ভিনেগার দিয়ে কিভাবে খুশকি দূর করবেন ! জেনে নিন পদ্ধতি !

চুলের খুশকি দূর করতে কত কিছুই না করছেন। কিন্তু কোনোভাবেই তা নির্মূল করা সম্ভব হচ্ছে না! খুশকির যন্ত্রণা আপনি অস্থির। চুল রুক্ষ হয়ে যাচ্ছে, পড়ে যাচ্ছে। তবে এবার চুলের খুশকি সত্যিই দূর হবে। আপেল ভিনেগার তৈরি হেয়ার প্যাক নিয়মিত ব্যবহার করলে দূর হবে খুশকি।

এখন জেনে নিন, কীভাবে ব্যবহার করবেন এই ভিনেগার:

* আধা চা চামচ আপেল সিডার ভিনেগার সঙ্গে ২ টেবিল চামচ লেবুর রসের মিশিয়ে নিন। আঙুলের সাহায্যে চুলের গোড়ায় ঘষে ঘষে লাগান মিশ্রণটি। ১৫ থেকে ২০ মিনিট পর কুসুম গরম পানি দিয়ে চুল ধুয়ে শ্যাম্পু ব্যবহার করুন। সপ্তাহে একদিন ব্যবহার করুন মিশ্রণটি।

* ১ চা চামচ আপেল সিডার ভিনেগার ১ মগ পানিতে মিশিয়ে চুল ধুয়ে নিন। এরপর কুসুম গরম পানি দিয়ে আবার ধুয়ে ফেলুন চুল। সপ্তাহে দুইবার এভাবে ব্যবহার করলে দূর করবে খুশকি।

* আধা চা চামচ আপেল সিডার ভিনেগার সঙ্গে ২ টেবিল চামচ অ্যালোভেরা জেল মিশিয়ে চুলের গোড়ায় আধা ঘণ্টা লাগিয়ে রাখুন। কুসুম গরম পানি ও ভেষজ শ্যাম্পু দিয়ে ধুয়ে ফেলুন চুল। সপ্তাহে একবার ব্যবহার করতে থাকুন। খুশকি দূর হবে।

* ২ টেবিল চামচ অলিভ অয়েলের সঙ্গে আধা চা চামচ আপেল সিডার ভিনেগার মিশিয়ে চুলে ঘষে ঘষে লাগান। আধা ঘণ্টা পর শ্যাম্পু দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। সপ্তাহে দুইবার ব্যবহার করুন এটি।

* আধা চা চামচ বেকিং সোডার সঙ্গে ১ চা চামচ আপেল সিডার ভিনেগার ও ২ চা চামচ নারকেল তেল মেশান। মিশ্রণটি চুলের গোড়ায় ম্যাসাজ করুন। কয়েক মিনিট পর ভেষজ শ্যাম্পু দিয়ে ধুয়ে নিন চুল। ১৫ দিনে একবার এটি ব্যবহার করলে দূর হবে খুশকি।

সবাই এখন যা পড়ছে :-

অস্বস্তিকর হেঁচকি? দৌড়ে পালাবে ! জেনে নিন ঘরোয়া কিছু টিপস !

হেঁচকি এমন একটি অস্বস্তিকর সময় যখন আমাদের আর কিছুই ভালো লাগে না। এই হেঁচকি কমাতে আমরা যে কত কিছুই করে থাকি। অতিরিক্ত পানি বা খাবার খেলেই এই হেঁচকি উঠতে শুরু করে। আর তখন বাড়ে অস্বস্তি বেড়ে যায়। ব্যথা করতে থাকে ঘাড় এবং মাধা। যতক্ষণ না কমছে এই হেঁচকি ততক্ষণ রয়ে যায় অস্বস্তি। আর তাই আজ আমরা জেনে নেই এই হেঁচকি থেকে বাঁচার ৯টি ঘরোয়া টোটকা। হেঁচকি কমাতে খেতে পারেন লেবু। দেখবেন খুব সহজেই কমে গেছে হেঁচকি। অনেক সময়ে এসিডিটি থেকে হেঁচকি হয়। তখন প্রচুর পরিমাণে পানি খান। আর এর সাথে নিতে পারেন এসিডিটির ওষুধ। এই হেঁচকির সময়ে যদি আপনাকে কেউ ভয় দেখান আর তাতে আপনি ভয় পেলে দেখবেন হঠাৎই কমে গিয়েছে হেঁচকি। এই হেঁচকি কমাতে পানি দিয়ে গার্গেল করুন। দেখবেন খুব সহজেই কমে গেছে আপনার হেঁচকি। একটু দূরত্ব রেখে পানি পান করতে থাকুন। একসময় দেখবেন কমে গিয়েছে আপনার এই অস্বস্তি। লবণের রয়েছে নিজস্ব এক গন্ধ। আর এই গন্ধ আপনাকে পরিত্রাণ দিতে পারে এই অস্বস্তিকর অবস্থা থেকে। আর তাই শুঁকুন লবণের গন্ধ। এটি আসলে আদি একটি উপায়। আর এই উপায়ে মিলবে স্বস্তি। হাতে আকুপ্রেশারের মাধ্যমেও কমে যায় হেঁচকি। নাক ধরে নিঃশ্বাস বন্ধ করে রাখুন। এই পদ্ধতি দিবে আপনাকে আরাম। যতক্ষণ না কমে হেঁচকি নিতে থাকুন এই পদ্ধতি।

এটি আরেকটি ঘরোয়া পদ্ধতি। বের করে রাখুন আপনার জিভ, দেখবেন কিছুক্ষণের মধ্যেই মিলেছে আরাম। কিছুক্ষণের মধ্যে কমে যাবে আপনার অস্বস্তিকর সময়।

রোগ নিরাময়ে মুলার ভূমিকা, দারুন সব উপকারিতা

মুলার ঝাঁঝ ওয়ালা গন্ধের কারণে অনেকে নাক কুঁচকে ফেলেন। তাই আর খাওয়া হয়ে ওঠে না। অথচ এই সবজিটি হতে পারে আপনার অসংখ্য রোগ থেকে মুক্তির উপায়। সহজলভ্য এবং পর্যাপ্ততা থাকায় আপনিও অনায়াসে খেতে পারেন অসাধারণ উপকারী এই সবজি। প্রতি ১০০ গ্রাম মুলাতে প্রোটিন আছে ০.৭ গ্রাম, কার্বোহাইড্রেট ৩.৪ গ্রাম, ভিটামিন ‘এ’ ০.০ আইইউ, ফ্যাট ০.১ গ্রাম, আঁশ ০.৮ গ্রাম, ক্যালসিয়াম ৫০ মিলিগ্রাম, ফসফরাস ২২ মিলিগ্রাম, লৌহ ০.৪ মিলিগ্রাম, পটাশিয়াম ১৩৮ মিলিগ্রাম, ভিটামিন ‘সি’ ১৫ মিলিগ্রাম। বাজারে পাওয়া সাদা ও লাল দুই ধরনের মুলাতে আছে সমান পুষ্টিগুণ। মজার বিষয় হল, মুলার চেয়ে এর পাতার গুণ অনেক বেশি। কচি মুলার পাতা শাক হিসেবে খাওয়া যায় এবং খুবই মজাদার।

পাতাতে প্রচুর পরিমাণ ভিটামিন এ, সি পাওয়া যায়। খাবার উপযোগী ১০০ গ্রাম মুলাপাতায় আছে আমিষ ১.৭ গ্রাম, শ্বেতসার ২.৫ গ্রাম, চর্বি ১.০০ গ্রাম, খনিজ লবণ ০.৫৭ গ্রাম, ভিটামিন সি ১৪৮ মিলিগ্রাম, ভিটামিন এ বা ক্যারোটিন ৯ হাজার ৭০০ মাইক্রোম ভিটামিন বি-১০.০০৪ মিলিগ্রাম, বি-২০.১০ মিলিগ্রাম, ক্যালসিয়াম ৩০ মিলিগ্রাম, লৌহ ৩.৬ মিলিগ্রাম, খাদ্যশক্তি ৪০ মিলিগ্রাম, পটাসিয়াম ১২০ মিলিগ্রাম।

About the Author

Leave a comment

XHTML: You can use these html tags: <a href="" title=""> <abbr title=""> <acronym title=""> <b> <blockquote cite=""> <cite> <code> <del datetime=""> <em> <i> <q cite=""> <s> <strike> <strong>