ফোন গরম হয়ে যাচ্ছে? জেনে নিন কি করবেন!

স্মার্টফোন গরম হওয়াটা অসম্ভব কিছুই নয় । কিছু কিছু স্মার্টফোন আছে চার্জে দিলেই গরম হতে শুরু, কিছু কিছু স্মার্টফোন হটস্পট অন করলে গরম হয়। ফোন গরম হলে সেখান থেকে বিস্ফোরন অবধি ঘটে যায় । অনেকসময় কথা বলতে বলতেও ফোন গরম হয়ে যায় । ফোন বিস্ফোরনের কথা প্রয়াই শোনা যায় । তাই অনেকেই স্মার্টফোন গরম হলে সেই ফোন ব্যবহার করা ছেড়ে দেন ।

 

দামি বা কমদামি ফোন বলে গরম কম বেশি এমন কথার মানে নেই । সাধারনত 35 থেকে 40 ডিগ্রি অবধি ফোন গরম হওয়া স্বাভাবিক । তবে কি কি কারণে ফোন গরম হয় দেখুন-

ব্যাটারি- ফোন যত বড় হবে ততই ব্যাটারি পপাতলা হবে । ব্যাটারি যত পাতলা হবে বা দূর্বল হবে তত বেশি গরম হবে । তাই চার্জ দেওয়ার সময় ব্যাটারি গরম হয়ে ফোন গরম লাগে ।

নেটওয়ার্কের সমস্যা- নেট সমস্যার কারণেও ফোন গরম হয় । কারণ নেট সমস্যা হলে সার্চিং-এর জন্য ব্যাটারির ওপর চাপ পরে । তারপর ফোনেও খুব চাপ পড়ে । এর ফলে স্মার্টফোন গরম হয়ে যায় ।

প্রসেসর- প্রসেসর ছাড়া ফোন চলবে না । এটি ফোনের একটি গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ । প্রসেসর ফোনের সঙ্গেই থাকে যেহেতু ক্ষুদ্র খুদ্র ইলেকট্রনের জন্য তাপ অনুভূত হয় ।

স্মার্টফোন গরমের হাত থেকে মুক্তির উপায়-

  1. ফোনে উল চার্জ রাখুন । তারমানে এই নয় 75 শতাংশ থাকলেই আবার চার্জে দিতে হবে। এতে ফোনের বেশি ক্ষতি হয় ।
  2. অনেক অ্যাপস চালু রাখলে সমস্যা হবে ।
  3. বেশি ঘাঁটাঘাঁটি করা ঠিক নয় ।
  4. RAM ও ক্যাশ মেমোরি পরিষ্কার রাখুন ।
  5. চামড়ার কভার ব্যবহার করুন ।
  6. ওয়াই-ফাই সমবসময় চালু রাখা উচচিত নয়। কিংবা সবসময় ডেটা চালু রাখা উচিত নয় ।

এই প্রতিবেদনটি ভালো লাগলে পোস্টটি লাইক ও শেয়ার করুন। যে কোনো প্রয়োজনে কমেন্ট করে জানাতে পারেন।

সবাই এখন যা পড়ছে :-

অস্বস্তিকর হেঁচকি? দৌড়ে পালাবে ! জেনে নিন ঘরোয়া কিছু টিপস !

হেঁচকি এমন একটি অস্বস্তিকর সময় যখন আমাদের আর কিছুই ভালো লাগে না। এই হেঁচকি কমাতে আমরা যে কত কিছুই করে থাকি। অতিরিক্ত পানি বা খাবার খেলেই এই হেঁচকি উঠতে শুরু করে। আর তখন বাড়ে অস্বস্তি বেড়ে যায়। ব্যথা করতে থাকে ঘাড় এবং মাধা। যতক্ষণ না কমছে এই হেঁচকি ততক্ষণ রয়ে যায় অস্বস্তি। আর তাই আজ আমরা জেনে নেই এই হেঁচকি থেকে বাঁচার ৯টি ঘরোয়া টোটকা। হেঁচকি কমাতে খেতে পারেন লেবু। দেখবেন খুব সহজেই কমে গেছে হেঁচকি। অনেক সময়ে এসিডিটি থেকে হেঁচকি হয়। তখন প্রচুর পরিমাণে পানি খান। আর এর সাথে নিতে পারেন এসিডিটির ওষুধ। এই হেঁচকির সময়ে যদি আপনাকে কেউ ভয় দেখান আর তাতে আপনি ভয় পেলে দেখবেন হঠাৎই কমে গিয়েছে হেঁচকি। এই হেঁচকি কমাতে পানি দিয়ে গার্গেল করুন। দেখবেন খুব সহজেই কমে গেছে আপনার হেঁচকি। একটু দূরত্ব রেখে পানি পান করতে থাকুন। একসময় দেখবেন কমে গিয়েছে আপনার এই অস্বস্তি। লবণের রয়েছে নিজস্ব এক গন্ধ। আর এই গন্ধ আপনাকে পরিত্রাণ দিতে পারে এই অস্বস্তিকর অবস্থা থেকে। আর তাই শুঁকুন লবণের গন্ধ। এটি আসলে আদি একটি উপায়। আর এই উপায়ে মিলবে স্বস্তি। হাতে আকুপ্রেশারের মাধ্যমেও কমে যায় হেঁচকি। নাক ধরে নিঃশ্বাস বন্ধ করে রাখুন। এই পদ্ধতি দিবে আপনাকে আরাম। যতক্ষণ না কমে হেঁচকি নিতে থাকুন এই পদ্ধতি।

এটি আরেকটি ঘরোয়া পদ্ধতি। বের করে রাখুন আপনার জিভ, দেখবেন কিছুক্ষণের মধ্যেই মিলেছে আরাম। কিছুক্ষণের মধ্যে কমে যাবে আপনার অস্বস্তিকর সময়।

রোগ নিরাময়ে মুলার ভূমিকা, দারুন সব উপকারিতা

মুলার ঝাঁঝ ওয়ালা গন্ধের কারণে অনেকে নাক কুঁচকে ফেলেন। তাই আর খাওয়া হয়ে ওঠে না। অথচ এই সবজিটি হতে পারে আপনার অসংখ্য রোগ থেকে মুক্তির উপায়। সহজলভ্য এবং পর্যাপ্ততা থাকায় আপনিও অনায়াসে খেতে পারেন অসাধারণ উপকারী এই সবজি। প্রতি ১০০ গ্রাম মুলাতে প্রোটিন আছে ০.৭ গ্রাম, কার্বোহাইড্রেট ৩.৪ গ্রাম, ভিটামিন ‘এ’ ০.০ আইইউ, ফ্যাট ০.১ গ্রাম, আঁশ ০.৮ গ্রাম, ক্যালসিয়াম ৫০ মিলিগ্রাম, ফসফরাস ২২ মিলিগ্রাম, লৌহ ০.৪ মিলিগ্রাম, পটাশিয়াম ১৩৮ মিলিগ্রাম, ভিটামিন ‘সি’ ১৫ মিলিগ্রাম। বাজারে পাওয়া সাদা ও লাল দুই ধরনের মুলাতে আছে সমান পুষ্টিগুণ। মজার বিষয় হল, মুলার চেয়ে এর পাতার গুণ অনেক বেশি। কচি মুলার পাতা শাক হিসেবে খাওয়া যায় এবং খুবই মজাদার।

পাতাতে প্রচুর পরিমাণ ভিটামিন এ, সি পাওয়া যায়। খাবার উপযোগী ১০০ গ্রাম মুলাপাতায় আছে আমিষ ১.৭ গ্রাম, শ্বেতসার ২.৫ গ্রাম, চর্বি ১.০০ গ্রাম, খনিজ লবণ ০.৫৭ গ্রাম, ভিটামিন সি ১৪৮ মিলিগ্রাম, ভিটামিন এ বা ক্যারোটিন ৯ হাজার ৭০০ মাইক্রোম ভিটামিন বি-১০.০০৪ মিলিগ্রাম, বি-২০.১০ মিলিগ্রাম, ক্যালসিয়াম ৩০ মিলিগ্রাম, লৌহ ৩.৬ মিলিগ্রাম, খাদ্যশক্তি ৪০ মিলিগ্রাম, পটাসিয়াম ১২০ মিলিগ্রাম।

About the Author

Leave a comment

XHTML: You can use these html tags: <a href="" title=""> <abbr title=""> <acronym title=""> <b> <blockquote cite=""> <cite> <code> <del datetime=""> <em> <i> <q cite=""> <s> <strike> <strong>