নিয়মিত লেবু পানি খাওয়া শুরু করলে যে উপকার গুলো পাবেন

লেবু পানির ফাইবার এবং আরও সব উপকারি উপাদান একদিকে যেমন রক্তে শর্করার দিকে খেয়াল রাখে, তেমনি খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রাও কমায়। সেই সঙ্গে রক্তচাপ যাতে নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে না যায়, সে দিকেও নজর রাখে। ফলে হার্টের ক্ষতি হওযার আশঙ্কা কমে যায়।নিয়মিত লেবু পানি খাওয়া শুরু করলে কেবল এই সব উপকারই পাওয়া যায় এমন না। এই পানীয়টির ভিটামিন সি, ফলেট এবং পটাশিয়াম শরীরে প্রবেশ করার পর এমন  আরো একাধিক শারীরিক উপকার পাওয়া যায়। যেমন ধরুন-

১. মানসিক অবসাদ থেকে মুক্তি মেলে: যে নিয়মিত লেবুর পানি খেলে অবসাদ দূর হয়। সেই সঙ্গে মানসিক চাপের প্রকোপও কমে। লেবু পানি শরীরের বিশেষ কিছু হরমোনের ক্ষরণ বাড়িয়ে এ সব মানসিক সমস্যা নিমেষে হ্রাস করে।

২. মুখ গহ্বর সংক্রান্ত নানা রোগ সারে: মুখে খুব দুর্গন্ধ হয়? নানা কিছু করেও উপকার মিলছে না? তাহলে আজ থেকেই লেবু পানি খাওয়া শুরু করুন। দেখবেন বদ গন্ধ কমে যাবে। শুধু তাই নয়, মাড়ি থেকে রক্ত পাত এবং দাঁতে যন্ত্রণা হলেও এই ঘরোয়া পদ্ধতিটি কাজে লাগাতে পারেন। দেখবেন দারুন উপকার পাবেন।

৩. ত্বকের সৌন্দর্য বৃদ্ধি পায়: হাজারো বিউটি প্রডাক্ট যা করে উঠতে পারেনি, তা লেবুর পানি করে ফলতে পারে। এই পানীয়টি ত্বকের হারিয়ে যাওয়া ঔজ্জ্বল্য ফিরিয়ে আনে এবং ত্বকের বয়স কমানোর পাশাপাশি ব্ল্যাক হেডস এবং বলিরেখা কমাতেও বিশেষ ভূমিকা পালন করে। গরমকালে ত্বক ঠাণ্ডা এবং ঘামমুক্ত রাখতে লেবুর পানি দিয়ে বারে বারে মুখটা ধুতে পারেন, দেখবেন উপকার পাবেন।

৪. ফুসফুস সংক্রান্ত নানা রোগের প্রকোপ কমে: যারা অ্যাজমা বা কোনও ধরনের রেসপিরেটরি প্রবলেমে ভুগছেন তারা যত শীঘ্র সম্ভব প্রতিদিনের ডায়েটে লেবুর পানিকে অন্তর্ভুক্ত করুন। দেখবেন কেমন ফল পান! এই পানীয়টি শ্বাস-প্রশ্বাস জনিত একাধির জটিলতাকে কমিয়ে ফেলতে দারুন কাজে আসে।

৫. লিভার চাঙ্গা হয়ে ওঠে: গবেষণায় দেখা গেছে, নিয়মিত লেবু পানি খেলে লিভারের ক্ষতিকর টক্সিক উপাদানেগুলো বেরিয়ে যায়। ফলে লিভারের কোনো ধরনের ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা যায় কমে।

৬. ওজন নিয়ন্ত্রণে চলে আসে: নিয়মিত লেবু পানি খেলে শরীরে জমে থাকা অতিরিক্তি মেদ ঝরে যায়। কারণ লেবুর পেকটিন অনেকক্ষণ পর্যন্ত পেট ভরিয়ে রাখে। ফলে বার বার খাওয়ার ইচ্ছা চলে যায়। আর যেমন আপনাদের সবারই জানা আছে যে কম মাত্রায় খাবার খেলে স্বাভাবিকভাবেই শরীরে কম মাত্রায় ক্য়ালরির প্রবেশ ঘটে। ফলে ওজন নিয়ন্ত্রণের বাইরে যাওয়ার সুযোগ পায় না।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *