিগ্রাম আয়রন পেতে পারেন। তবে আপনাকে অবশ্যই ফ্যাট বা চর্বি পরিহার করতে হবে।

২. হাঁস বা মুরগির মাংস: আপনি কি লাল মাংস খেতে পছন্দ করেন না? চিন্তা নেই। হাঁস বা মুরগির মাংসে প্রচুর পরিমাণ আয়রন রয়েছে। প্রতি ৩ আউন্স হাঁসের মাংস থেকে প্রায় ৩ মিলিগ্রাম আয়রন পাওয়া যায়। মুরগির মাংসের ক্ষেত্রে ঠিক একই পরিমাণ আয়রন পাওয়া যায়। যেহেতু হাঁসের ফ্যাট বা চর্বি রয়েছে তাই এর চামড়া ছিলে নিতে হবে।

৩. ডিম: সেদ্ধ, ভাজি বা পোঁচ যেভাবেই খান ডিম থেকে আপনি অফুরন্ত আয়রন পেতে পারেন। এর সাথে যদি আটার রুটি খান তাহলে তো কোনো কথাই নেই। তবে যদি এর চা কিংবা কফি খান তাহলে এর পুষ্টগুণ কিছুটা কমে যেতে পারে। কারণ চা কিংবা কফি আয়রনকে শোষণ করে থাকে।

৪. চিংড়ি: চিংড়ি আমাদের অনেকরই প্রিয়। চিংড়ির লোভ অনেকেই সামলাতে পারেন না। তবে আমরা হয়তো অনেকেই জানি না চিংড়িতে কিন্তু প্রচুর আয়রন আছে। বিশষ করে বাগদা চিংড়ি। বাগদা চিংড়িকে আয়রনের খনি বলা যেতে পারে।

৫. পালংশাক: সবুজ পত্রল এই শাক রান্না করে কিংবা সালাদে মিশিয়ে কাঁচাও খাওয়া যায়। এর আয়রন লাল রক্ত কণিকা গঠনে সাহায্য করে। তাই শাকটি আমাদের দেহে অক্সিজেন উৎপাদনের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কারণ প্রতি ১০০ গ্রাম পালংশাকে আছে ২.৭ গ্রাম লৌহ, যা সারা দেহে অক্সিজেন সরবরাহ করে শরীরে শক্তি ফিরিয়ে আনে।



Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *