পুরুষের জন্য প্রয়োজনীয় ৯ টি খাবার

অনেক পুরুষই বেশির ভাগ সময় খাবারের বিষয়ে উদাসীন থাকেন। অনেকটা যা জোটে তাই খাওয়ার মতো ব্যাপার যেন। কিন্তু কিছু খাবার যেমন সবার জন্যই স্বাস্থ্যকর, তেমনি শিশু, প্রাপ্তবয়স্ক নারী ও পুরুষ এবং বৃদ্ধ প্রত্যেকের জন্যই আলাদাভাবে গুরুত্বপূর্ণ কিছু খাবারও রয়েছে। যে খাবারগুলো বয়স ও লিঙ্গ ভেদে যার যার জন্য উপকারী। প্রাপ্তবয়স্ক পুরুষদের জন্য তেমন কিছু উপকারী খাবারের কথা জানিয়েছে টাইমস অব ইন্ডিয়া।

টমেটো
অনেক ধরনের উপকারী গুণাগুণের জন্য টমেটোকে অনেকেই ‘সুপার ফুড’ বলেন। এতে আছে গুরুত্বপূর্ণ পুষ্টির উপাদান লাইসোপিন। এটা কোলেকটরাল ক্যানসার, প্রোস্টেট ক্যানসার, হূদরোগ এবং নিম্ন-কোলস্টেরলের বিষয়ে বিশেষভাবে উপকারী। আর এসব বিষয়ের অসুস্থতাই পুরুষদের মধ্যে খুবই সাধারণ।

ঝিনুক বা শুক্তির দস্তা
ঝিনুকে উচ্চমাত্রায় দস্তা আছে। এ উপাদানটি পুরুষের উর্বরতা এবং যৌন স্বাস্থ্যের জন্য খুবই প্রয়োজনীয়। টেস্টাটেরন হরমোনের প্রয়োজনীয় মাত্রা বজায় রাখতে এবং স্বাস্থ্যবান বীর্য-উত্পাদনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে দস্তা। ঝিনুকের দস্তা চুলের জন্যও উপকারী।

দানাদার শস্য
দানাদার শস্যে উচ্চমাত্রার ভিটামিন, খনিজ উপাদান এবং আঁঁশ আছে। ওট বা জইয়ের দানা এবং বাদামি চালে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন-বি আছে। শরীরের জন্য প্রয়োজনীয় এই ভিটামিন-বি ‘ডিপ্রেশন’ বা ‘বিষণ্নতা’ কমাতে সাহায্য করে। গবেষণায় দেখা গেছে, এ ধরনের শস্যে প্রাপ্ত ‘ফোলেট’ বীর্যকে স্বাস্থ্যবান রাখতে সহায়তা করে এবং ‘বায়োটিন’ চুল পড়া রোধে ভূমিকা রাখে।

রসুন
হৃৎপিণ্ডের সুরক্ষায় এবং হৃদরোগ প্রতিরোধে রসুনের উপকারের কথা সবাই জানেন। শুধু তা-ই নয়, কোলস্টেরলের মাত্রা কমিয়ে রাখতেও সাহায্য করে রসুন। গবেষকেরা বলছেন, যে পুরুষেরা নিয়মিত রসুন খান তাঁদের শরীরে কোলস্টেরলের মাত্রা কম থাকে।

স্যামন মাছ
স্যামন এবং এ-জাতীয় মাছ কেবল প্রোটিনের ভালো উত্সই নয়, এতে আছে ‘ওমেগা-৩’ নামের ফ্যাটি অ্যাসিড যা বাজে ধরনের কম মাত্রার কোলস্টেরলের সঙ্গে সম্পর্কিত। এটা হৃদরোগ, কোলেকটরাল ক্যানসার, প্রোস্টেট ক্যানসারের ঝুঁকি ও বিষণ্নতা কমাতে সাহায্য করে।

ব্লুবেরি
বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, ব্লুবেরিতে উচ্চমাত্রার ‘প্রো-অ্যানথোসাইনিডিন’ আছে, যা প্রোস্টেট ক্যানসারের ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করে। বয়সজনিত স্মৃতিভ্রষ্টতা, টাইপ-টু ডায়াবেটিস ও হূদরোগের ঝুঁকি কমাতেও সাহায্য করে এই ফল।

ফুলকপি
বাঁধাকপির মতো ফুলকপিতেও ক্যানসার প্রতিরোধী রাসায়নিক ‘সালফোরাফেন’ আছে। বলা হয়ে থাকে পুরুষের মূত্রাশয়ের ক্যানসার, প্রোস্টেট ক্যানসার ও কোলেকটরাল ক্যানসার হওয়া রোধ করতে সহায়তা করে থাকে।

ডিম
চুল পড়ে যাচ্ছে? নিশ্চিত হন যে আপনার খাদ্যতালিকায় ডিম আছে। চুলের বৃদ্ধির জন্য গুরুত্বপূর্ণ প্রোটিন আছে ডিমে। আর ডিমের কুসুম লৌহের খুবই ভালো উত্স।

ডালিমের রস
অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট, খনিজ ও ভিটামিন সমৃদ্ধ ডালিমের রস কোলস্টেরলের মাত্রা কমায়, উচ্চ রক্তচাপ রোধ করে। কিছু গবেষণায় বলা হয়েছে, প্রতিদিন পরিমিত মাত্রায় ডালিমের রস পানে পুরুষের প্রোস্টেট ক্যানসারের বৃদ্ধি কমিয়ে দিতে পারে।

সবাই এখন যা পড়ছে :-

অস্বস্তিকর হেঁচকি? দৌড়ে পালাবে ! জেনে নিন ঘরোয়া কিছু টিপস !

হেঁচকি এমন একটি অস্বস্তিকর সময় যখন আমাদের আর কিছুই ভালো লাগে না। এই হেঁচকি কমাতে আমরা যে কত কিছুই করে থাকি। অতিরিক্ত পানি বা খাবার খেলেই এই হেঁচকি উঠতে শুরু করে। আর তখন বাড়ে অস্বস্তি বেড়ে যায়। ব্যথা করতে থাকে ঘাড় এবং মাধা। যতক্ষণ না কমছে এই হেঁচকি ততক্ষণ রয়ে যায় অস্বস্তি। আর তাই আজ আমরা জেনে নেই এই হেঁচকি থেকে বাঁচার ৯টি ঘরোয়া টোটকা। হেঁচকি কমাতে খেতে পারেন লেবু। দেখবেন খুব সহজেই কমে গেছে হেঁচকি। অনেক সময়ে এসিডিটি থেকে হেঁচকি হয়। তখন প্রচুর পরিমাণে পানি খান। আর এর সাথে নিতে পারেন এসিডিটির ওষুধ। এই হেঁচকির সময়ে যদি আপনাকে কেউ ভয় দেখান আর তাতে আপনি ভয় পেলে দেখবেন হঠাৎই কমে গিয়েছে হেঁচকি। এই হেঁচকি কমাতে পানি দিয়ে গার্গেল করুন। দেখবেন খুব সহজেই কমে গেছে আপনার হেঁচকি। একটু দূরত্ব রেখে পানি পান করতে থাকুন। একসময় দেখবেন কমে গিয়েছে আপনার এই অস্বস্তি। লবণের রয়েছে নিজস্ব এক গন্ধ। আর এই গন্ধ আপনাকে পরিত্রাণ দিতে পারে এই অস্বস্তিকর অবস্থা থেকে। আর তাই শুঁকুন লবণের গন্ধ। এটি আসলে আদি একটি উপায়। আর এই উপায়ে মিলবে স্বস্তি। হাতে আকুপ্রেশারের মাধ্যমেও কমে যায় হেঁচকি। নাক ধরে নিঃশ্বাস বন্ধ করে রাখুন। এই পদ্ধতি দিবে আপনাকে আরাম। যতক্ষণ না কমে হেঁচকি নিতে থাকুন এই পদ্ধতি।

এটি আরেকটি ঘরোয়া পদ্ধতি। বের করে রাখুন আপনার জিভ, দেখবেন কিছুক্ষণের মধ্যেই মিলেছে আরাম। কিছুক্ষণের মধ্যে কমে যাবে আপনার অস্বস্তিকর সময়।

About the Author

Leave a comment

XHTML: You can use these html tags: <a href="" title=""> <abbr title=""> <acronym title=""> <b> <blockquote cite=""> <cite> <code> <del datetime=""> <em> <i> <q cite=""> <s> <strike> <strong>