কেন বই পড়া নারী বিয়ে করবেন? জেনে নিন কারন!

Share This
Tags

বই পড়া নারীদের সঙ্গ অনেক পুরুষই পছন্দ করেন না। বেশিরভাগ পুরুষেরা একটি বাসনা মনে লালন করেন। তারা মনে করেন নারী শুধু সংসারের কাজ করবে। সংসারের বাইরে তাদের কোনো আলাদা জগৎ থাকতে নেই। কিন্তু এ ধারনা সম্পূর্ণ ভুল। ভুলেও এই ভুল ভাবনাটি ভাববেন না। সুশিক্ষায় শিক্ষিত মেয়েরা আপনার জীবন পরিবর্তনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। যেসব নারী বইপত্র পড়েন তাঁদের সঙ্গে সম্পর্কে জড়ানোর সুফল জানিয়েছে জীবনধারা বিষয়ক ওয়েবসাইট বোল্ডস্কাই।

আসুন জেনে নেই কেন বই পড়া নারী বিয়ে করবেন।

খুব ভালো শ্রোতা

বই পড়া নারীরা বরাবরই ভালো শ্রোতা হয়ে থাকেন। তাই আপনার কথা শোনার মতো ধৈর্য আর মানসিকতা তাঁর অবশ্যই থাকবে। এছাড়া আপনার যেকোনো সমস্যায় তিনি আপনাকে ভালো সমাধান দিতে পারবেন।

ধৈর্যশীল

বই পড়া নারীরা অবশ্যই ধৈর্যশীল হয়ে থাকে। কারণ ধৈর্য না থাকলে বই পড়ার মত কঠিন কাজটি কখনোই সম্ভব নয়। তাই এ ধাচের নারীদের সাথে যে কোনো বিষয় নিয়ে আপনি খুব একটা ঝামেলায় পড়বেন না।এছাড়া এমনো হবে তিনি ধৈর্যধরে অনেক কঠিন কাজটিও করে দেবে, যা আপনি পারবেন না।

বিরক্ত করবে না

যেসব নারী বেশি বই পড়েন, প্রয়োজন ব্যতীত তাঁরা কথা বলেন না। তাই আপনার যখন নীরবতার প্রয়োজন হবে তা সহজেই পাবেন।

জ্ঞান বিতরণ

কথায় আছে বই জ্ঞানের ভাণ্ডার। বই পড়লে মানুষের জ্ঞান বাড়বে এটাই স্বাভাবিক।

তাই আপনার কোনো তথ্যের দরকার হলে কিংবা কোনো সমস্যায় সর্বাত্মক সহযোগিতা পাবেন তাঁর থেকে।

আলোচনা হবে অর্থপূর্ণ

যারা বই পড়েন তারা বরাবরই কম কথা বলেন। তাই অকারণে কথা বলে তিনি সময় নষ্ট করবেন না। তাঁর প্রতিটি আলোচনাই হবে অর্থপূর্ণ।

জ্ঞানের সঙ্গীর সঙ্গ

অন্য নারীদের তুলনায় বই পড়া নারীরা সঙ্গীর পছন্দ, অপছন্দ বুঝতে পারেন। তাই জ্ঞানী সঙ্গীর সঙ্গ ভালোই উপভোগ করতে পারবেন।

গোছানো জীবন

যেসব নারী বেশি বই পড়েন তাঁরা জানেন, কীভাবে জীবনকে গোছাতে হয়। আপনার জীবন যদি অগোছালো হয়, আপনার সঙ্গী তা গুছিয়ে দেবেন নিশ্চয়।

নিজের মতো থাকতে পারে

জ্ঞানী নারী কখনোই অতিরঞ্জিত বায়না ধরে না। আপনার অনুপস্থিতিতে কীভাবে নিজেকে তিনি সামলাবেন, তিনি তা ভালো করেই জানেন।

সবাই এখন যা পড়ছে :-

অস্বস্তিকর হেঁচকি? দৌড়ে পালাবে ! জেনে নিন ঘরোয়া কিছু টিপস !

হেঁচকি এমন একটি অস্বস্তিকর সময় যখন আমাদের আর কিছুই ভালো লাগে না। এই হেঁচকি কমাতে আমরা যে কত কিছুই করে থাকি। অতিরিক্ত পানি বা খাবার খেলেই এই হেঁচকি উঠতে শুরু করে। আর তখন বাড়ে অস্বস্তি বেড়ে যায়। ব্যথা করতে থাকে ঘাড় এবং মাধা। যতক্ষণ না কমছে এই হেঁচকি ততক্ষণ রয়ে যায় অস্বস্তি। আর তাই আজ আমরা জেনে নেই এই হেঁচকি থেকে বাঁচার ৯টি ঘরোয়া টোটকা। হেঁচকি কমাতে খেতে পারেন লেবু। দেখবেন খুব সহজেই কমে গেছে হেঁচকি। অনেক সময়ে এসিডিটি থেকে হেঁচকি হয়। তখন প্রচুর পরিমাণে পানি খান। আর এর সাথে নিতে পারেন এসিডিটির ওষুধ। এই হেঁচকির সময়ে যদি আপনাকে কেউ ভয় দেখান আর তাতে আপনি ভয় পেলে দেখবেন হঠাৎই কমে গিয়েছে হেঁচকি। এই হেঁচকি কমাতে পানি দিয়ে গার্গেল করুন। দেখবেন খুব সহজেই কমে গেছে আপনার হেঁচকি। একটু দূরত্ব রেখে পানি পান করতে থাকুন। একসময় দেখবেন কমে গিয়েছে আপনার এই অস্বস্তি। লবণের রয়েছে নিজস্ব এক গন্ধ। আর এই গন্ধ আপনাকে পরিত্রাণ দিতে পারে এই অস্বস্তিকর অবস্থা থেকে। আর তাই শুঁকুন লবণের গন্ধ। এটি আসলে আদি একটি উপায়। আর এই উপায়ে মিলবে স্বস্তি। হাতে আকুপ্রেশারের মাধ্যমেও কমে যায় হেঁচকি। নাক ধরে নিঃশ্বাস বন্ধ করে রাখুন। এই পদ্ধতি দিবে আপনাকে আরাম। যতক্ষণ না কমে হেঁচকি নিতে থাকুন এই পদ্ধতি।

এটি আরেকটি ঘরোয়া পদ্ধতি। বের করে রাখুন আপনার জিভ, দেখবেন কিছুক্ষণের মধ্যেই মিলেছে আরাম। কিছুক্ষণের মধ্যে কমে যাবে আপনার অস্বস্তিকর সময়।

About the Author

Leave a comment

XHTML: You can use these html tags: <a href="" title=""> <abbr title=""> <acronym title=""> <b> <blockquote cite=""> <cite> <code> <del datetime=""> <em> <i> <q cite=""> <s> <strike> <strong>