আপনি ফুসফুস ক্যান্সারে আক্রান্ত নন তো? জেনে নিন এর লক্ষণ গুলো!

অতীতে ফুসফুস ক্যান্সারের লক্ষণ নির্ণয়ে সময় লাগলেও, বর্তমান চিকিৎসা বিজ্ঞানের আশীর্বাদে একদম প্রাথমিক পর্যায়েই ফুসফুস ক্যান্সারের লক্ষণ নির্ণয় এবং দ্রুত ব্যবস্থা নিয়ে এর সঙ্গে লড়াই করা সম্ভব। সম্প্রতি এক প্রতিবেদনে এ ধরনের আটটি লক্ষণ প্রসঙ্গে জানিয়েছেন গবেষকরা। চলুন জেনে নেই লক্ষণগুলো সম্পর্কে-

ক্রমাগত কাশি

ক্রমাগত কাশি ফুসফুস ক্যান্সারের অন্যতম প্রধান একটি লক্ষণ। যদি আপনার বা পরিবারের অন্য কারো ক্রমাগত কাশি চলতে থাকে, তাহলে বিষয়টিকে হালকাভাবে নিবেন না। এক্ষেত্রে দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপণ্ন হওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন গবেষকরা।

বুকে ব্যথা

গবেষকদের তথ্য অনুযায়ী, দীর্ঘনিঃশ্বাস নেওয়ার সময়, কফ ফেলার সময় এবং হাসার সময়ও যদি বেশি সময় যাবত বুকে ব্যথা অনুভূত হয়, তাহলে তা ফুসফুস ক্যান্সারের লক্ষণ হতে পারে। এ বিষয়টিকেও গুরুত্বের সঙ্গে নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন তারা।

নিঃশ্বাসে স্বল্পতা

অল্পতেই শ্বাস ফুরিয়ে যাওয়া ও নিঃশ্বাস নিতে সমস্যা হওয়াটা ফুসফুস ক্যান্সারের লক্ষণ। শুধু তাই নয়, নিঃশ্বাস নেওয়ার সময় যদি শিস বাজানোর মতো শব্দ হয়, তাহলে আশঙ্কা রয়েছে যে ফুসফুস ক্যান্সার বাসা বাঁধছে আপনার শরীরে। এরকম হতে থাকলে বিষয়টি মোটেও হালকাভাবে না নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন গবেষকরা।

অকারণে রুচি হারিয়ে ফেলা এবং ওজন কমে যাওয়া

কোনও সুনির্দিষ্ট কারণ ছাড়াই রুচি এবং ওজন কমে যাওয়াটাও ফুসফুস ক্যান্সারের আগামবার্তা বলেই জানিয়েছেন গবেষকরা। আর তাই, আপনার এরকম হতে থাকলে, বিষয়টিকে অবশ্যই গুরুত্বের সঙ্গে নিয়ে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

দুর্বলতা

কোনওভাবেই শারীরিক দুর্বলতা কাটিয়ে উঠতে পারছেন না? এমনটাও হতে পারে আপনার এই দুর্বলতা ফুসফুস ক্যান্সারের লক্ষণ। এক্ষেত্রে গবেষকদের পরামর্শ হচ্ছে, দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিন এবং দুর্বলতার সঠিক কারণটি খুঁজে বের করুন।

হাড়ে ব্যথা

মেরুদণ্ড বা শিরদাঁড়ার ব্যথা বা শরীরের অন্য কোনও স্থানে হাড়ে ব্যথা হলে বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে নিন। কারণ ফুসফুস ক্যান্সারের অন্যতম একটি লক্ষণ এটি। এক্ষেত্রে মনে রাখা প্রয়োজন, পেশীর ব্যথা এবং হাড়ের ব্যথা আলাদাভাবে বুঝাটা বেশ কষ্টকর। তাই হয়তো গবেষকরা জানিয়েছেন, ফুসফুস ক্যান্সারে হাড়ে যে ব্যথা হয় তা বিশ্রামের সময় ও বিশেষ করে রাতে বাড়তে থাকে।

আঙুল ফুলে যাওয়া বা সংকুচিত হওয়া

অকারণে আঙুল ফুলে যাওয়া বা সংকুচিত হওয়া এবং আঙুলে ব্যথা অনুভূত হওয়া ফুসফুস ক্যান্সারের একটি লক্ষণ বলেই জানিয়েছেন গবেষকরা। যদিও এটি অনেক ধরনের রোগের লক্ষণ হিসেবেই পরিচিত।

মাথাব্যথা

মাথাব্যথাও ফুসফুস ক্যান্সারের লক্ষণ। আপনি যদি প্রতিদিন মাথাব্যথায় কষ্ট করেন, তাহলে আশঙ্কা রয়েছে ফুসফুস ক্যান্সার শরীরে বাসা বাধছে। এক্ষেত্রে ব্যথার ওষুধের বদলে সরাসরি চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়াটাই উত্তম বলে জানিয়েছেন গবেষকরা।

সূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া।

সবাই এখন যা পড়ছে :-

অস্বস্তিকর হেঁচকি? দৌড়ে পালাবে ! জেনে নিন ঘরোয়া কিছু টিপস !

হেঁচকি এমন একটি অস্বস্তিকর সময় যখন আমাদের আর কিছুই ভালো লাগে না। এই হেঁচকি কমাতে আমরা যে কত কিছুই করে থাকি। অতিরিক্ত পানি বা খাবার খেলেই এই হেঁচকি উঠতে শুরু করে। আর তখন বাড়ে অস্বস্তি বেড়ে যায়। ব্যথা করতে থাকে ঘাড় এবং মাধা। যতক্ষণ না কমছে এই হেঁচকি ততক্ষণ রয়ে যায় অস্বস্তি। আর তাই আজ আমরা জেনে নেই এই হেঁচকি থেকে বাঁচার ৯টি ঘরোয়া টোটকা। হেঁচকি কমাতে খেতে পারেন লেবু। দেখবেন খুব সহজেই কমে গেছে হেঁচকি। অনেক সময়ে এসিডিটি থেকে হেঁচকি হয়। তখন প্রচুর পরিমাণে পানি খান। আর এর সাথে নিতে পারেন এসিডিটির ওষুধ। এই হেঁচকির সময়ে যদি আপনাকে কেউ ভয় দেখান আর তাতে আপনি ভয় পেলে দেখবেন হঠাৎই কমে গিয়েছে হেঁচকি। এই হেঁচকি কমাতে পানি দিয়ে গার্গেল করুন। দেখবেন খুব সহজেই কমে গেছে আপনার হেঁচকি। একটু দূরত্ব রেখে পানি পান করতে থাকুন। একসময় দেখবেন কমে গিয়েছে আপনার এই অস্বস্তি। লবণের রয়েছে নিজস্ব এক গন্ধ। আর এই গন্ধ আপনাকে পরিত্রাণ দিতে পারে এই অস্বস্তিকর অবস্থা থেকে। আর তাই শুঁকুন লবণের গন্ধ। এটি আসলে আদি একটি উপায়। আর এই উপায়ে মিলবে স্বস্তি। হাতে আকুপ্রেশারের মাধ্যমেও কমে যায় হেঁচকি। নাক ধরে নিঃশ্বাস বন্ধ করে রাখুন। এই পদ্ধতি দিবে আপনাকে আরাম। যতক্ষণ না কমে হেঁচকি নিতে থাকুন এই পদ্ধতি।

এটি আরেকটি ঘরোয়া পদ্ধতি। বের করে রাখুন আপনার জিভ, দেখবেন কিছুক্ষণের মধ্যেই মিলেছে আরাম। কিছুক্ষণের মধ্যে কমে যাবে আপনার অস্বস্তিকর সময়।

About the Author

Leave a comment

XHTML: You can use these html tags: <a href="" title=""> <abbr title=""> <acronym title=""> <b> <blockquote cite=""> <cite> <code> <del datetime=""> <em> <i> <q cite=""> <s> <strike> <strong>