পুরুষের পেনিস বড় করার চেষ্টা এবং এর বাস্তবতা

প্রায় একশত বছরের বেশি সময় ধরে এর জন্য বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষা অথবা চেষ্টা করেও লিঙ্গের আকার পরিবর্তনে তেমন একটা ভাল ফলাফল/আবিষ্কার এখন পর্যন্ত করা সম্ভব হয়নি। তবুও বিভিন্ন খাবার বড়ি, ক্রিম, ব্যায়াম, লকিং মেশিন এবং অস্ত্রপ্রচারের মাধ্যমে এখন পুরুষ তার লিঙ্গের আকার পরিবর্তনের চেষ্টা করে। কিন্তু সত্যিকার অর্থে তাদের কোনটিই কার্যকর হয়না। বরং এ রকম চেষ্টার ফলে অনেক পুরুষই লিঙ্গত্থান সমস্যাসহ নানবিধ যৌন জটিলতায় পতিত হচ্ছেন প্রতিনিয়ত। ডক্টর মাইকেল ও’লেয়ারী (প্রফেস্যার, হাবর্ড মেডিক্যাল স্কুল। ইউরোলজিষ্ট, ব্রিগহাম এন্ড ওমেন্স হসপিটাল ইন বোষ্টন) বলেন, “বিশ্বাস করুন, আমি যদি জানতাম কি করে নিরাপদে এবং সত্যিকারেই লিঙ্গের আকার বড় করা যায় – তাহলে আমি তা প্রেসক্রাইব করে কোটিপতি হয়ে যেতাম। কিন্তু আমি এটা জানিনা। বুঝুন এবার !! তাই, যারা ফেইসবুক, ব্লগ এবং বিভিন্ন ওয়েবসাইটে পেনিস বড় করার বিভ্রান্তিকর বিজ্ঞাপন দেখে নানা খাবার বড়ি, ক্রিম ব্যবহার করার কথা ভাবছেন তারা একবার বিষয়টি ভেবে দেখবেন আশা করি।

আপনার দুর্বল মানসিকতাকে পুঁজি করে আপনার সাথে প্রতারণা করছে ! কারণ আজকাল কেউ কেউ হার্বাল, কবিরাজি, ভেষজ এমনকি হোমিওপ্যাথির দোহাই দিয়ে পর্যন্ত কোমলমতি তরুণ-যুবকদের মানসিক ভাবে দুর্বল করে থাকে। আপনারা দেখে থাকবেন স্বাস্থ্য বিষয়ক কিছু ওয়েবসাইটে এবং ফেইসবুক পেইজে এমন সব কু-রুচিপূর্ণ অশ্লীল ছবি ব্যবহার করে থাকে, যা দেখে যেকোন তরুণ-যুবকই মানসিক ভাবে এগুলোর প্রতি দুর্বল হয়ে পড়ে, যার ফলে আমাদের তরুনরা আসল সত্যটা না জেনেই তাদের ফাদে পা দিয়ে প্রতারিত হচ্ছেন প্রতিনিয়ত। আপনি অবশ্যই জেনে রাখবেন একজন ভালো চিকিত্সক কখনোই অশ্লীল যৌন মিলন সংক্রান্ত বা কোন প্রকার কুরুচিপূর্ণ ছবি দিয়ে আপনাকে মানসিক ভাবে দুর্বল করবে না। আপনার যদি সত্যিই কোন সমস্যা থেকে থাকে সেটা সারানোর ব্যাপারে সে তৎপর থাকবে। আপনি আরো দেখে থাকবেন তাদের অনেকেরই আবার নির্দিষ্ঠ কোনো ঠিকানা থাকে না। তারা শুধু ফোন নম্বর ব্যবহার করে থাকে। তারা অনেকেই আবার দাবি করে.. বিশ্ববিখ্যাত পেনিস এনলার্জমেন্ট ফর্মুলা (ডাহা মিথ্যা কথা) অনুযায়ী তাদের ওষুধ তৈরী করা হয়ে থাকে !!!

একটা বিষয় চিন্তা করুন, তাহলে বাংলাদেশের বড় বড় ওষুধ কোম্পানিগুলো বসে বসে কি করছেন। তারা কেন পেনিস বড় করার ওষুধ তৈরী করেন না? তারা কি বিশ্ববিখ্যাত পেনিস এনলার্জমেন্ট ফর্মুলা জানেন না! দেশের বড় বড় খ্যাতনামা যৌন বিশেষজ্ঞ ডাক্তাররা কেন তাদের রোগীদের জন্য প্রেসক্রিপসনে এইসব ওষুধের নাম লিখেন না? আর বাংলাদেশে রয়েছে হাজার হাজার ফার্মেসি যেখানে এত এত ওষুধ পাওয়া যায় অথচ বিশ্ববিখ্যাত ফর্মুলায় তৈরী করা তাদের ঐ ওষুধটা কেন পাওয়া যায় না? সবচেয়ে বড় কথা হলো বাংলাদেশে রয়েছে বেশ কয়েকটি প্রতিষ্ঠিত হারবাল ওষুধ প্রস্ততকারী কোম্পানি তারাই এ রকম কোনো ওষুধ আজ পর্যন্ত তৈরী করতে পারেন নি। যদি আসলেই স্বাভাবিক পেনিস লম্বা বা মোটা করার কোন ওষুধ থাকত তাহলে অবশ্যই তার সরকারী অনুমোদন থাকত আর সেটি আপনি আপনার পাশের ওষুধের দোকান থেকেই কিনতে পারতেন। আশা করি আর কিছু বলার প্রয়োজন নেই। সচেতন হন। জেনে শুনে প্রতারিত হবেন না। আপনার কষ্টার্জিত টাকার মুল্য আছে তা আপনার পরিবারের জন্য খরচ করুন। লোভে পড়ে যেখানে সেখানে টাকা পয়সা উড়াবেন না।
এই ধরণের প্রতারকদের থেকে সতর্ক থাকুন এবং সাবধান থাকুন। তারা আসলে মানুষের দুর্বল মানসিকতার সুযোগ নিয়ে লোকজনকে প্রতারিত করে থাকে। কারণ আজ পর্যন্ত পৃথিবীতে কোন মেডিকেল সাইন্সই এ বিষয়ে ভালো ভাবে সফল হয় নি, অপারেসন করে পেনিসের আকার পরিবর্তন করলেও তাতে রয়েছে নানান জটিলতা। এখন প্রশ্ন হলো :- যারা স্বাভাবিক পেনিস মোটা বা লম্বা করার বিজ্ঞাপন দিয়ে থাকেন তারা কি ভাবে সফল হলো! তাদের খাবার বড়ি, ক্রিম ব্যবহার করে ফলাফল পেয়েছেন, এখন পর্যন্ত এমনটি কারো কাছে শুনিনি।। মূল কথা হলো, তাদের ব্যবসা করার চূড়ান্ত হাতিয়ার আমাদের তরুনদের দুর্বল মানসিকতা। কারণ এই গুলো ব্যবহার করে কোনো ফলাফল পান বা না পান সেটা আপনি কারো কাছে বলতে পারবেন না। তাই বিষয়টি ভেবে দেখবেন। প্রায় অর্ধেক প্রাপ্ত বয়স্ক পুরুষ মনে করেন তাদের পুরষাঙ্গ অনেক ছোট। বিশ্বজুড়ে সাধারনত উত্তেজিত অবস্থায় পুরুষ লিঙ্গের গড় দৈর্ঘ্য হয়ে থাকে ৪ থেকে ৬ ইঞ্চি। তবে লিঙ্গের আকার ব্যাক্তি এবং অঞ্চলভেদে অনেক পার্থক্য দেখা যায়। বিরল ক্ষেত্রে পারিবারিক (জেনেটিক) এবং হরমোন জনিত সমস্যার কারনে ৩ ইঞ্চির চেয়েও অনেক ছোট লিঙ্গ দেখা যায়। চিকিত্সা শাস্ত্রে এটি মাইক্রোপেনিস নামে পরিচিত। তবে পেনিস ৪(চার) ইঞ্চি হলেই স্ত্রীকে অর্গাজম দিতে কোনো প্রকার অসুবিধা হওয়ার কথা নয়। অনেকের ক্ষেত্রে প্রোষ্টেইট ক্যান্সার অপারেশান সহ নানা রোগের কারনে লিঙ্গের আকার ছোট হয়ে যেতে পারে। অনেকের ক্ষেত্রেই দেখা যায়- দীর্ঘদিন হস্তমৈথুন করার কারণে লিঙ্গের আকার কিছুটা পরিবর্তন হয়ে যায় এবং পেনিসে কিছুটা বক্রতাও সৃষ্টি হয় এর কারণে। তবে লিঙ্গ প্রাকৃতিক ভাবে ছোট বা বড় হয়ে যেতে পারেনা। এটি শুধু উত্তেজনার সময় পর্যাপ্ত রক্ত সঞ্চালনের মাধ্যমে আকার পরিবর্তন করে। হস্তমৈথুন অভ্যাসের কারণে হয়ত অনেকের ক্ষেত্রে একই জায়গায় অতিরিক্ত প্রেসারের কারণে পেনিসের পরিবর্তন হতে পারে।

অনেক পুরুষ কিংবা নারী পর্ন ফিল্ম দেখে লিঙ্গের আকার এবং মিলেনের সময় নিয়ে নিজের মধ্যে একপ্রকার নেগেটিভ ধারনা করে রাখে। সত্যিকার অর্থে ছবিতে নায়ক তারাই হয় যারা অন্যদের তুলনায় হ্যান্ডসাম হয়। পর্নষ্টারও তার ব্যতিক্রম নয়। পর্নগ্রাফিতে ক্যামেরা এমন এঙ্গেল এ ধরা হয় যাতে ভিজ্যুয়ালী লিঙ্গকে বড় দেখা যায়। উদাহরন স্বরুপ আপনি যদি কোন একটি উচু স্থানে থেকে নিচে দাড়ানো আপনার কোন বন্ধুর ছবি তোলেন তাহলে তাকে খাটো দেখাবে। তেমনি যদি আপিনি মাটিতে বসে কিছুটা উপরে দাড়ানে অবস্থায় আপনার বন্ধুর ছবি তোলেন তাহলে একই ব্যাক্তিকে অনেক লম্বা দেখাবে। আর সে জন্যই আমরা যখন মাথা নিচু করে আমাদের নিজের লিঙ্গ দেখতে যাই তখন ভিজ্যুয়াল ইল্যুশানের কারনে আমাদের লিঙ্গের আকার প্রকৃত আকারের চেয়ে ছোট দেখা যায়। এখানে এ বিষয়টি বলে রাখতে চাই- পর্ন ফিল্মে দেখা যায় একই যুগল ২০/২৫ মিনিট মিলন করছে। সত্যিকার অর্থে তাদের এই ২০ মিনিট এর মিলন দৃশ্যের শুটিং হয়েছে ২/৩ দিন ধরে। তাদের অনেকবারের মিলনের দৃষ্টিনন্দন অংশগুলো ভিডিও এডিটে কাট-ছাট করে একটি ক্লিপ বাজারে আসে। তাই পর্ন ফিল্ম দেখে পেনিসের আকার এবং মিলনের সময় নিয়ে আমাদের হতাশ হবার অবকাশ নেই। কারণ সমীক্ষায় দেখা গেছে, ওই সব দেশের বেশির ভাগ পুরুষরই ২-৩ মিনিটের বেশি মিলন করতে পারে না। এটা হলো তাদের বাস্তব চিত্র। যৌন তৃপ্তির জন্য লিঙ্গের আকার মুল বিষয় নয়। প্রধান বিবেচ্য বিষয় হচ্ছে মিলনে এবং সিঙারে আপনার কারুময়তা। আপনি যত বেশি সৃষ্টিশীল পদ্ধতিতে স্ত্রীকে “অন” করবেন সে তত বেশি আপনার পার্সোনলিটির প্রতি আবেগী হবে। মিলনকালে পেনিট্রেশান (যোনীতে লিঙ্গ প্রবেশ করানো) থেকে সর্ব আনন্দ নিতে হবে তা নয় (শুধু পেনিট্রেশানে কোন পুরুষই নারীকে তৃপ্ত করতে পরেনা) বরং ফোর প্লে সহ সকল বিষরের সংমিশ্রনে যৌন মিলনেরে যে প্যাকেজ তা থেকে পরিপুর্ন তৃপ্তি অর্জন সম্ভব। এর জন্য আপনার সঙ্গীর ভাললাগা, তার শরীরের কোন অংশ অতি সংবেদনশীল তা আবিষ্কার করা, যৌন আসনের পরিবর্তন করে যে আসন সর্বোচ্চ কার্যকর তা জানার পর যে কোন যুগল সহজে তাদের শাররীক কাম আগুন নিভাতে সক্ষম হবেন। তাই সম্পর্ক যত পুরোনো- পুর্নতৃপ্তির পরিমানও বেশি হয়। ব্রিটিশ জার্নাল অব ইউরোলজিতে সম্প্রতি এক রিসার্চের ফলাফল প্রকাশিত হয়েছে, যা রীতিমতো চমকপ্রদ এবং মানব ইতিহাসে বিজ্ঞান ও চিকিৎসা শাস্ত্রে নতুন এক তথ্য সন্নিবেশিত হবে সন্দেহ নেই। ব্রিটিশ জার্নাল অব ইউরোলজিতে এম আই নরমাল। শিরোনামে বিস্তর গবেষণা ধর্মী এক রিসার্চ এর ফলাফল প্রকাশিত হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, মানুষ মাত্রই বিশেষ করে পুরুষেরা নিজেদের গোপনাঙ্গে আকার নিয়ে দ্বিধা দ্বন্ধ, মানসিক এক ধরনের উত্তেজনা, অসুস্থ্যতা কিংবা চিন্তায় আচ্ছন্ন বা ভুগে থাকেন। যাদের পুরুষাঙ্গের আকার লম্বা তারা মনে করে থাকেন, তাদের যৌন মিলনে সঙ্গিনী বা স্ত্রীকে পূর্ণ সুখভোগ দিয়ে থাকেন বা সক্ষম। পক্ষান্তরে এমনও পুরুষ আছেন যারা অসুস্থতায় বা দুঃচিন্তায় ভোগেন পুরুষাঙ্গের সাইজ ছোট হওয়ার কারণে তারা তাদের স্ত্রী, পার্টনারকে পূর্ণ সুখ যৌন মিলনের সময় হয়তো দিতে সক্ষম নন- এই দুই ধরনের মানসিক বৈকল্য বা এক ধরনের সাইকোলজিক্যাল এফেক্ট মানবদেহ ও মনে ক্রিয়া করে থাকে।

বিজ্ঞানী বা গবেষকেরা কিন্তু এই দুই অবস্থার সম্পূর্ণ বিপরীত এক চিত্র বা ফলাফল পেয়েছেন। সম্প্রতি ইউকের একদল গবেষক এবং কুইন্সল্যান্ড ইউনিভার্সিটির লিড গবেষক জেমস শেরলকসহ তারা বিশাল এক মানবগোষ্ঠীর উপর গবেষণা চালিয়েছেন। তাদের গবেষণায় তারা পুরুষের পুরুষাঙ্গের আকার ছোট কিংবা লম্বা ও বড় পুরুষাঙ্গ তার সঙ্গিনীর যৌন মিলনে কতটুকু প্রভাব ফেলতে পারে তা গভীর পর্যবেক্ষণ-বিশ্লেষণ করেছেন। ১৫,০০০ পুরুষের পেনির সাইজ তারা যেমন পরীক্ষা-নিরীক্ষা করেছেন একই সাথে ৫০,০০০ উভয় লিঙ্গের মানুষের উপর গবেষণা, তথ্য, উপাত্ত সংগ্রহ করেছেন, বিশ্লেষণ করেছেন। গবেষণাকালে ১৫,০০০ বিভিন্ন গ্রুপ, ধর্ম, গোত্র ও এথনিক মাইনোরিটির পুরুষের সাইজ তারা পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও পরীক্ষাগারে বিশ্লেষণ করেছেন। তাদের এই এথনিক গ্রুপের মধ্যে ছিলো অধিকাংশ ইউরোপীয় ও মধ্যপ্রাচ্যের পুরুষ। আফ্রিকা ও এশিয়ার বৃহৎ গ্রুপ এর বাইরে রয়ে গেছেন, যার ফলে আরো অধিক বৃহৎ আকারে গবেষণা হয়তো শেষ পর্যন্ত আরো করা লাগতে পারে- এমন কথাও তারা বলেছেন। এই ১৫,০০০ পুরুষের মধ্যে গবেষকদল এভারেজ পেনির সাইজ মুসলমানিসহ ও ছাড়া ১৩.১২ সেন্টিমিটার থেকে ১১.৬৬ সেন্টিমিটার পেয়েছেন। এই গ্রুপের মধ্যে অধিকাংশের সার্জারির পরেও এই এভারেজের সাইজের নীচে পড়েনি। এই চিকিৎসা বিজ্ঞানের রিসার্চাররা বলছেন, এই পুরুষাঙ্গ যখন স্ত্রীর লিঙ্গের যোনীর মধ্যে ঢুকে স্পার্ম ডেলিভারি করে থাকেন- সকল পুরুষের ও স্ত্রীর ক্ষেত্রে একই অবস্থান ও নিয়ম থাকা সত্যেও কেন পুরুষেরা তখনো যোনীর ভিতরে ঢুকানোর পরেও তারা তাদের পেনির সাইজ ছোট কিংবা বড় আকারের সাইকোলিজিক্যাল ডিসওর্ডারে ভোগেন। তারা বলছেন, মানুষের স্বভাবজাত গুণ হলো, তারা মনে করে পেনির সাইজ বড় বা লম্বা হলেই বোধ হয় যৌন সুখী হওয়া যায় বা স্ত্রী কিংবা পার্টনার বেশী সুখ লাভ করে থাকে। আর এ চিন্তা চেতনা থেকেই যাদের সাইজ ছোট তারা এক ধরনের হীনমন্যতায় ভোগেন। আসলে কী তাই? তারা বলছেন, বিশাল গরিলার পেনির সাইজ মাত্র ১.৫ ইঞ্চি। অথচ তার সুখানুভূতির বা স্ত্রী গরিলার অর্গানিজমে কোন সমস্যা হয়না।মানুষের মাথায় সব চেয়ে দ্রুত এবং সহজেই খেলে চলে পেনির সাইজ লম্বা হলেই নারীর অর্গানিজম সহজেই হবে। গবেষণা কী বলছে? তারা বলছেন, কম্পিউটারে ফিমেল রেইট থ্রি-ডি কম্পিউটার জেনারেটেড ইমেজসহ গবেষণার ফলে তারা দেখতে পেয়েছেন, পেনির সাইজ আকারে কিংবা লম্বায় ছোট কিংবা বড় যৌন মিলনের সুখের ক্ষেত্রে কোন বাধা নয়।

অধিকাংশ নারী জানিয়েছেন, পেনির সাইজ নিয়ে তারা মোটেই চিন্তিত নন। তারা তাদের সঙ্গীর বর্তমান সাইজ নিয়ে খুশী। প্রশ্ন উঠতেই পারে বড় আকারের পেনি ভালো বা উত্তম কিনা। আদতে রিসার্চে সেরকম কোন ফল আসেনি। গবেষকরা পেয়েছেন, যৌন মিলনের সময় নারীর অংশগ্রহণ এবং উৎসাহ উদ্দীপনা ও সহযোগিতাই আসল। নারী কিভাবে বিছানায় খেলেন, তার উপরই তার অর্গানিজম নির্ভর করে। দেখা গেছে, ছোট সাইজের পেনি দিয়ে যৌন মিলনের মাধ্যমে নারীর পূর্ণ অর্গানিজম হয়েছে। তবে লম্বা পেনির জন্য প্রয়োজন ডিপার ভেজিনা বা গভীরতা, যাতে পুরোপুরি ঢুকানো যায়। ৫০,০০০ উভয় লিঙ্গের মানুষের মধ্যে ৮৫% বলেছেন তারা তাদের সঙ্গীর পেনির সাইজ ও রিলেশন ও ইন্টারকোর্স নিয়ে খুবই তৃপ্ত। এর মধ্যে ৫৫% পুরুষ তাদের পেনির সাইজ ছোট নিয়ে সুস্পষ্ট মতামত দিয়েছেন। স্টাডিতে তারা দেখেছেন, নারীর অর্গানিজমের ব্যাপারে পেনির সাইজ খুব একটা সম্পর্কিত নয়। তবে একই স্টাডির অন্য অংশে বলা হয়েছে ভ্যাজিনার ভিতরের টিস্যুর অংশ যা পেনির সাথে ঘর্ষিত হয়, তার সাথে অর্গানিজমের রিলেশন আছে- যদি তাই হয় তাতে লম্বা পেনির ভুমিকা রয়েছে বলে তারা মনে করছেন, তারপরেও তারা ফাইনাল কনক্লোশানে উপনীত হননি। বলেছেন যদি তাই হয় এবং সাজেস্ট করেছেন এশিয়া ও আফ্রিকান পুরুষের পেনি ও নারীদের ভ্যাজিনার মধ্যকার সম্পর্কিত স্টাডি আরো বড় আকারে করার। তবে সব চাইতে বড় যে তথ্য তারা দিয়েছেন তা হলো পেনির সাইজ কিংবা ভ্যাজিনার গভীরতা যাই হউক, আসল বিষয় হলো কনফিডেন্ট ডেভেলপ বা বিল্ড করার মধ্যে সাইকোলিজিক্যাল বড় রকমের এক রহস্য নিহিত- নারী পুরুষের পূর্ণ সেটিসফেকশনের জন্য। তাদের গবেষণার শেষ অংশে তারা উল্লেখ করেছেন, মাত্র ৩% লোকের মধ্যে পেনির সাইজ তারা নর্মাল বা এভারেজ সাইজ থেকে কম সাইজের পেয়েছেন, অর্থাৎ সর্বশেষ তথ্যমতে ৯.৫ সেন্টিমিটার থেকে ১০ সেন্টিমিটার লম্বা সাইজ তারা পেয়েছেন এবং এই সাইজকেই তারা ধরেছেন পুরুষের স্বাভাবিক পেনির সাইজ থেকে ছোট সাইজের পেনি যা অস্বাভাবিক ধরনের, যদিও এই সাইজের পেনির দ্বারাও পূর্ণ সম্ভোগ সুখের ও নারীর অর্গানিজমের প্রমাণ স্বাভাবিক পেয়েছেন, তাতে মনে হয়না ছোট আকারের খুব একটা ব্যবধান আছে। তারা এই পর্যায়ে এসে বলেছেন, এই ছোট সাইজ হওয়ার কারণে এটা কেবল তাদের মনস্তাত্ত্বিক এক চিন্তায় ভোগেন আর কিছু নয়। এতে নারীর অর্গানিজমের কোন ব্যাঘাত ঘটেনি। এর পরেও যদি নিজেকে অপরাধী ফিল করেন তাহলে তারা যেন যেন বৃহৎ আকারের গরিলার দিকে তাকান, যার অসম্ভব এক ছোট সাইজের পেনি রয়েছে। শারীরিক মিলন একটি শিল্প- এটা রপ্ত করুন। আপনার নিজের জন্য এবং আপনার স্ত্রীর জন্য। এক্ষেত্রে স্বামী বা স্ত্রী কারো যৌন সংক্রান্ত কোনো সমস্যা থাকলে অবশ্যই আপনার হোমিওপ্যাথের সাথে কথা বলে প্রপার ট্রিটমেন্ট নিবেন। মনে মনে কোনো রোগই পুষে রাখবেন না। কারণ অল্প দিনের হোমিও চিকিত্সাতেই আপনি চিরদিনের জন্য যৌন সমস্যা থেকে আরোগ্য লাভ করবেন। আর তখন অনাবিল আনন্দে ভরে উঠবে আপনাদের যৌন জীবন।

About the Author

Leave a comment

XHTML: You can use these html tags: <a href="" title=""> <abbr title=""> <acronym title=""> <b> <blockquote cite=""> <cite> <code> <del datetime=""> <em> <i> <q cite=""> <s> <strike> <strong>