খালিপেটে ফলের রস পানে কী হয়? গবেষণায় নতুন তথ্য!

Share This
Tags

সকালের নাস্তায় খালি পেটে ফলের রস পান করাটা পরিপাকতন্ত্রের ওপর চাপ তৈরি করতে পারে, বলছেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের গবেষকরা। ৬ ফেব্রুয়ারি, মঙ্গলবার সেল মেটাবলিজম জার্নালে প্রকাশিত আমেরিকার প্রিন্সটন ইউনিভার্সিটির এক গবেষণায় এই তথ্য জানা যায়। খবর ডেইলি মেইল।

গবেষকরা দেখতে পেয়েছেন, ফলের রসে উচ্চ মাত্রায় ফ্রুক্টোজ চিনি থাকে, তা দ্রুতই পাকস্থলী থেকে ক্ষুদ্রান্ত্রে চলে যায়। সারা রাত না খেয়ে থাকার পর সকালে বেশী মাত্রায় ফ্রুক্টোজ শোষণ করতে পারে না ক্ষুদ্রান্ত্র। ফলে এরপর তা সরাসরিই বৃহদান্ত্রে চলে যায়। বৃহদান্ত্রে থাকা ‘উপকারী ব্যাকটেরিয়া’ এই ফ্রুক্টোজ গ্রহণ করার উপযোগী নয়।

তবে এর ফলে নিশ্চিত স্বাস্থ্যের ক্ষতি হবে কিনাতা গবেষণায় জানা যায়নি । কিন্তু গবেষকরা ধারণা করছেন, ক্ষতি হবার শঙ্কা আছে। আর তাই তারা উপদেশ দিয়েছেন, ‘খাবার পর অল্প পরিমাণে মিষ্টি খান।’

অতীতে ধারণা করা হতো চিনি পরিপাক হয় যকৃতে। কিন্তু নতুন এই গবেষণায় দেখা যায়, ফলে থাকা চিনি ফ্রুক্টোজের ৯০ শতাংশই ক্ষুদ্রান্ত্রে পরিপাক হয়। আর ক্ষুদ্রান্ত্র এই কাজটা তখনই ভালোভাবে করতে পারে যখন ভরপেট খাবার পর আমরা মিষ্টি খাবার খাই বা ফলের রস পান করি।

গবেষণার লেখক, প্রিন্সটন ইউনিভার্সিটির অধ্যাপক জশুয়া রাবিনোউইটজ বলেন, ‘আমরা দেখি, ইঁদুরকে আগে খাবার দেওয়ার পর ফ্রুক্টোজ পান করালে ক্ষুদ্রান্ত্র ভালোভাবে সেই ফ্রুক্টোজ পরিপাক করতে পারে এবং তা পেটের ব্যাকটেরিয়াকে প্রভাবিত করে না।’

গবেষকরা সমপরিমাণ ফ্রুক্টোজ এবং গ্লুকোজের মিশ্রণ পান করান ইঁদুরকে। এরপর এই দুই ধরণের চিনি কীভাবে তাদের পেটে পরিপাক হয় তা পর্যবেক্ষণ করেন তারা।

সবাই এখন যা পড়ছে :-

অস্বস্তিকর হেঁচকি? দৌড়ে পালাবে ! জেনে নিন ঘরোয়া কিছু টিপস !

হেঁচকি এমন একটি অস্বস্তিকর সময় যখন আমাদের আর কিছুই ভালো লাগে না। এই হেঁচকি কমাতে আমরা যে কত কিছুই করে থাকি। অতিরিক্ত পানি বা খাবার খেলেই এই হেঁচকি উঠতে শুরু করে। আর তখন বাড়ে অস্বস্তি বেড়ে যায়। ব্যথা করতে থাকে ঘাড় এবং মাধা। যতক্ষণ না কমছে এই হেঁচকি ততক্ষণ রয়ে যায় অস্বস্তি। আর তাই আজ আমরা জেনে নেই এই হেঁচকি থেকে বাঁচার ৯টি ঘরোয়া টোটকা। হেঁচকি কমাতে খেতে পারেন লেবু। দেখবেন খুব সহজেই কমে গেছে হেঁচকি। অনেক সময়ে এসিডিটি থেকে হেঁচকি হয়। তখন প্রচুর পরিমাণে পানি খান। আর এর সাথে নিতে পারেন এসিডিটির ওষুধ। এই হেঁচকির সময়ে যদি আপনাকে কেউ ভয় দেখান আর তাতে আপনি ভয় পেলে দেখবেন হঠাৎই কমে গিয়েছে হেঁচকি। এই হেঁচকি কমাতে পানি দিয়ে গার্গেল করুন। দেখবেন খুব সহজেই কমে গেছে আপনার হেঁচকি। একটু দূরত্ব রেখে পানি পান করতে থাকুন। একসময় দেখবেন কমে গিয়েছে আপনার এই অস্বস্তি। লবণের রয়েছে নিজস্ব এক গন্ধ। আর এই গন্ধ আপনাকে পরিত্রাণ দিতে পারে এই অস্বস্তিকর অবস্থা থেকে। আর তাই শুঁকুন লবণের গন্ধ। এটি আসলে আদি একটি উপায়। আর এই উপায়ে মিলবে স্বস্তি। হাতে আকুপ্রেশারের মাধ্যমেও কমে যায় হেঁচকি। নাক ধরে নিঃশ্বাস বন্ধ করে রাখুন। এই পদ্ধতি দিবে আপনাকে আরাম। যতক্ষণ না কমে হেঁচকি নিতে থাকুন এই পদ্ধতি।

এটি আরেকটি ঘরোয়া পদ্ধতি। বের করে রাখুন আপনার জিভ, দেখবেন কিছুক্ষণের মধ্যেই মিলেছে আরাম। কিছুক্ষণের মধ্যে কমে যাবে আপনার অস্বস্তিকর সময়।

রোগ নিরাময়ে মুলার ভূমিকা, দারুন সব উপকারিতা

মুলার ঝাঁঝ ওয়ালা গন্ধের কারণে অনেকে নাক কুঁচকে ফেলেন। তাই আর খাওয়া হয়ে ওঠে না। অথচ এই সবজিটি হতে পারে আপনার অসংখ্য রোগ থেকে মুক্তির উপায়। সহজলভ্য এবং পর্যাপ্ততা থাকায় আপনিও অনায়াসে খেতে পারেন অসাধারণ উপকারী এই সবজি। প্রতি ১০০ গ্রাম মুলাতে প্রোটিন আছে ০.৭ গ্রাম, কার্বোহাইড্রেট ৩.৪ গ্রাম, ভিটামিন ‘এ’ ০.০ আইইউ, ফ্যাট ০.১ গ্রাম, আঁশ ০.৮ গ্রাম, ক্যালসিয়াম ৫০ মিলিগ্রাম, ফসফরাস ২২ মিলিগ্রাম, লৌহ ০.৪ মিলিগ্রাম, পটাশিয়াম ১৩৮ মিলিগ্রাম, ভিটামিন ‘সি’ ১৫ মিলিগ্রাম। বাজারে পাওয়া সাদা ও লাল দুই ধরনের মুলাতে আছে সমান পুষ্টিগুণ। মজার বিষয় হল, মুলার চেয়ে এর পাতার গুণ অনেক বেশি। কচি মুলার পাতা শাক হিসেবে খাওয়া যায় এবং খুবই মজাদার।

পাতাতে প্রচুর পরিমাণ ভিটামিন এ, সি পাওয়া যায়। খাবার উপযোগী ১০০ গ্রাম মুলাপাতায় আছে আমিষ ১.৭ গ্রাম, শ্বেতসার ২.৫ গ্রাম, চর্বি ১.০০ গ্রাম, খনিজ লবণ ০.৫৭ গ্রাম, ভিটামিন সি ১৪৮ মিলিগ্রাম, ভিটামিন এ বা ক্যারোটিন ৯ হাজার ৭০০ মাইক্রোম ভিটামিন বি-১০.০০৪ মিলিগ্রাম, বি-২০.১০ মিলিগ্রাম, ক্যালসিয়াম ৩০ মিলিগ্রাম, লৌহ ৩.৬ মিলিগ্রাম, খাদ্যশক্তি ৪০ মিলিগ্রাম, পটাসিয়াম ১২০ মিলিগ্রাম।

ভাত খাওয়ার আগে দয়া করে এটি একবার পড়ে নিন !!

পৃথিবীর অন্যতম স্বাস্থ্যকর খাবারের যদি লিস্ট বানানো হয়‚ তাহলে ভাত কিন্তু লিস্টের বেশ ওপরের দিকে থাকবে। অনেকেই হয়তো বলবেন ভাত খেলে মোটা হয়ে যাওয়ার ভয় থাকে। কিন্তু বেশির ভাগ ডায়েটিশিয়ানরাই মনে করেন রোজ সঠিক পরিমাণে ভাত শরীরের জন্য অত্যন্ত জরুরি। ব্রাউন রাইস হোক বা হোয়াইট রাইস‚ ভাতের রয়েছে অনেক গুণ। আসুন, জেনে নিই ভাতের চারটি সেরা গুণের কথা।

সেরা নন অ্যালার্জিক খাবার : ভাত হচ্ছে একেবারেই গ্লুটেন ফ্রি খাবার‚ ফলে ভাতকে সব থেকে ভালো নন অ্যালার্জিক খাবার মানা হয়। অনেকেই গ্লুটেন যুক্ত খাবার সহ্য করতে পারেন না। ফলে বেশ কিছু দরকারী নিউট্রিয়েন্টস শরীরে যায় না। কিন্তু ভাত তা পুষিয়ে দেয়। ভাতে ভিটামিন বি‚ ভিটামিন ডি‚ ফাইবার‚ আয়রন এবং বিভিন্ন মিনারেল আছে যা শরীরের জন্য খুব দরকারি।

হার্টের জন্য ভালো : ব্রান অয়েল যা চালের থেকে তৈরি হয় তা আমাদের হার্টের জন্য খুব ভালো। এই তেলে প্রচুর অ্যান্টি অক্সিডেন্ট আছে যা হৃদয় সংক্রান্ত ডিজিজ থেকে রক্ষা করে। এছাড়াও নিয়মিত এই তেলের রান্না খেলে ব্যাড কোলেস্টেরলল কমে যায়।

উচ্চ কার্বোহাইড্রেট যুক্ত খাবার : ভাতে প্রচুর পরিমাণে কার্বোহাইড্রেট আছে যা শরীরে যা এনার্জি দরকার হয় তার যোগান দেয়। ভাতে উচ্চ কার্বোহাইড্রেট থাকলেও এটা কিন্তু লো ফ্যাট‚ লো সল্ট‚ লো সুগার খাবার।

About the Author

Leave a comment

XHTML: You can use these html tags: <a href="" title=""> <abbr title=""> <acronym title=""> <b> <blockquote cite=""> <cite> <code> <del datetime=""> <em> <i> <q cite=""> <s> <strike> <strong>