এই গরমে শরীর শীতল রাখবে অ্যালোভেরা পাঞ্চ

প্রাচীনকাল থেকেই ভারতীয় উপমহাদেশের ভেষজশাস্ত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ স্থান অধিকার করে থাকা উদ্ভিদের নাম অ্যালোভেরা। পুষ্টিবিদদের মতে, অ্যালোভেরা এন্টিটক্সিডেন্টে ভরপুর। বিশেষ করে গ্রীষ্মে এই উদ্ভিদের গুরুত্ব অপরিসীম। কারণ এই মৌসুমেই শরীরে সংক্রমণের সম্ভাবনা বেশি। তাছাড়া শরীর শীতল রাখতেও বিশেষ ভূমিকা পালন করে এ উদ্ভিদ।

অ্যালোভেরা বা ঘৃতকুমারী একটি বহুজীবী ভেষজ উদ্ভিদ এবং দেখতে অনেকটা আনারস গাছের মতো। এর পাতাগুলো পুরু, দুই পাশে কাঁটা এবং ভেতরে পিচ্ছিল শাঁস (জেল) থাকে।

আয়ুর্বেদি চিকিৎসায় বহুলভাবে ব্যবহৃত হয় উদ্ভিতটি। ত্বকের ফুসকুড়ি, পোড়া ও খুশকি দূর করতে অ্যালোভেরা জেল লাগানো হয়। এছাড়াও জুস তৈরিতে, খাদ্যের পুষ্টিবর্ধন উপাদান হিসেবে ও ঘরবাড়ির সাজ-সজ্জায় ব্যবহৃত হয় এ উদ্ভিদ।

এর জেল পান করলে পরিপাকক্রিয়া সহজ হয় এবং কোষ্ঠকাঠিন্য দূর হয়। শরীরের শক্তি যোগানসহ ওজনকে ঠিক রাখতে সাহায্য করে তা।

সুতরাং গ্রীষ্মকালে খেলাধুলা, মর্নিং ওয়াক বা শারীরিক কসরতের সময় দেহকে ঠাণ্ডা রাখতে ও ক্লান্তি দূর করতে পান করতে পারেন বিভিন্ন ভেষজ সবজি মিশ্রিত এক গ্লাস অ্যালোভেরা পাঞ্চ (পাঁচমিশালি)। ঘরে বসে নিজে নিজে অ্যালোভেরা পাঞ্চ তৈরির সুবিধার্থে বাংলানিউজের পাঠকদের জন্য দেওয়া হলো তা প্রস্তুতের একটি কার্যকর রেসিপি।

উপাদান:
শসা ১টি
লেবু ১টি
কমলা ১টি
সতেজ মিন্ট (পুদিনা)
ডাব/নারিকেলের পানি ২৫০ মিলিলিটার
অ্যালোভেরা জুস ১৫০ মিলিলিটার
মধু ৫ মিলিলিটার

প্রস্তুত পদ্ধতি:
১. ছোট ছোট টুকরায় শসা, কমলা লেবু ও পুদিনা একত্র করে এর মধ্যে লেবুর রস ঢেলে দিন।
২. আলাদা একটি পাত্রে ডাবের পানি, অ্যালোভেরা জুস ও মধুর মিশ্রণ তৈরি করুন।
৩. মিশ্রণটির সঙ্গে শসা, কমলা লেবু ও পুদিনা একত্র করে ভালোভাবে ব্লেন্ড করে গ্লাসে পরিবেশন করুন।

সবাই এখন যা পড়ছে :-

একদিনের ব্যবধানে বেগুনের মূল্য দ্বিগুণ হয়েছে!

রাজধানীর অন্যতম পাইকারি পণ্যের আড়ৎ কারওয়ান বাজারে একদিনের ব্যবধানে বেগুনের মূল্য দ্বিগুণ হয়েছে। একইসঙ্গে সপ্তাহ ব্যবধানে মাছ-সবজির মূল্য কেজিতে ৫ থেকে ১০ টাকা বেড়েছে। শনিবার (১৯ মে) সকালে কারওয়ান বাজার ঘুরে এ তথ্য জানা গেছে।

এ বাজারে একদিনের ব্যবধানে শুধু লম্বা বেগুনের দাম হয়েছে দিগুণ। শুক্রবার যে বেগুন কেজিপ্রতি ৬০ টাকা বিক্রি হয়েছে শনিবার তা ১২০ টাকায়ও মিলছে না।

অন্যান্য সবজির মধ্যে ঝিঙা ৫০ থেকে ৬০ টাকা, কাঁচাকলার হালি ৩০ থেকে ৩৫ টাকা, ঢেঁড়স ৪০ থেকে ৪৫ টাকা, মিষ্টি কুমড়া (মাঝারি সাইজের) একটির দাম ৩০ থেকে ৩৫ টাকা, করলা ৭০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া নিত্যপ্রয়োজনীয় আলু কেজিতে ২ থেকে ৩ টাকা বেড়ে ২০ টাকা, কাঁচা মরিচ ৪০ টাকা, টমেটো ৪৫ থেকে ৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

মাছের বাজারেও ঊর্ধ্বমুখী চিত্র। পাঙ্গাস মাছ গত সপ্তাহের চেয়ে এ সপ্তাহের দাম প্রতি কেজিতে ১০ টাকা বেড়ে ১২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। সিলভার কার্প মাঝারি সাইজের কেজি ১৩০ টাকা, মাঝারি সাইজের তেলাপিয়া কেজি বিক্রি হচ্ছে ১৩০ টাকায়।

রমজানের আগে ইলিশের দাম কম ছিল বলে জানান বিক্রেতারা। ৮০০ গ্রাম ওজনের প্রতি হালি ইলিশ তিনদিন আগেও ২৪০০ টাকায় বিক্রি হয়েছে যা শনিবার বিক্রি হচ্ছে ৩০০০ টাকায়। ৬০০ গ্রাম ওজনের ইলিশও হালিপ্রতি বেড়েছে ৪০০ থেকে ৬০০ টাকা। ১৮০০ টাকা হালির ইলিশ শনিবার বিক্রি হচ্ছে ২৪০০ টাকায়।

অস্বস্তিকর হেঁচকি? দৌড়ে পালাবে ! জেনে নিন ঘরোয়া কিছু টিপস !

হেঁচকি এমন একটি অস্বস্তিকর সময় যখন আমাদের আর কিছুই ভালো লাগে না। এই হেঁচকি কমাতে আমরা যে কত কিছুই করে থাকি। অতিরিক্ত পানি বা খাবার খেলেই এই হেঁচকি উঠতে শুরু করে। আর তখন বাড়ে অস্বস্তি বেড়ে যায়। ব্যথা করতে থাকে ঘাড় এবং মাধা। যতক্ষণ না কমছে এই হেঁচকি ততক্ষণ রয়ে যায় অস্বস্তি। আর তাই আজ আমরা জেনে নেই এই হেঁচকি থেকে বাঁচার ৯টি ঘরোয়া টোটকা। হেঁচকি কমাতে খেতে পারেন লেবু। দেখবেন খুব সহজেই কমে গেছে হেঁচকি। অনেক সময়ে এসিডিটি থেকে হেঁচকি হয়। তখন প্রচুর পরিমাণে পানি খান। আর এর সাথে নিতে পারেন এসিডিটির ওষুধ। এই হেঁচকির সময়ে যদি আপনাকে কেউ ভয় দেখান আর তাতে আপনি ভয় পেলে দেখবেন হঠাৎই কমে গিয়েছে হেঁচকি। এই হেঁচকি কমাতে পানি দিয়ে গার্গেল করুন। দেখবেন খুব সহজেই কমে গেছে আপনার হেঁচকি। একটু দূরত্ব রেখে পানি পান করতে থাকুন। একসময় দেখবেন কমে গিয়েছে আপনার এই অস্বস্তি। লবণের রয়েছে নিজস্ব এক গন্ধ। আর এই গন্ধ আপনাকে পরিত্রাণ দিতে পারে এই অস্বস্তিকর অবস্থা থেকে। আর তাই শুঁকুন লবণের গন্ধ। এটি আসলে আদি একটি উপায়। আর এই উপায়ে মিলবে স্বস্তি। হাতে আকুপ্রেশারের মাধ্যমেও কমে যায় হেঁচকি। নাক ধরে নিঃশ্বাস বন্ধ করে রাখুন। এই পদ্ধতি দিবে আপনাকে আরাম। যতক্ষণ না কমে হেঁচকি নিতে থাকুন এই পদ্ধতি।

এটি আরেকটি ঘরোয়া পদ্ধতি। বের করে রাখুন আপনার জিভ, দেখবেন কিছুক্ষণের মধ্যেই মিলেছে আরাম। কিছুক্ষণের মধ্যে কমে যাবে আপনার অস্বস্তিকর সময়।

About the Author

Leave a comment

XHTML: You can use these html tags: <a href="" title=""> <abbr title=""> <acronym title=""> <b> <blockquote cite=""> <cite> <code> <del datetime=""> <em> <i> <q cite=""> <s> <strike> <strong>