৫টি মেদ ঝরানো ব্যায়াম যা বাড়িতেই করা সম্ভব

ব্যায়ামের কথা শুনলেই মনে ভয় জাগে। বিশেষ করে এর জন্য আলাদা সময় বের করা প্রায় সবার জন্যই কঠিন হয়ে পড়ে। কিন্তু ব্যায়াম না করার ফলে অনেকের ওজন বেড়ে নানা অসুখ তৈরি হয়। তাই সকলের জন্য ব্যায়াম জরুরি। কিছু সহজ ব্যায়াম আছে যা চাইলেই ঘরের চেয়ার কিংবা বিছানায় বসে করে ফেলা সম্ভব। এতে অতিরিক্ত মেদ যেমন বাড়ে তেমনি বৃদ্ধি পায় মেটাবোলিজম। আমরা আপনার জন্য কয়েকটি সহজ ব্যায়াম নিয়ে এসেছি যা সারাদিন আপনাকে কর্মক্ষম এবং সতেজ রাখার পাশাপাশি বাড়তি মেদ ঝরিয়ে আপনাকে করে তুলবে সুঠাম দেহের অধিকারী।

১. দাঁড়িয়ে সামনে ঝুঁকে শরীর ভাজ করুন: পা দুটি এক জায়গায় নিয়ে হাঁটু সামান্য ভাজ করুন। এবার দেহের উপরাংশ আস্তে আস্তে নিচের দিকে ভাজ করে আনতে থাকুন। যাদের পেটে এবং শরীরের অন্যান্য জায়গায় মেদ অনেক বেশি তাদের পক্ষে প্রথম প্রথম একটু কষ্ট হবে। ক্রমশ ঝুঁকতে ঝুঁকতে হাত দিয়ে পায়ের পেছনের মাটি স্পর্শ করার চেষ্টা করুন। এই অবস্থানে থেকে ৪ বার শ্বাস নিন। এবার উঠে দাঁড়ান এবং আবার একই কাজ ৩ বার করুন।

২. শুয়ে আড়মোড়া দিন: চিত হয়ে শুয়ে দুই হাত দুই দিকে লম্বালম্বি করে মেলে দিন। দুই পা লম্বালম্বি টানটান করে রাখুন। এবার এক পায়ের হাঁটু ভাঁজ করে অন্য পায়ের উপর এমন ভাবে রাখুন যেন ভাঁজ করা হাঁটুর লম্বা করে রাখা পায়ের অন্য পাশের মাটি স্পর্শ করে। এবার অন্য পা ভাঁজ করে একই প্রক্রিয়া অনুসরণ করুন।

৩. নৌকা হওয়া: কোমরে হাত রেখে হাঁটু ভাঁজ করে বসুন। এসময় আপনার পিঠ সোজা থাকবে। আস্তে আস্তে পা সামনের দিকে মেলে দিন এবং কোমর থেকে হাত সরিয়ে সামনের দিকে টান টান করে ধরুন। এবার আস্তে আস্তে পা হাঁটু ভাজ না করেই উপরের দিকে তুলতে শুরু করুন। এক পর্যায়ে আপনি যখন নৌকার মত আকার ধারণ করবেন তখন এই অবস্থায় ৫ বার শ্বাস নিন।

৪. চেয়ার হওয়া: না, আপনাকে পুরোপুরি চেয়ারের রূপ ধারণ করতে হবে না। পা দুটি এক জায়গা করে দাঁড়িয়ে হাত দুটো মাথার উপর নিয়ে যান। এবার মাথার উপর হাত দুটি এক করে আস্তে আস্তে সামনে আনুন এবং একই সাথে কোমর ভাজ করে চেয়ারে বসার মতো ভঙ্গিতে আসুন। হাত জোর অবস্থায় শরীরের দুই পাশেই মোড় নিন। প্রতিটি অবস্থানে ৫ বার শ্বাস নিন।

৫. দুই পাশে আড়মোড়া দিন: দুই পা মেলে পিঠ সোজা করে দাঁড়ান। এক হাত অন্য হাত দিয়ে এমন ভাবে টান দিন যেন ওই পাশ থেকে পুরো শরীর টান দেওয়া পাশে চলে আসে। এই টান টান অবস্থায় ৫ বার শ্বাস নিন। এবার অন্য পাশের হাত দিয়ে একই ভাবে টান দিয়ে একই প্রক্রিয়া অনুসরণ করুন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *