স্বামী-স্ত্রী সম্পর্কের যে কথাগুলো বন্ধুদের সঙ্গে ভুলেও শেয়ার করবেন না !

জীবনে চলার পথে প্রিয় বন্ধুর সঙ্গে কত কিছুই তো শেয়ার করি আমরা। বিয়ের পর নিজের দাম্পত্য জীবনের খুঁটিনাটি বলতেও ছাড়ি না। কিন্তু কখনো কি ভেবেছেন, এসব বলা ঠিক হচ্ছে কিনা? এমন কিছু কথা আছে, যেগুলো বন্ধুদের সঙ্গে শেয়ার করলে দাম্পত্যকলহ দেখা দিতে পারে। জেনে নেয়া যাক সেগুলো-

বিরক্তিকর অভ্যাস: প্রতিটি মানুষেরই কিছু বিরক্তিকর অভ্যাস থাকে। আপনার আছে, আমার আছে, আপনার জীবন সঙ্গীরও আছে। কিন্তু এটার কথা ঘটা করে বন্ধুদের জানাবার কোনো দরকার নেই। সমস্যা হলে নিজের জীবন সঙ্গীর সঙ্গেই আলোচনা করুন। বন্ধুদের বললেন আর বন্ধু ঠাট্টার ছলে আপনার জীবনসঙ্গীর সামনে বলে দিলেন, এর চাইতে বিব্রতকর আর কিছু হতে পারে না।

শ্বশুর বাড়ির বদনাম: শ্বশুর বাড়ির বিষয়ে ‘আপনার ভালো লাগেনি’ এমন নেতিবাচক অভিজ্ঞতা কোনো বন্ধুদের সঙ্গে শেয়ার করবেন না। বিষয়টি আপনার সঙ্গীনি জানতে পারলে দাম্পত্যকলহ দেখা দিবে। বরং এসব কথা পরিবারের সঙ্গে শেয়ার করুন।

বেডরুমের গল্প: সঙ্গীর সঙ্গে যৌন জীবনের খুঁটিনাটি অনেকেই বন্ধুবান্ধবের সঙ্গে শেয়ার করে থাকেন। এই কাজটি ভুলেও করবেন না। এতে কেবল নিজের প্রিয় মানুষটিকে ছোট করা হয়। আর এতে আপনারও সম্মান বাড়ে না। বরং এর দ্বারা সম্ভাব্য সমস্যা আপনাকে মানসিক অশান্তিতে ফেলে দিবে।

সঙ্গীর অতীতের গল্প: সকলেরই অতীত থাকে। কারো হয়তো একটু বেশি তিক্ত, কারো হয়তো কম। সঙ্গীর অতীতের কাহিনী আপনি জানলেও সেটা বন্ধুদের সঙ্গে শেয়ার করতে যাবেন না। এই বিষয়গুলো খুব ব্যক্তিগত হয়ে থাকে।

কোন ব্যর্থতার কথা: একটি সম্পর্কে কিছু না কিছু ব্যর্থতা থেকেই যায়। হয়তো আপনার সঙ্গীর সৌন্দর্য নিয়ে আপনার মনে কষ্ট আছে, কিংবা আপনাদের আর্থিক অবস্থা নিয়ে আফসোস আছে। বিষয় যাই হোক না কেন, সঙ্গীর যে ব্যাপারটিই নিয়েই আপনি অতৃপ্তিতে ভুগে থাকেন না কেন, সেটা বন্ধুকে কখনো বলতে যাবেন না। সঙ্গী এসব জানতে পারলে মনে কষ্ট তো পাবেনই, বিষয়টা সম্পর্ক ভাঙার দিকেও চলে যেতে পারে।

সবাই এখন যা পড়ছে :-

অস্বস্তিকর হেঁচকি? দৌড়ে পালাবে ! জেনে নিন ঘরোয়া কিছু টিপস !

হেঁচকি এমন একটি অস্বস্তিকর সময় যখন আমাদের আর কিছুই ভালো লাগে না। এই হেঁচকি কমাতে আমরা যে কত কিছুই করে থাকি। অতিরিক্ত পানি বা খাবার খেলেই এই হেঁচকি উঠতে শুরু করে। আর তখন বাড়ে অস্বস্তি বেড়ে যায়। ব্যথা করতে থাকে ঘাড় এবং মাধা। যতক্ষণ না কমছে এই হেঁচকি ততক্ষণ রয়ে যায় অস্বস্তি। আর তাই আজ আমরা জেনে নেই এই হেঁচকি থেকে বাঁচার ৯টি ঘরোয়া টোটকা। হেঁচকি কমাতে খেতে পারেন লেবু। দেখবেন খুব সহজেই কমে গেছে হেঁচকি। অনেক সময়ে এসিডিটি থেকে হেঁচকি হয়। তখন প্রচুর পরিমাণে পানি খান। আর এর সাথে নিতে পারেন এসিডিটির ওষুধ। এই হেঁচকির সময়ে যদি আপনাকে কেউ ভয় দেখান আর তাতে আপনি ভয় পেলে দেখবেন হঠাৎই কমে গিয়েছে হেঁচকি। এই হেঁচকি কমাতে পানি দিয়ে গার্গেল করুন। দেখবেন খুব সহজেই কমে গেছে আপনার হেঁচকি। একটু দূরত্ব রেখে পানি পান করতে থাকুন। একসময় দেখবেন কমে গিয়েছে আপনার এই অস্বস্তি। লবণের রয়েছে নিজস্ব এক গন্ধ। আর এই গন্ধ আপনাকে পরিত্রাণ দিতে পারে এই অস্বস্তিকর অবস্থা থেকে। আর তাই শুঁকুন লবণের গন্ধ। এটি আসলে আদি একটি উপায়। আর এই উপায়ে মিলবে স্বস্তি। হাতে আকুপ্রেশারের মাধ্যমেও কমে যায় হেঁচকি। নাক ধরে নিঃশ্বাস বন্ধ করে রাখুন। এই পদ্ধতি দিবে আপনাকে আরাম। যতক্ষণ না কমে হেঁচকি নিতে থাকুন এই পদ্ধতি।

এটি আরেকটি ঘরোয়া পদ্ধতি। বের করে রাখুন আপনার জিভ, দেখবেন কিছুক্ষণের মধ্যেই মিলেছে আরাম। কিছুক্ষণের মধ্যে কমে যাবে আপনার অস্বস্তিকর সময়।

About the Author

Leave a comment

XHTML: You can use these html tags: <a href="" title=""> <abbr title=""> <acronym title=""> <b> <blockquote cite=""> <cite> <code> <del datetime=""> <em> <i> <q cite=""> <s> <strike> <strong>