পেঁয়াজের সাহায্যে কাশি সারান মাত্র একদিনেই ! জেনে নিন পদ্ধতি !

পেঁয়াজ ব্যবহার করে মাত্র একদিনেই কাশি সারিয়ে তোলা সম্ভব। সর্দিতেও পেঁয়াজ ব্যবহার করে ভালো ফল পাওয়া যায়। সবচেয়ে ভালো ফল পাওয়া যায় কাঁচা ব্যবহারে।
গবেষকরা জানান, পেঁয়াজের মধ্যে সালফার ও ফ্লাভোনয়েড নামক উপাদান থাকে। এসব উপাদান হৃদরোগে ভালো ফল দেয়। এ ছাড়া বাতরোগ উপশম এবং ডায়াবেটিস ও কোলেস্টেরলের মাত্রা ঠিক রাখতেও এসব উপাদান ভূমিকা রাখে। এ ছাড়া রোগ প্রতিরোধেও পেঁয়াজ কার্যকর।
সর্দিকাশি নিরাময়ে পেঁয়াজের দুটি খাদ্যপ্রণালি দিয়েছে হেলদি ফুড হাউস ডটকম।

উপাদান : এক কেজি পেঁয়াজ, তিন লিটার পানি

তৈরির পদ্ধতি  : পেঁয়াজের ওপরের খোলস ও দুই পাশ পরিষ্কার করুন। প্রতিটি পেঁয়াজ চার টুকরো করুন। কাটা পেঁয়াজ একটি পাত্রের মধ্যে নিয়ে তিন লিটার পানি দিন। পাত্রটি চুলায় নিয়ে উত্তপ্ত করুন। পানি অর্ধেক না হওয়া পর্যন্ত জ্বাল দিতে থাকুন। আগুন থেকে নামিয়ে মিশ্রণটি ঠান্ডা হতে দিন। কয়েকবার নেড়ে দিন। স্বাদের জন্য এর মধ্যে মধু বা লেবুর রস দেওয়া যেতে পারে।

ব্যবহারবিধি  : দিনে দুবার দেড় গ্লাস করে পান করুন।

দ্বিতীয় পদ্ধতি:

উপাদান 

দুটি মাঝারি আকৃতির অর্গানিক আপেল
দুটি মাঝারি আকৃতির পেঁয়াজ
১৪টি আখরোট (বাদাম)

প্রস্তুত প্রণালি : পেঁয়াজ ধুয়ে পরিষ্কার করুন। প্রতিটি পেঁয়াজ চার টুকরোয় ভাগ করুন। আপেলও ধুয়ে চার টুকরোয় ভাগ করুন। আখরোট ভেঙে নিন। একটি পাত্রে সব উপাদান নিয়ে পানি দিন। পাত্রটিকে চুলোর আগুনের ওপর দিন। পানি অর্ধেক না হওয়া পর্যন্ত চুলায় রাখুন। পরে নামিয়ে ঠান্ডা করুন। স্বাদের জন্য মধু বা লেবুর রস দিতে পারেন।

ব্যবহারবিধি: দিনে তিনবার এক কাপ করে সেবন করুন। পোস্টটি শেয়ার করুন

সাবধান ! নাক ডাকার কারণে হতে পারে মৃত্যুও ! জেনে নিন সমাধান !

ঘুমের ঘরে নাক ডাকার সমস্যাকে আমরা যতই হলকা চালে নিই না কেন। এটা কিন্তু মোটেও স্বাভাবিক ঘটনা নয়। কারণ নাক ডাকার অর্থ হল ঘুমনোর সময় নাসারন্ধ্র দিয়ে বায়ু চলাচল ঠিক মতো হচ্ছে না। আর এমনটা হওয়া মানে শরীরের উপর মারাত্মক প্রভাব পরা। তাই নাক ডাকার সমস্যা কমাতে সময় থাকতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া একান্ত প্রয়োজন। না হলে কিন্তু বেজায় বিপদ! গত কাল একটি গবেষণা পত্র প্রকাশিত হয়েছে, তাতে দেখা যাচ্ছে ছোট থেকে বড়, বয়স ভেদে যারাই নাক ডাকে, তাদের মস্তিষ্কের ক্ষমতা কমতে শুরু করে। ফলে আই কিউ তো কমেই, সেই সঙ্গে স্মৃতিশক্তিও ঝাপসা হতে শুরু করে। শুধু তাই নয়, অন্য বেশ কিছু গবেষণা অনুসারে দীর্ঘ সময় ধরে নাকা ডাকার প্রবণতা থাকলে স্ট্রোক, হার্ট ডিজিজ, অ্যারিথমিয়া, জি ই আর ডি, ক্রনিক মাথা যন্ত্রণা এবং ওজন বৃদ্ধির মতো সমস্যাও মাথা চাড়া দিয়ে ওঠে। ফলে স্বাভাবিকভাবেই আয়ু কমতে শুরু করে। তবে অকারণ চিন্তার কিছু নেই। এই প্রবন্ধে আলোচিত ঘরোয়া পদ্ধতিগুলি যদি মেনে চলতে পারেন, তাহলেই কেল্লাফতে! যে যে ঘরোয়া পদ্ধতিগুলি এক্ষেত্রে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে, সেগুলি হল…

পিপারমেন্ট তেল: এই প্রকৃতিক উপাদানটির শরীরে রয়েছে ইনফ্লেমেটরি উপাদান, যা মেমব্রেনের কর্মক্ষমতা বাড়িয়ে তোলে। ফলে স্বাভাবিকভাবেই ঘুমনোর সময় শ্বাস-প্রশ্বাস ঠিক মতো হওয়ার কারণে নাক ডাকার প্রবণতা কমতে শুরু করে। এক্ষেত্রে শুতে যাওয়ার আগে এক গ্লাস জলে ২ ফোঁটা পিপারমেন্ট তেল ফেলে সেই জল দিয়ে গার্গেল করতে হবে। তাহলেই দেখবেন উপকার মিলবে।

অলিভ অয়েল: রাত্রে শুতে য়াওয়ার আগে মনে করে দু চামচ অলিভ অয়েল খেলে শরীরে অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি উপাদানের মাত্রা বাড়তে শুরু করে। ফলে রেসপিরেটরি প্যাসেজ খুলতে শুরু করে। আর একবার এমনটা হয়ে গেলে বাতাস চলাচলে কোনও বাঁধার সৃষ্টি হয় না, ফলে নাক ডাকার আশঙ্কা একেবারে কমে যায়।

About the Author

Leave a comment

XHTML: You can use these html tags: <a href="" title=""> <abbr title=""> <acronym title=""> <b> <blockquote cite=""> <cite> <code> <del datetime=""> <em> <i> <q cite=""> <s> <strike> <strong>