সহবাসের সময় যে ৭ টি কথায় স্ত্রী অধিক উত্তেজিত হয়ে যায় !!

প্রেমের সম্পর্ক হোক কিংবা দাম্পত্য সম্পর্ক, প্রশংসা শুনতে নারী ও পুরুষ উভয়ই ভালোবাসেন। যেমন ধরুন, নারীরা তাদের নিজের সঙ্গীর কাছ থেকে প্রশংসা শোনার জন্য ব্যাকুল হয়ে থাকেন। আর যখনই প্রশংসা পান তখন যেন খুশির শেষ থাকেনা। কিন্তু অনেক নারীরাই এই ভুলটি করে থাকেন, তা হল সঙ্গীর প্রশংশা খুব সহজে করেন না। শুধু নিজের প্রশংসা শুনলেই তো আর হবে না, মাঝে মাঝে সঙ্গীকেও তার কোন কিছুর জন্য প্রশংসা করুন। দেখুন সে কতো খুশি হয়। আর পুরুষেরা তাদের সম্পর্কে যে প্রশংসাগুলো শুনতে ভালোবাসেন তা হল……

“আই লাভ হাউ স্ট্রং ইউ আর”

এই ছোট্ট একটি কথা বলে আপনার সঙ্গীকে মুহূর্তেই খুশি করে দিতে পারেন। শক্তিশালী কর্মঠ পুরুষ সব নারীদেরই সপ্ন থাকে। তাই যদি আপনার সঙ্গী সত্যি এমনটা হয়ে থাকে এই কথাটি বলে তার প্রশংসা করুন।

“আই এম প্রাউড অফ ইউ”

সঙ্গীকে নিয়ে গর্ববোধ করতে সবাই চায়। পুরুষ সঙ্গীটি যদি হয়ে থাকে খুব কর্মঠ, সে যদি হয়ে থাকে কোন ব্যক্তিত্ববান পুরুষ যার জীবনে সে অনেক ভাল জিনিস অর্জন করেছেন, কিংবা হতে পারে প্রতিষ্ঠিত ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার বা কোন বড় ব্যবসায়ী, তাহলে তাকে নিয়ে অবশ্যই তার সামনে গর্ববোধ করুন।

‘তুমি আমার খুশি হওয়ার অন্য কারণ’

এই কথাটি একবার সঙ্গীকে বলেই দেখুন না সে কতটা খুশি হয়। আপনার সম্পর্ক প্রেমের কিংবা দাম্পত্যের হোক না কেন সঙ্গী নিশ্চয়ই আপনাকে খুশি রাখতে অনেক কিছু করেন, আপনি যে হাসিখুশি থাকেন সবসময় তা খেয়াল করেন তাহলে তার এতো কিছুর জন্য তাকে অবশ্যই প্রশংসা করুন।

‘তুমি অসাধারণ একজন সঙ্গী’

সবার সঙ্গী সবার কাছে কোন না কোন কারণে অসাধারণ। তাই সঙ্গীকে বলেই ফেলুন তার এমন কোন কাজের জন্য যে ‘তুমি এতো বেশি অসাধারণ কেন?’ বেশি করে প্রশংসা করুন। কারণ প্রশংসা এমন একটি বিষয় যা সম্পর্ককে আরও বেশি মজবুত করে।

‘তোমাকে অনেক ধন্যবাদ’

সঙ্গী আপনার জন্য যাই করুক না কেন কিংবা আপনাকে যখন যেভাবে যেই অবস্থায় রাখুক না কেন তাকে কখনো ধন্যবাদ জানাতে ভুলবেন না। অনেকেই ধন্যবাদ বলতে কিছুটা হলেও লজ্জা পান তাই মিষ্টি করে হাসি দিয়ে থাকেন। কিন্তু মিষ্টি করে হাসি তো দিবেনই সাথে ধন্যবাদও বলাটা জরুরি।

‘ইউ আর মাই হিরো’

নারীদের কাছে তাদের প্রেমিক কিংবা স্বামী কিন্তু অ্যাকশন যে কোন মুভির হিরোর মতোই। কিন্তু বাস্তবে সঙ্গীকে হিরো না ভাবাই ভাল কারণ মুভি আর বাস্তবতা কিন্তু একরকম নয়। কিন্তু তারপরেও সঙ্গী নিশ্চয়ই আপনার খুব খেয়াল রাখেন, কোন সমস্যা হলে সে আপনাকে সাহায্য করেন, আরও অনেক কিছুই যার জন্য আপনি সঙ্গীকে হিরো মনে করেন, আর তাকে ‘ইউ আর মাই হিরো’ বলতে ভুলবেন না।এবং সবার শেষে, সঙ্গীকে সম্মান করতে কখনো ভুলে যাবেন না। যেহেতু সঙ্গীই আপনার এতোগুলো প্রশংসা শোনার ক্ষমতা রাখে তাহলে তো তাকে আপনার মন থেকে সম্মান করা উচিৎ। তাকে সম্মান করে ভালোবাসুন এবং প্রশংসাও করেন সম্মান দিয়ে। কারণ সম্পর্কে এই বিষয়গুলোর প্রয়োজনীয়তা অনেক বেশি।

সবাই এখন যা পড়ছে :-

অস্বস্তিকর হেঁচকি? দৌড়ে পালাবে ! জেনে নিন ঘরোয়া কিছু টিপস !

হেঁচকি এমন একটি অস্বস্তিকর সময় যখন আমাদের আর কিছুই ভালো লাগে না। এই হেঁচকি কমাতে আমরা যে কত কিছুই করে থাকি। অতিরিক্ত পানি বা খাবার খেলেই এই হেঁচকি উঠতে শুরু করে। আর তখন বাড়ে অস্বস্তি বেড়ে যায়। ব্যথা করতে থাকে ঘাড় এবং মাধা। যতক্ষণ না কমছে এই হেঁচকি ততক্ষণ রয়ে যায় অস্বস্তি। আর তাই আজ আমরা জেনে নেই এই হেঁচকি থেকে বাঁচার ৯টি ঘরোয়া টোটকা। হেঁচকি কমাতে খেতে পারেন লেবু। দেখবেন খুব সহজেই কমে গেছে হেঁচকি। অনেক সময়ে এসিডিটি থেকে হেঁচকি হয়। তখন প্রচুর পরিমাণে পানি খান। আর এর সাথে নিতে পারেন এসিডিটির ওষুধ। এই হেঁচকির সময়ে যদি আপনাকে কেউ ভয় দেখান আর তাতে আপনি ভয় পেলে দেখবেন হঠাৎই কমে গিয়েছে হেঁচকি। এই হেঁচকি কমাতে পানি দিয়ে গার্গেল করুন। দেখবেন খুব সহজেই কমে গেছে আপনার হেঁচকি। একটু দূরত্ব রেখে পানি পান করতে থাকুন। একসময় দেখবেন কমে গিয়েছে আপনার এই অস্বস্তি। লবণের রয়েছে নিজস্ব এক গন্ধ। আর এই গন্ধ আপনাকে পরিত্রাণ দিতে পারে এই অস্বস্তিকর অবস্থা থেকে। আর তাই শুঁকুন লবণের গন্ধ। এটি আসলে আদি একটি উপায়। আর এই উপায়ে মিলবে স্বস্তি। হাতে আকুপ্রেশারের মাধ্যমেও কমে যায় হেঁচকি। নাক ধরে নিঃশ্বাস বন্ধ করে রাখুন। এই পদ্ধতি দিবে আপনাকে আরাম। যতক্ষণ না কমে হেঁচকি নিতে থাকুন এই পদ্ধতি।

এটি আরেকটি ঘরোয়া পদ্ধতি। বের করে রাখুন আপনার জিভ, দেখবেন কিছুক্ষণের মধ্যেই মিলেছে আরাম। কিছুক্ষণের মধ্যে কমে যাবে আপনার অস্বস্তিকর সময়।

About the Author

Leave a comment

XHTML: You can use these html tags: <a href="" title=""> <abbr title=""> <acronym title=""> <b> <blockquote cite=""> <cite> <code> <del datetime=""> <em> <i> <q cite=""> <s> <strike> <strong>