আইসক্রিম শিশুদের কি ভয়ঙ্কর ক্ষতি করে জানেন? পড়ুন তাহলে !

বরফশীতল পানীয় বা আইসক্রিম অনেকেরই খুব পছন্দ৷ কিন্তু প্রিয় পানীয় বা খাবারের ব্যাপারে কিছুটা সতর্ক না হলে শুধু মাথা ব্যথা নয়, মস্তিষ্কে রক্তপাত পর্যন্ত হতে পারে৷ এমনটাই জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা৷

ব্রেইন ফ্রিজ: প্রচণ্ড গরমে ঠান্ডা পানীয় কিংবা আইসক্রিম খাওয়ার সময় এক ধরণের তৃপ্তি পাওয়া স্বাভাবিক৷ তবে অনেকের কিন্তু অতিরিক্ত ঠান্ডা খাওয়ার ফলে হঠাৎ করে মাথায় হালকা ছুরির আঘাতের মতো খোঁচা অনুভূত হয়ে মাথা ব্যথা শুরু হয়৷ ডাক্তারি ভাষায় যাকে বলা হয় ‘ব্রেনফ্রিজ’৷

কেন হয়?

বরফ ঠান্ডা পানীয় বা খাবার যদি খুব তাড়াতাড়ি খাওয়া হয় এবং সে খাবার যদি মুখের তালুতে বেশিক্ষণ লেগে থাকে, তাহলে ‘ব্রেনফ্রিজ’ বা এই অন্য ধরনের মাথা ব্যথা হতে পারে৷ তথ্যটি জানা গেছে আন্তর্জাতিক গবেষক দলের করা এক সমীক্ষা থেকে৷ গবেষণাটি ২০১২সালে অ্যামেরিকায় করা হয়েছে৷

সাবধানতা : বরফঠান্ডা পানি বা আইসক্রিম মুখের তালুতে লাগার সাথে সাথেই অনেকের ক্ষেত্রে মস্তিষ্ক তা জানিয়ে দেয়৷ তাই সে মুহূর্তেই ঠান্ডা খাওয়া বন্ধ করা উচিত বলে বিশেষজ্ঞরা জানান৷

মস্তিষ্কে রক্তপাত: মানুষের শরীরের অতি গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ মস্তিষ্ক৷ আর এই মস্তিষ্ক অতিরিক্ত ঠান্ডা হলে, হৃৎপিণ্ড মস্তিষ্কে অনেক বেশি গরম রক্ত পাম্প করে৷ ফলে মস্তিষ্কে অতিরিক্ত রক্ত জমে যায়৷ বাড়তি রক্ত অন্য কোথাও প্রবাহিত হতে না পারার কারণে অনেক সময় মস্তিষ্কের ভেতরে ‘রক্তপাত’ হতে পারে৷

গবেষণায় যা দেখা গেছে অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে যাঁরা স্বাভবিক তাপমাত্রার পানীয় পান করেছেন, তাঁদের চেয়ে, যাঁরা বরফ শীতল পানি পান করেছেন, তাঁদের মস্তিষ্কে পরিবর্তন লক্ষ্য করা গেছে৷ এ কথা জানান, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের হাভার্ড মেডিকেল স্কুলের নিউরোলজিস্ট ও গবেষক ডা. জর্জ সেরাডর৷

সাবধান: ‘ব্রেইন ফ্রিজ’ থেকে দূরে থাকতে চাইলে অতিরিক্ত ঠান্ডা পানীয় বা আইসক্রিম খেতে কখনো তাড়াহুড়ো করা উচিত নয়৷ বরং পানীয় বা খাবার ধীরে ধীরে উপভোগ করারই পরামর্শ বিশেষজ্ঞদের৷

সবাই এখন যা পড়ছে :-

খুব বেশি পর্ন দেখেন? জানেন কী ক্ষতি করছেন নিজের!

ব্যস্ত জীবনের মধ্যে পর্ন দেখার জন্য অনেকেই সময় বের করে নেন। অনেকেই দিনান্তে পর্ন দেখেন সাময়িক আনন্দলাভের আশায়। কিন্তু জানেন কি, বেশি মাত্রায় পর্ন দর্শন কতটা সর্বনাশ করছে আপনার? সমীক্ষা করে দেখা গিয়েছে, যাঁরা নিয়মিত পর্ন দেখেন, তাঁরা বিভিন্ন ধরনের সমস্যায় ভুগছেন। পৃথিবীর একাধিক দেশের পুরুষ, নারীর উপর এই সমীক্ষা চালিয়ে দেখা গিয়েছে ভয়ঙ্কর সব সমস্যার জন্ম দিচ্ছে এই অভ্যাস। মানসিক বিকৃতির জন্ম দেয়। অতিরিক্ত পর্ন মস্তিস্কের উপর চাপ ফেলে। স্বাভাবিক বিচক্ষণতা লুপ্ত হতে থাকে। বাস্তব থেকে দূরে সরিয়ে দেয় মানুষকে। বাস্তব এবং অবাস্তবের মধ্যে এক অদ্ভুত গুলিয়ে দেওয়া পরিস্থিতি তৈরি করে।

ক্রমশ নিজের ব্যক্তিগত আবেগ, ইমোশনের উপর থেকে নিয়ন্ত্রণ হারাতে শুরু করে। হঠাৎ রেগে যাওয়াও এক অন্যতম লক্ষণ। সর্বোপরি একটা সুস্থ জীবন থেকে আপনাকে ক্রমশ দূরে সরিয়ে নিয়ে যাবে আপনার পর্ন-দর্শন। শুধু জীবনসঙ্গী নয়, সন্তানদের থেকেও দূরে সরিয়ে নিয়ে যাবে আপনাকে। কারণ অতিরিক্ত পর্ন দেখলে পৃথিবীর স্বাভাবিক, নিষ্পাপ আনন্দ আপনি উপভোগ করতেই ভুলে যাবেন ধীরে ধীরে। ব্যক্তিগত জীবন অসুখী করে তোলে। সঙ্গীকে সুখী করা বা সঙ্গীর থেকে আনন্দ পাওয়ার ক্ষেত্রে অন্তরায় হয়ে দাঁড়ায় আপনার এই অভ্যাস।

অস্বস্তিকর হেঁচকি? দৌড়ে পালাবে ! জেনে নিন ঘরোয়া কিছু টিপস !

হেঁচকি এমন একটি অস্বস্তিকর সময় যখন আমাদের আর কিছুই ভালো লাগে না। এই হেঁচকি কমাতে আমরা যে কত কিছুই করে থাকি। অতিরিক্ত পানি বা খাবার খেলেই এই হেঁচকি উঠতে শুরু করে। আর তখন বাড়ে অস্বস্তি বেড়ে যায়। ব্যথা করতে থাকে ঘাড় এবং মাধা। যতক্ষণ না কমছে এই হেঁচকি ততক্ষণ রয়ে যায় অস্বস্তি। আর তাই আজ আমরা জেনে নেই এই হেঁচকি থেকে বাঁচার ৯টি ঘরোয়া টোটকা। হেঁচকি কমাতে খেতে পারেন লেবু। দেখবেন খুব সহজেই কমে গেছে হেঁচকি। অনেক সময়ে এসিডিটি থেকে হেঁচকি হয়। তখন প্রচুর পরিমাণে পানি খান। আর এর সাথে নিতে পারেন এসিডিটির ওষুধ। এই হেঁচকির সময়ে যদি আপনাকে কেউ ভয় দেখান আর তাতে আপনি ভয় পেলে দেখবেন হঠাৎই কমে গিয়েছে হেঁচকি। এই হেঁচকি কমাতে পানি দিয়ে গার্গেল করুন। দেখবেন খুব সহজেই কমে গেছে আপনার হেঁচকি। একটু দূরত্ব রেখে পানি পান করতে থাকুন। একসময় দেখবেন কমে গিয়েছে আপনার এই অস্বস্তি। লবণের রয়েছে নিজস্ব এক গন্ধ। আর এই গন্ধ আপনাকে পরিত্রাণ দিতে পারে এই অস্বস্তিকর অবস্থা থেকে। আর তাই শুঁকুন লবণের গন্ধ। এটি আসলে আদি একটি উপায়। আর এই উপায়ে মিলবে স্বস্তি। হাতে আকুপ্রেশারের মাধ্যমেও কমে যায় হেঁচকি। নাক ধরে নিঃশ্বাস বন্ধ করে রাখুন। এই পদ্ধতি দিবে আপনাকে আরাম। যতক্ষণ না কমে হেঁচকি নিতে থাকুন এই পদ্ধতি।

এটি আরেকটি ঘরোয়া পদ্ধতি। বের করে রাখুন আপনার জিভ, দেখবেন কিছুক্ষণের মধ্যেই মিলেছে আরাম। কিছুক্ষণের মধ্যে কমে যাবে আপনার অস্বস্তিকর সময়।

About the Author

Leave a comment

XHTML: You can use these html tags: <a href="" title=""> <abbr title=""> <acronym title=""> <b> <blockquote cite=""> <cite> <code> <del datetime=""> <em> <i> <q cite=""> <s> <strike> <strong>