যে ১২ টি লক্ষণ দেখে বুঝবেন আপনার কিডনি সঠিকভাবে কাজ করছে না!

যে ১২ টি লক্ষণ দেখে- কখনও কখনও আমাদের জীবনে দরকারি কিছু জিনিস আমরা লক্ষ্য করি না, যা আমাদের বেঁচে থাকার জন্য খুব জরুরী । আমি ঐ দৈনন্দিন জিনিসগুলির কথা বলছি যেখানে আমরা স্বাভাবিকের চেয়ে একটু বেশি ক্লান্ত বোধ করি, বা আমাদের ঘুমের সমস্যা হয় এবং আমরা তা উপেক্ষা করি। হয়তো সেগুলি বড় কিছু, যেগুলিতে আপনার আজই মনোযোগের প্রয়োজন আছে । কিডনির রোগটি ‘শান্ত রোগ’ নামেও পরিচিত, কারণ এটির লক্ষণ প্রাথমিক পর্যায়ে প্রায়ই লক্ষিত হয় না। কিডনি বর্জ্য অপসারণ, শরীরের তরল ভারসাম্য, রক্ত ​​এবং অন্যান্য সামগ্রী গুরুত্বপূর্ণভাবে অঙ্গে সঞ্চালিত করতে দরকার পরে । তাই তারা সঠিকভাবে কাজ না করলে কি হবে ? আমরা সেইবস লক্ষণগুলির একটি তালিকা সংকলন করেছি যা বোঝাবে যে আপনার কিডনি সঠিকভাবে কাজ করছে না। আপনার যদি এইগুলির মধ্যে একটিও থাকে, তবে এখন আপনার একজন ডাক্তারকে দেখানো দরকার । এক নজর দেখে নিন!

প্রস্রাবের মাধ্যমে বর্জ্য নির্মূল করার জন্য আপনার কিডনি দায়ী। আপনি আপনার মূত্রের রঙ, পরিমান, গন্ধের কোন পরিবর্তন লক্ষ্য করলে, আপনার এটিতে মনোযোগ দিতে হবে। এবং যত তাড়াতাড়ি সম্ভব একটি জিপি এর সঙ্গে পরামর্শ করুন ।যদি আপনার কিডনি ভালো কাজ সম্পাদন না করে, তাহলে বোঝা যাবে যে জীবাণু দেহ ছেড়ে যেতে সক্ষম নয় এবং এখনও আপনার রক্তে আছে । টক্সিনের মাত্রা বাড়া মানে ঘুমের সমস্যা বোঝায় । তাই আপনি যদি প্রায়ই এই লক্ষন গুলি দেখতে পান, তাহলে এটি একটি চেকআপের প্রয়োজন নির্দেশ হতে পারে। উচ্চ রক্তচাপ অনেক কিছু বোঝাতে পারে। তার মধ্যে একটি আপনার কিডনি ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে। উচ্চ রক্তচাপ কিডনি ব্যর্থতার একটি সবচেয়ে সাধারণ কারণ ।  কিডনি শরীর থেকে বর্জ্য এবং অতিরিক্ত তরল অপসারণের গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ হিসেবে সঞ্চালক করে, তারা শরীরের মধ্যে খনিজ সঠিক অবস্থানে বজায় রাখতে সাহায্য করে। শুষ্ক এবং চুলকানি ত্বক থাকা মানে হতে পারে যে আপনার কিডনি ভালো কাজ করছে না।  আপনার কিডনি যদি ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং আপনার শরীরের প্রোটিন ধরে রাখতে না পারে, তাতে চোখের চারপাশে ফোলাভাব হতে পারে। প্রস্রাব দিয়ে একটি বড় পরিমাণে প্রোটিন তাহলে বেড়িয়ে যাবে ।  বেশিরভাগ শ্বাসকষ্টই হাঁপানি বা হৃদরোগ সম্পর্কিত সমস্যার সাথে যুক্ত থাকে, তবে এটি আপনার কিডনি সম্পর্কিত সতর্কতার লক্ষনও হতে পারে।  যদি কিডনি ভালো কাজ না করে, তাহলে এর অর্থ হতে পারে যে আপনি আপনার শরীর থেকে কোন অতিরিক্ত তরল অপসারণ করতে পারবেন না। ফলে আপনার হাত, পা এবং গোড়ালি ফুলে যেতে পারে।

আপনার রক্তে যদি অনেক বেশি টক্সিন থাকে, তাহলে এর ফলে আপনি গন্ধযুক্ত শ্বাস পেতে পারেন। যদি আপনি ক্রমাগত আপনার মুখের মধ্যে একটি ধাতব স্বাদের সম্মুখীন হন, এটি কিডনি খারাপের আর একটি চিহ্ন ।  যদি ক্রমাগত আপনার পেটের পিছনে ব্যথা অনুভূত হয়, তাহলে এটি কিডনির রোগের একটি সতর্কবাণী হতে পারে।  আপনার কিডনি সঠিকভাবে কাজ করতে সক্ষম না হলে আপনার শরীরের নির্মিত বর্জ্যের কারণে ক্লান্তি বা দুর্বলতার সম্মুখীন হতে পারেন ।
সমস্যা স্পষ্টভাবে চিন্তা করার  যদি আপনার ঘন ঘন কোন কিছু তে মনোযোগ দিতে অসুবিধা হচ্ছে, স্পষ্টভাবে চিন্তা করতে সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছেন, কারন আপনার মস্তিষ্ক যথেষ্ট পরিমানে অক্সিজেন পাচ্ছে না।  অ্যানিমিয়া, এই অবস্থায় স্বাভাবিকের চেয়ে কম লোহিত রক্ত ​​কণিকা থাকে, ঠাণ্ডা অনুভব করতে পারেন যখন ঠান্ডা থাকেও না । তাই যদি আপনার এইসব লক্ষন থাকে, তাহলে এটি একটি চিহ্ন হতে পারে যে আপনার কিডনি সঠিকভাবে কাজ করছে না।

সবাই এখন যা পড়ছে :- অস্বস্তিকর হেঁচকি? দৌড়ে পালাবে ! জেনে নিন ঘরোয়া কিছু টিপস !  হেঁচকি এমন একটি অস্বস্তিকর সময় যখন আমাদের আর কিছুই ভালো লাগে না। এই হেঁচকি কমাতে আমরা যে কত কিছুই করে থাকি। অতিরিক্ত পানি বা খাবার খেলেই এই হেঁচকি উঠতে শুরু করে। আর তখন বাড়ে অস্বস্তি বেড়ে যায়। ব্যথা করতে থাকে ঘাড় এবং মাধা। যতক্ষণ না কমছে এই হেঁচকি ততক্ষণ রয়ে যায় অস্বস্তি। আর তাই আজ আমরা জেনে নেই এই হেঁচকি থেকে বাঁচার ৯টি ঘরোয়া টোটকা। হেঁচকি কমাতে খেতে পারেন লেবু। দেখবেন খুব সহজেই কমে গেছে হেঁচকি। অনেক সময়ে এসিডিটি থেকে হেঁচকি হয়। তখন প্রচুর পরিমাণে পানি খান। আর এর সাথে নিতে পারেন এসিডিটির ওষুধ। এই হেঁচকির সময়ে যদি আপনাকে কেউ ভয় দেখান আর তাতে আপনি ভয় পেলে দেখবেন হঠাৎই কমে গিয়েছে হেঁচকি। এই হেঁচকি কমাতে পানি দিয়ে গার্গেল করুন। দেখবেন খুব সহজেই কমে গেছে আপনার হেঁচকি। একটু দূরত্ব রেখে পানি পান করতে থাকুন। একসময় দেখবেন কমে গিয়েছে আপনার এই অস্বস্তি। লবণের রয়েছে নিজস্ব এক গন্ধ। আর এই গন্ধ আপনাকে পরিত্রাণ দিতে পারে এই অস্বস্তিকর অবস্থা থেকে। আর তাই শুঁকুন লবণের গন্ধ। এটি আসলে আদি একটি উপায়। আর এই উপায়ে মিলবে স্বস্তি। হাতে আকুপ্রেশারের মাধ্যমেও কমে যায় হেঁচকি। নাক ধরে নিঃশ্বাস বন্ধ করে রাখুন। এই পদ্ধতি দিবে আপনাকে আরাম। যতক্ষণ না কমে হেঁচকি নিতে থাকুন এই পদ্ধতি। এটি আরেকটি ঘরোয়া পদ্ধতি। বের করে রাখুন আপনার জিভ, দেখবেন কিছুক্ষণের মধ্যেই মিলেছে আরাম। কিছুক্ষণের মধ্যে কমে যাবে আপনার অস্বস্তিকর সময়।

পারফিউমের গন্ধ দীর্ঘ সময় ধরে রাখবেন কিভাবে! জেনে নিন পদ্ধতি!  পারফিউম ব্যবহার করতে সবাই ভালোবাসেন। বান্ধবীর সাথে দেখা করতে যাওয়া শুরু করে এমনকি মোড়ের দোকানে চা খেতে যাওয়ার সময়ও অনেকে হালকা করে মেখে যান পারফিউম। কিন্তু বিপত্তিটা হয় তখনই যখন ঘন্টাখানেক পরই ঘামের গন্ধ এসে দখল করে পারফিউমের জায়গা। পারফিউমের গন্ধ দীর্ঘক্ষণ টিকিয়ে রাখার জন্য কি কি করা যেতে পারে চলুন দেখি। পারফিউম মাখার পূর্বে যেখানে লাগাবেন সেই জায়গাটিতে অল্প করে গন্ধহীন লোশন মেখে নিন। মানুষের ত্বক প্রাকৃতিকভাবেই তৈলাক্ত এবং এটি শোষণ ক্ষমতা ও তেমন নেই। তাই লোশন লাগিয়ে এর উপর পারফিউম লাগালে সুগন্ধ থাকবে বেশিক্ষণ। একেক রকম সুগন্ধি টিকে থাকে একেক সময়। সাইট্রাসযুক্ত পারফিউম দ্রুতগতিতে মিলিয়ে যায় অপরদিকে ফ্লোরাল এবং স্পাইস পারফিউম টিকে থাকে অনেকক্ষণ। ভ্যানিলা, মাস্ক এবং কাঠের বেজ নোট যুক্ত পারফিউম কিনুন। সাইট্রাস যুক্ত পারফিউম পছন্দ? কিন্তু বেশিক্ষণ টিকবে না এই ভয়ে দিতে পারছেন না? ভয় নেই। এটার সাথে অন্য একটি পারফিউম মেরে দিন। দেখবেন সুগন্ধ টিকে থাকবে অনেকক্ষণ। শরীরে মাখার সাথে সাথে পারফিউম মেখে নিতে পারেন কাপড়ের নানা প্রান্তেও। সারাদিন সুগন্ধে মাতোয়ারা হয়ে থাকবেন। তবে পারফিউম একবার কাপড়ে লাগলে আর উঠতে চায় না। সেক্ষেত্রে স্কার্ফ কিংবা কম পড়েন এরকম কোনো শার্টে ব্যবহার করতে পারেন। পারফিউমের গন্ধ টেকাতে আপনার শরীরে পালস পয়েন্ট যেমন কবজি, গলা, কনুইয়ের ভেতরের অংশ, কান ও হাঁটুর পেছনে লাগাতে পারেন। গোসলের পর ব্যবহারের জন্য অনেকেই পারফিউম বাথরুমে রাখেন। কিন্তু আলো জ্বালালে, স্নান করলে গরম বাষ্পে সুগন্ধ নষ্ট হয়ে যায়। অন্ধকার, ঠাণ্ডা, শুকনো জায়গায় পারফিউম রাখুন। এতে সুগন্ধ টিকে থাকবে অনেকক্ষণ। এতো সতর্কতার পর ও পারফিউমের গন্ধ মিশে যেতে পারে। কি আর করার। সব ঝামেলা এড়াতে সাথে রাখুন পারফিউমের ছোট্ট একটি বোতল। অফিস থেকে বের হওয়ার আগে অথবা বিয়ের অনুষ্ঠানে পৌঁছেই মেখে নিন একটু।

About the Author

Leave a comment

XHTML: You can use these html tags: <a href="" title=""> <abbr title=""> <acronym title=""> <b> <blockquote cite=""> <cite> <code> <del datetime=""> <em> <i> <q cite=""> <s> <strike> <strong>