পুরুষদের যৌন সমস্যা দূর করে যে ব্যায়াম

ওষুধে নয়! এবার যৌন সমস্যা মিটবে ব্যায়ামে। কিগাল এক্সারসাইজ! এই ব্যায়ামই এখন পুরুষের যৌনতার নানা সমস্যা দূর করবে। এই ব্যায়ামের মাধ্যমে পিউবোকোসাইজাস পেশিগুলি সুগঠিত হবে। অনেক সময় মহিলারা সন্তান জন্মের পর কিছু স্বাস্থ্যগত সমস্যা দূর করতে এই ব্যায়াম করে থাকেন। বহু বিশেষজ্ঞের মতে, এই ব্যায়াম যৌনশক্তি বৃদ্ধি, যৌনতার প্রতি বিতৃষ্ণা দূর করা ইত্যাদি উপকার করে।

আমেরিকার ইন্সটিটিউট ফর মেনস হেলথের অন্যতম সদস্য ব্রায়ান এল স্টেইক্সেনার জানিয়েছেন, পেলভিক ফ্লোর মাসল এক শ্রেণির টিস্যু যা মানুষের শরীরে থাকে। এগুলি অনেকটা রাবারের মতো হয়। দেহের অভ্যন্তরের নানা প্রত্যঙ্গ এবং শিরা-উপশিরাকে ধরে রাখতে সহায়তা করে। পেশিগুলি আনুস থেকে ইউরিনারি স্পিন্সটার পর্যন্ত প্রসারিত হতে পারে। পুরুষাঙ্গের স্বাস্থ্যের বিষয়টি এরাই নিয়ন্ত্রণ করে।

পরিপূর্ণ যৌনকর্মের জন্যে পিসি মাসল কাজ করে থাকে। পুরুষাঙ্গে উত্তেজনা এরাই সাড়া দেয়। এর সঙ্গে সুষ্ঠুভাবে রক্ত চলাচল ব্যবস্থার অনেকটা এদের নিয়ন্ত্রণে। মাত্র ৬ মাস কিগাল ব্যায়ামের মাধ্যমে ২০ এবং বেশি বয়সের পুরুষরা যৌন দুর্বলতা থেকে বের হয়ে আসতে সক্ষম হয়েছেন বলে গবেষণায় উঠে এসেছে। ইউরোলজিস্ট দারিউস পেডুচ জানিয়েছেন, পিসি মাসল সুস্থ থাকলে যৌন উত্তেজনাতে সুষ্ঠুভাবে সাড়া দেয় পুরুষাঙ্গ।

পুরুষাঙ্গকে সংকুচিত করতে সিমেনের পেছনে এক ধরনের পেশি কাজ করে। স্পর্শের মাধ্যমে সেই পেশি খুঁজে নেওয়া যায়। এই অংশে ম্যাসাজের মাধ্যমে পেলভিক ফ্লোর মাসলের ব্যায়াম সম্ভব। এ ছাড়া মলদ্বারে হালকা চাপের মাধ্যমেও এসব পেশিকে সুগঠিত করা যায়। দিনে অন্তত তিনবার কিছুক্ষণ এ ধরনের ম্যাসাজের মাধ্যমে স্বাস্থ্যকর ও পরিপূর্ণ যৌনজীবন লাভ করা যায় বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা।

সবাই এখন যা পড়ছে :-

——–

কিডনি সুস্থ রাখতে চান? তাহলে খান এই ৭টি খাবার

মানবদেহের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ হল কিডনি। বলতে গেলে কিডনি নষ্ট হলে বাঁচার কোন উপায় নেই। কিডনি আমাদের দেহের বর্জ্য পদার্থ এবং দেহের বাড়তি পানি নিষ্কাশনে সাহায্য করে আমাদের দেহকে রাখে ক্ষতিকর টক্সিন মুক্ত। তাই কিডনির সুস্থতা আমাদের নিজেদের সুস্থ থাকার জন্য অত্যন্ত জরুরী।

আপেল

আপেল পেকটিনের অন্যতম উৎস। এর দ্রবণীয় আঁশ কোলেস্টেরল এবং গ্লুকোজের মাত্রা কমাতে সাহায্য করে। আপেলের খোসায় অ্যান্টি অক্সিডেন্ট যা মস্তিষ্কের কোষ প্রতিরোধ করে। এছাড়া এটি ক্যান্সারের ঝুঁকি কমায়। আপেল কাঁচা অথবা প্রতিদিন এক গ্লাস আপেলের জুস খাওয়ার চেষ্টা করুন।

ফুলকপি এবং বাঁধাকপি

ফুলকপিতে প্রচুর ভিটামিন সি, ফাইবার রয়েছে। যা লিভার এবং শরীরের অন্যান্য অঙ্গ সুস্থ রাখে। শুধু ফুলকপি নয় বাঁধাকপিও কিউনির জন্য বেশ উপকারী। এর ভিটামিন বি৬, সি, কে, ফাইবার এবং ফলিক অ্যাসিড কিউনি সুস্থ রাখতে সাহায্য করে।

স্ট্রবেরি

স্ট্রবেরিতে দুই ধরণের অ্যান্টি অক্সিডেন্ট, ভিটামিন সি এবং ফাইবার রয়েছে যা অ্যান্টি ইনফ্লামেনটরি এবং অ্যান্টি ক্যান্সার হিসেবে কাজ করে। এটি হার্ট সুস্থ রাখার পাশাপাশি কিউনি সুস্থ রাখে।

রসুন

রসুন অ্যান্টি ইনফ্লেমেটোরি এবং কোলেস্টেরল কমাতে অনেক বেশি কার্যকরী। এতে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট উপাদান আছে যা দেহের প্রদাহ দূর করে থাকে। তবে রান্না করে খেলে এর অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট পাওয়া যায় না। ভাল হয় সকালে খালি পেটে কাঁচা রসুন খাওয়া, এটি হার্ট ভাল রাখার পাশাপাশি কিডনিকেও ভাল রাখে।

মাছ

কিডনিকে সুস্থ রাখার অন্যতম খাবার হল মাছ। এতে প্রচুর পরিমাণ প্রোটিন, ওমেগা থ্রি এবং অ্যান্টিইনফ্লেমেটোরি ফ্যাট আছে যা কিডনিকে সুস্থ রাখে। আমেরিকান ডায়াবেটিকস এসোসিয়েশনের মতে দিনের খাদ্য তালিকায় দুই থেকে তিন বেলা মাছ রাখুন। এটি আপনার হৃদযন্ত্র ঠিক রাখার পাশপাশি ক্যান্সার হওয়ার ঝুঁকি কমিয়ে থাকে।

ডিমের সাদা অংশ

ডিমের সাদা অংশে প্রচুর পরিমাণে প্রোটিন আছে। এতে প্রচুর পরিমাণে ফসফরাস এবং অ্যামিনো এসিড আছে যা কিডনি রোগ প্রতিরোধ করে কিডনিকে সুস্থ রাখে। ডিম সিদ্ধ করে বা অমলেট করে খেতে পারেন। তবে হ্যাঁ ডিমের সাদা অংশ শুধু।

পেঁয়াজ

পেঁয়াজের প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টি অক্সিডেন্ট আছে যা কিডনি পরিষ্কার করতে সাহায্য করে। এছাড়া এতে প্রচুর পরিমাণে ফ্ল্যাভোনোয়েড রয়েছে। যা রক্তের চর্বি দূর করে থাকে। এর কোয়ারসেটিন উপাদনা যা হৃদরোগ প্রতিরোধ করে থাকে। পেঁয়াজে পটাশিয়াম, প্রোটিন আছে যা কিডনির জন্য অনেক বেশি উপকারী।

⇒রোগ নিরাময়ে মুলার ভূমিকা, দারুন সব উপকারিতা

মুলার ঝাঁঝ ওয়ালা গন্ধের কারণে অনেকে নাক কুঁচকে ফেলেন। তাই আর খাওয়া হয়ে ওঠে না। অথচ এই সবজিটি হতে পারে আপনার অসংখ্য রোগ থেকে মুক্তির উপায়।

সহজলভ্য এবং পর্যাপ্ততা থাকায় আপনিও অনায়াসে খেতে পারেন অসাধারণ উপকারী এই সবজি। প্রতি ১০০ গ্রাম মুলাতে প্রোটিন আছে ০.৭ গ্রাম, কার্বোহাইড্রেট ৩.৪ গ্রাম, ভিটামিন ‘এ’ ০.০ আইইউ, ফ্যাট ০.১ গ্রাম, আঁশ ০.৮ গ্রাম, ক্যালসিয়াম ৫০ মিলিগ্রাম, ফসফরাস ২২ মিলিগ্রাম, লৌহ ০.৪ মিলিগ্রাম, পটাশিয়াম ১৩৮ মিলিগ্রাম, ভিটামিন ‘সি’ ১৫ মিলিগ্রাম।

বাজারে পাওয়া সাদা ও লাল দুই ধরনের মুলাতে আছে সমান পুষ্টিগুণ। মজার বিষয় হল, মুলার চেয়ে এর পাতার গুণ অনেক বেশি। কচি মুলার পাতা শাক হিসেবে খাওয়া যায় এবং খুবই মজাদার।

পাতাতে প্রচুর পরিমাণ ভিটামিন এ, সি পাওয়া যায়। খাবার উপযোগী ১০০ গ্রাম মুলাপাতায় আছে আমিষ ১.৭ গ্রাম, শ্বেতসার ২.৫ গ্রাম, চর্বি ১.০০ গ্রাম, খনিজ লবণ ০.৫৭ গ্রাম, ভিটামিন সি ১৪৮ মিলিগ্রাম, ভিটামিন এ বা ক্যারোটিন ৯ হাজার ৭০০ মাইক্রোম ভিটামিন বি-১০.০০৪ মিলিগ্রাম, বি-২০.১০ মিলিগ্রাম, ক্যালসিয়াম ৩০ মিলিগ্রাম, লৌহ ৩.৬ মিলিগ্রাম, খাদ্যশক্তি ৪০ মিলিগ্রাম, পটাসিয়াম ১২০ মিলিগ্রাম।

এসব উপাদান আপনার সুস্থতায় কী ধরনের ভূমিকা রাখতে পারে তা জেনে নেয়া যাকঃ

মুলার হজমকারী ক্ষমতা কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে। পাইলস রোগে আরাম হয়। পাইলসের কারণে রক্ত পড়া পর্যন্ত বন্ধ হয়। মুলা রক্ত পরিষ্কারক হিসেবে কাজ করে। লিভার এবং পাকস্থলীর সমস্ত দুষণ এবং বর্জ্য পরিস্কার করে থাকে। মুলা কিডনি রোগসহ মূত্রনালির অন্যান্য রোগে উপকারী। কাঁচা মুলা খাওয়ার অভ্যাস থাকলে হজম হয় দ্রুত এবং রুচি বাড়ে। কচি মুলার সালাদ ক্ষুধা বৃদ্ধি করতে সহায়ক। জ্বরে ভুগলে বা মুখের রুচি নষ্ট হয়ে গেলে মুলা কুচি করে কেটে চিবিয়ে খেলে উপকার পাবেন। জ্বর কমবে, মুখের রুচিও বাড়বে। পেটে ব্যথা বা গ্যাসের সমস্যা হলে মুলার রসের সঙ্গে পাতিলেবুর রস মিশিয়ে খেলে ভালো ফল পাবেন। শ্বেত রোগের চিকিৎসায় মুলা দারুণ উপকারী। এন্টি কারসেনোজিনিক উপাদান সমৃদ্ধ মুলার বীজ আদার রস এবং ভিনেগার একসঙ্গে ভিজিয়ে রেখে আক্রান্ত স্থানে লাগাতে হবে। কাঁচা মুলা চিবিয়ে খেলেও কাজ দেবে। ত্বক পরিচর্যায়ও মুলা ব্যবহৃত হয়, কারণ এটি অ্যান্টিসেপটিক হিসেবে কাজ করে। কাঁচা মুলার পাতলা টুকরা ত্বকে লাগিয়ে রাখলে ব্রণ নিরাময় হয়। এছাড়া কাঁচা মুলা প্যাক এবং ক্লিনজার হিসেবেও দারুন উপকারী নিয়মিত মুলা খাওয়ার অভ্যাস থাকলে বাচ্চা পর্যাপ্ত দুধ পাবে।

About the Author

Leave a comment

XHTML: You can use these html tags: <a href="" title=""> <abbr title=""> <acronym title=""> <b> <blockquote cite=""> <cite> <code> <del datetime=""> <em> <i> <q cite=""> <s> <strike> <strong>