কম বাজেটে প্রেমিকাকে খুশি করতে এক্সক্লুসিভ কিছু উপহার!!

প্রেমিকাকে ভ্যালেন্টাইন্স ডে-তে উপহার দিতে চান, কিন্তু টাকার টানাটানি চলছে? আপনার জন্য রইল কয়েকটি কম বাজেটের মিষ্টি উপহারের টিপস। হার্ট শেপ ছবির ফ্রেম। কম টাকার বাজেটের জন্য উপযুক্ত এই উপহার। একটা মিষ্টি মুহূর্তের ছবি লাগালেই খুশি হয়ে যেতে পারেন সঙ্গী।

হার্ট শেপ সফট টয়। ১০০ টাকায়ও পাওয়া যায় এটি। মেয়েদেরও বেশ পছন্দের। কফি কাপ। ৫০ টাকার এই সৌখিন উপহারটি জিতে নিতে পারে আপনার প্রেমিকার মন। ফুল সব মেয়েরই ভারি পছন্দের জিনিস।

তাই উপহারে ফুলদানি দিলেও খুশি হতে পারেন প্রেমিকা। সব মেয়েই গয়না পরতে পছন্দ করেন। কম বাজেটের মধ্যে কস্টিউম জুয়েলারিও মন জয় করে নিতে পারে আপনার প্রেমিকার।

অনেক মেয়েই গতানুগতিক উপহার পছন্দ করেন না। আপনার বান্ধবীও যদি তেমন প্রকৃতির হন, তা হলে গোলাপের পাপড়ি সাজিয়ে ‘আই লাভ ইউ’ বলুন। প্রেম নিবেদনের এই প্রচেষ্টায় খুব খুশি হবেন প্রেমিকা। প্রায় প্রতিটি মেয়েই চকোলেট পছন্দ করেন। কম খরচায় প্রেমিকার মন জয়ের সবচেয়ে সহজ উপহার এটি। প্রেমপত্র। উপহার দিয়ে প্রেম ব্যক্ত করার জায়গায় লিখে জানান মনের কথা। সবথেকে বেশি খুশি হবেন আপনার প্রেমিকা।

প্রেমের কবিতার সংকলন। ১০০ টাকার ভিতরে এনেক কবির প্রেমের কবিতার সংকলনই লভ্য। কবিতার থেকে চিরন্তন আর কী-ই বা রয়েছে! বাড়িতেই সংকলন করুন ভালবাসার গানের একটি গুচ্ছ। সিডিতে রাইট করে ভাল করে প্যাক করে প্রেমিকাকে উপহার দিন। একেবারেই এক্সক্লুসিভ।

সবাই এখন যা পড়ছে :-

অস্বস্তিকর হেঁচকি? দৌড়ে পালাবে ! জেনে নিন ঘরোয়া কিছু টিপস !

হেঁচকি এমন একটি অস্বস্তিকর সময় যখন আমাদের আর কিছুই ভালো লাগে না। এই হেঁচকি কমাতে আমরা যে কত কিছুই করে থাকি। অতিরিক্ত পানি বা খাবার খেলেই এই হেঁচকি উঠতে শুরু করে। আর তখন বাড়ে অস্বস্তি বেড়ে যায়। ব্যথা করতে থাকে ঘাড় এবং মাধা। যতক্ষণ না কমছে এই হেঁচকি ততক্ষণ রয়ে যায় অস্বস্তি। আর তাই আজ আমরা জেনে নেই এই হেঁচকি থেকে বাঁচার ৯টি ঘরোয়া টোটকা। হেঁচকি কমাতে খেতে পারেন লেবু। দেখবেন খুব সহজেই কমে গেছে হেঁচকি। অনেক সময়ে এসিডিটি থেকে হেঁচকি হয়। তখন প্রচুর পরিমাণে পানি খান। আর এর সাথে নিতে পারেন এসিডিটির ওষুধ। এই হেঁচকির সময়ে যদি আপনাকে কেউ ভয় দেখান আর তাতে আপনি ভয় পেলে দেখবেন হঠাৎই কমে গিয়েছে হেঁচকি। এই হেঁচকি কমাতে পানি দিয়ে গার্গেল করুন। দেখবেন খুব সহজেই কমে গেছে আপনার হেঁচকি। একটু দূরত্ব রেখে পানি পান করতে থাকুন। একসময় দেখবেন কমে গিয়েছে আপনার এই অস্বস্তি। লবণের রয়েছে নিজস্ব এক গন্ধ। আর এই গন্ধ আপনাকে পরিত্রাণ দিতে পারে এই অস্বস্তিকর অবস্থা থেকে। আর তাই শুঁকুন লবণের গন্ধ। এটি আসলে আদি একটি উপায়। আর এই উপায়ে মিলবে স্বস্তি। হাতে আকুপ্রেশারের মাধ্যমেও কমে যায় হেঁচকি। নাক ধরে নিঃশ্বাস বন্ধ করে রাখুন। এই পদ্ধতি দিবে আপনাকে আরাম। যতক্ষণ না কমে হেঁচকি নিতে থাকুন এই পদ্ধতি।

এটি আরেকটি ঘরোয়া পদ্ধতি। বের করে রাখুন আপনার জিভ, দেখবেন কিছুক্ষণের মধ্যেই মিলেছে আরাম। কিছুক্ষণের মধ্যে কমে যাবে আপনার অস্বস্তিকর সময়।

রোগ নিরাময়ে মুলার ভূমিকা, দারুন সব উপকারিতা

মুলার ঝাঁঝ ওয়ালা গন্ধের কারণে অনেকে নাক কুঁচকে ফেলেন। তাই আর খাওয়া হয়ে ওঠে না। অথচ এই সবজিটি হতে পারে আপনার অসংখ্য রোগ থেকে মুক্তির উপায়। সহজলভ্য এবং পর্যাপ্ততা থাকায় আপনিও অনায়াসে খেতে পারেন অসাধারণ উপকারী এই সবজি। প্রতি ১০০ গ্রাম মুলাতে প্রোটিন আছে ০.৭ গ্রাম, কার্বোহাইড্রেট ৩.৪ গ্রাম, ভিটামিন ‘এ’ ০.০ আইইউ, ফ্যাট ০.১ গ্রাম, আঁশ ০.৮ গ্রাম, ক্যালসিয়াম ৫০ মিলিগ্রাম, ফসফরাস ২২ মিলিগ্রাম, লৌহ ০.৪ মিলিগ্রাম, পটাশিয়াম ১৩৮ মিলিগ্রাম, ভিটামিন ‘সি’ ১৫ মিলিগ্রাম। বাজারে পাওয়া সাদা ও লাল দুই ধরনের মুলাতে আছে সমান পুষ্টিগুণ। মজার বিষয় হল, মুলার চেয়ে এর পাতার গুণ অনেক বেশি। কচি মুলার পাতা শাক হিসেবে খাওয়া যায় এবং খুবই মজাদার।

পাতাতে প্রচুর পরিমাণ ভিটামিন এ, সি পাওয়া যায়। খাবার উপযোগী ১০০ গ্রাম মুলাপাতায় আছে আমিষ ১.৭ গ্রাম, শ্বেতসার ২.৫ গ্রাম, চর্বি ১.০০ গ্রাম, খনিজ লবণ ০.৫৭ গ্রাম, ভিটামিন সি ১৪৮ মিলিগ্রাম, ভিটামিন এ বা ক্যারোটিন ৯ হাজার ৭০০ মাইক্রোম ভিটামিন বি-১০.০০৪ মিলিগ্রাম, বি-২০.১০ মিলিগ্রাম, ক্যালসিয়াম ৩০ মিলিগ্রাম, লৌহ ৩.৬ মিলিগ্রাম, খাদ্যশক্তি ৪০ মিলিগ্রাম, পটাসিয়াম ১২০ মিলিগ্রাম।

About the Author

Leave a comment

XHTML: You can use these html tags: <a href="" title=""> <abbr title=""> <acronym title=""> <b> <blockquote cite=""> <cite> <code> <del datetime=""> <em> <i> <q cite=""> <s> <strike> <strong>