অতিরিক্ত সেলফি তুললে শরীরে বাসা বাঁধতে পারে এই নতুন অসুখ !

ভারতে আসার অপেক্ষায় রয়েছে একটি নয়া অসুখ— ‘‘সেলফি এলবো’’। বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে বলছেন, ভারতে সেলফি তোলার হিড়িক পড়ে গিয়েছে। সেই কারণেই খুব দ্রুত ভারতে এই সমস্যাটি আসতে চলেছে। সোশ্যাল মিডিয়ায় সেলফির জনপ্রিয়তা যেভাবে ঊর্ধ্বমুখী হচ্ছে, তাতে অশনি সংকেত দেখছেন অনেকে।

‘‘সেলফি এলবো’’য় কষ্ট পাচ্ছেন, এখনও পর্যন্ত ভারতে তেমন মানুষের সংখ্যা হাতেগোনা। কিন্তু সেলফি তোলার ‘রোগ’ যেভাবে দিনে দিনে বাড়ছে, তাতে এই সমস্যাও যে সমান্তরালভাবে বাড়বে, তা নিয়ে সংশয় নেই চিকিৎসক মহলে।

‘টেনিস এলবো’ বা ‘গল্‌ফার এলবো’-র কথা এই দেশে অজানা নয়। স্বয়ং সচিন তেন্ডুলকর টেনিস এলবো নিয়ে দীর্ঘদিন ক্রিকেট খেলে গিয়েছেন। বহু খেলোয়াড়ই এই সমস্যায় ভুগেছেন। চিকিৎসকরা বলছেন, যে হাতে আপনি সেলফি তুলতে অভ্যস্ত, সেই হাতের কনুইয়ে সমস্যাটি বাসা বাঁধবে। তাঁদের আশঙ্কা, সেই দিন খুব দূরে নেই যখন দেশের কোনও টিনএজার কনুইয়ে ব্যথা নিয়ে চিকিৎসকের দ্বারস্থ হবেন।

অস্থি বিশেষজ্ঞ ধনঞ্জয় গুপ্তা মনে করেন, ‘‘সেলফি তোলা একটা এমন খেলা যেটা সকলেই খেলতে পারে। আর মনে রাখা প্রয়োজন, খেলাধুলোয় চোটআঘাত তো থাকেই।’’ আর এক অস্থি বিশেষজ্ঞ নিশ্চল চুঘের ব্যাখ্যা, ‘‘প্রচুর সেলফি তোলা একটা মারাত্মক ব্যাপার। সেলফি এলবো-র যন্ত্রণা এমন পর্যায়ে যেতে পারে যে, আপনাকে অফিস থেকে ছুটিও নিতে হতে পারে।’’ তৃতীয় অস্থি বিশেষজ্ঞ রমনকান্ত অগ্রবাল বলছেন, ‘‘সেলফি এলবো কতটা মারাত্মক আকার ধারণ করবে, সে সম্পর্কে এখনই ভবিষ্যদ্বাণী করা সম্ভব নয়। কিন্তু কনুই আর আঙুল যদি কেউ একইভাবে ক্রমাগত ব্যবহার করতে থাকেন, তা হলে নিশ্চিতভাবেই এই দু’টি জায়গার উপরে চাপ পড়ে। সমস্যা অনিবার্য।’’

কেমন হতে পারে সেই যন্ত্রণা? বলা হচ্ছে, একবার সেলফি এলবো ধরে গেলে, ন্যূনতম চাপেও প্রবল যন্ত্রণা হবে। আর এই সমস্যার আরও একটি দিক রয়েছে। মনে করার কোনও কারণ নেই যে, বেশি বয়সেই এই সমস্যাটি ধরবে। অল্পবয়সেও এই সমস্যা ধরতে পারে। বরং বলা ভাল, এই সমস্যাটি ছেলেছোকরাদের হওয়ার সম্ভাবনাই বেশি।

অতএব, সেলফি হইতে সাবধান।

সবাই এখন যা পড়ছে :-

অস্বস্তিকর হেঁচকি? দৌড়ে পালাবে ! জেনে নিন ঘরোয়া কিছু টিপস !

হেঁচকি এমন একটি অস্বস্তিকর সময় যখন আমাদের আর কিছুই ভালো লাগে না। এই হেঁচকি কমাতে আমরা যে কত কিছুই করে থাকি। অতিরিক্ত পানি বা খাবার খেলেই এই হেঁচকি উঠতে শুরু করে। আর তখন বাড়ে অস্বস্তি বেড়ে যায়। ব্যথা করতে থাকে ঘাড় এবং মাধা। যতক্ষণ না কমছে এই হেঁচকি ততক্ষণ রয়ে যায় অস্বস্তি। আর তাই আজ আমরা জেনে নেই এই হেঁচকি থেকে বাঁচার ৯টি ঘরোয়া টোটকা। হেঁচকি কমাতে খেতে পারেন লেবু। দেখবেন খুব সহজেই কমে গেছে হেঁচকি। অনেক সময়ে এসিডিটি থেকে হেঁচকি হয়। তখন প্রচুর পরিমাণে পানি খান। আর এর সাথে নিতে পারেন এসিডিটির ওষুধ। এই হেঁচকির সময়ে যদি আপনাকে কেউ ভয় দেখান আর তাতে আপনি ভয় পেলে দেখবেন হঠাৎই কমে গিয়েছে হেঁচকি। এই হেঁচকি কমাতে পানি দিয়ে গার্গেল করুন। দেখবেন খুব সহজেই কমে গেছে আপনার হেঁচকি। একটু দূরত্ব রেখে পানি পান করতে থাকুন। একসময় দেখবেন কমে গিয়েছে আপনার এই অস্বস্তি। লবণের রয়েছে নিজস্ব এক গন্ধ। আর এই গন্ধ আপনাকে পরিত্রাণ দিতে পারে এই অস্বস্তিকর অবস্থা থেকে। আর তাই শুঁকুন লবণের গন্ধ। এটি আসলে আদি একটি উপায়। আর এই উপায়ে মিলবে স্বস্তি। হাতে আকুপ্রেশারের মাধ্যমেও কমে যায় হেঁচকি। নাক ধরে নিঃশ্বাস বন্ধ করে রাখুন। এই পদ্ধতি দিবে আপনাকে আরাম। যতক্ষণ না কমে হেঁচকি নিতে থাকুন এই পদ্ধতি।

এটি আরেকটি ঘরোয়া পদ্ধতি। বের করে রাখুন আপনার জিভ, দেখবেন কিছুক্ষণের মধ্যেই মিলেছে আরাম। কিছুক্ষণের মধ্যে কমে যাবে আপনার অস্বস্তিকর সময়।

রোগ নিরাময়ে মুলার ভূমিকা, দারুন সব উপকারিতা

মুলার ঝাঁঝ ওয়ালা গন্ধের কারণে অনেকে নাক কুঁচকে ফেলেন। তাই আর খাওয়া হয়ে ওঠে না। অথচ এই সবজিটি হতে পারে আপনার অসংখ্য রোগ থেকে মুক্তির উপায়। সহজলভ্য এবং পর্যাপ্ততা থাকায় আপনিও অনায়াসে খেতে পারেন অসাধারণ উপকারী এই সবজি। প্রতি ১০০ গ্রাম মুলাতে প্রোটিন আছে ০.৭ গ্রাম, কার্বোহাইড্রেট ৩.৪ গ্রাম, ভিটামিন ‘এ’ ০.০ আইইউ, ফ্যাট ০.১ গ্রাম, আঁশ ০.৮ গ্রাম, ক্যালসিয়াম ৫০ মিলিগ্রাম, ফসফরাস ২২ মিলিগ্রাম, লৌহ ০.৪ মিলিগ্রাম, পটাশিয়াম ১৩৮ মিলিগ্রাম, ভিটামিন ‘সি’ ১৫ মিলিগ্রাম। বাজারে পাওয়া সাদা ও লাল দুই ধরনের মুলাতে আছে সমান পুষ্টিগুণ। মজার বিষয় হল, মুলার চেয়ে এর পাতার গুণ অনেক বেশি। কচি মুলার পাতা শাক হিসেবে খাওয়া যায় এবং খুবই মজাদার।

পাতাতে প্রচুর পরিমাণ ভিটামিন এ, সি পাওয়া যায়। খাবার উপযোগী ১০০ গ্রাম মুলাপাতায় আছে আমিষ ১.৭ গ্রাম, শ্বেতসার ২.৫ গ্রাম, চর্বি ১.০০ গ্রাম, খনিজ লবণ ০.৫৭ গ্রাম, ভিটামিন সি ১৪৮ মিলিগ্রাম, ভিটামিন এ বা ক্যারোটিন ৯ হাজার ৭০০ মাইক্রোম ভিটামিন বি-১০.০০৪ মিলিগ্রাম, বি-২০.১০ মিলিগ্রাম, ক্যালসিয়াম ৩০ মিলিগ্রাম, লৌহ ৩.৬ মিলিগ্রাম, খাদ্যশক্তি ৪০ মিলিগ্রাম, পটাসিয়াম ১২০ মিলিগ্রাম।

About the Author

Leave a comment

XHTML: You can use these html tags: <a href="" title=""> <abbr title=""> <acronym title=""> <b> <blockquote cite=""> <cite> <code> <del datetime=""> <em> <i> <q cite=""> <s> <strike> <strong>