নতুন চুল গজাবে বেকিং সোডা-শ্যাম্পুতে ! জেনে নিন পদ্ধতি !

নগর জীবনে স্ট্রেস কিংবা দূষণের কমতি নেই একটুও। পাশপাশি আছে ভেজাল খাবার, খাওয়ায় অনিয়ম, ভীষণ ব্যস্ততা আরও কত কী! ফলাফল, অসময়ে চুল পড়ে যাওয়া। চুল পাতলা হতে হতে টাক পড়ে গেছে কতজনের, যদিও বংশে কারো মাথায় টাক নেই। চুল রুক্ষ হয়ে যাওয়া, পাতলা হয়ে যাওয়া, লালচে হওয়া কিংবা পড়ে যাওয়া- সকল সমস্যার সমাধান দেবে এই বেকিং সোডা শ্যাম্পু।

এই শ্যাম্পু তৈরি করতে খুবই সহজ, কিন্তু নিয়মিত ব্যবহারে চুলের সকল সমস্যার সমাধান দেবে একটি শ্যাম্পু। চুল পড়া তো বন্ধ হবেই, নতুন চুলও গজাবে সহজে। আপনার চুল অল্প কদিনেই হয়ে উঠবে স্বাস্থ্য উজ্জ্বল ও প্রাণবন্ত।

শহরের পানিতে থাকে প্রচুর পরিমাণে ক্লোরিন, ফলে চুল পড়েও খুব বেশি। বেকিং সোডা চুল থেকে সেই ক্লোরিনের প্রভাব কম করে, অন্যান্য দূষণও ধুয়ে পরিষ্কার করে ফেলে। চুলের ক্ষতি না করেই চুল পরিষ্কারের এরচেয়ে দারুণ পদ্ধতি আর হয় না!

যা লাগবে
বেকিং সোডা ১ টেবিল চামচ (বেকিং পাউডার কিন্তু নয়)
পানি ৬ টেবিল চামচ

ব্যবহার প্রণালি
-দুটি উপাদান মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করে নিন। এই পরিমাণ কাঁধ পর্যন্ত চুলের জন্য ঠিক আছে। এরপর একই পরিমাপে চুলের লম্বা অনুযায়ী বাড়িয়ে নেবেন।
-চুলের গোড়ায় আঙুল দিয়ে ঘষে ঘষে ভালো করে এই মিশ্রণ লাগিয়ে নিন। তারপর সম্পূর্ণ চুলে লাগিয়ে নিন।
-৩/৪ মিনিট রাখুন।
-তারপর কুসুম কুসুম উষ্ণ পানি দিয়ে ধুয়ে নিন। পানি খুবই হালকা গরম হবে। বাচ্চারা সইতে পারে, এমন কুসুম গরম।

রাসায়নিক শ্যাম্পু বাদ দিয়ে এই বেকিং সোডা শ্যাম্পু একবার ব্যবহার করেই দেখুন। চুলের পরিবর্তনে নিজেই চমকে যাবেন!

টিপস
ভালো বিদেশি কোম্পানির বেকিং সোডা ক্রয় করুন, অবশ্যই এক্সপায়ার ডেট দেখে নিয়ে।

তথ্য সূত্র
নিলুফার ইয়াসমিন (বিউটিশিয়ান ও অ্যারোমা থেরাপিস্ট)
রূপকথা’স বিউটি সিক্রেট

সবাই এখন যা পড়ছে :-

অস্বস্তিকর হেঁচকি? দৌড়ে পালাবে ! জেনে নিন ঘরোয়া কিছু টিপস !

হেঁচকি এমন একটি অস্বস্তিকর সময় যখন আমাদের আর কিছুই ভালো লাগে না। এই হেঁচকি কমাতে আমরা যে কত কিছুই করে থাকি। অতিরিক্ত পানি বা খাবার খেলেই এই হেঁচকি উঠতে শুরু করে। আর তখন বাড়ে অস্বস্তি বেড়ে যায়। ব্যথা করতে থাকে ঘাড় এবং মাধা। যতক্ষণ না কমছে এই হেঁচকি ততক্ষণ রয়ে যায় অস্বস্তি। আর তাই আজ আমরা জেনে নেই এই হেঁচকি থেকে বাঁচার ৯টি ঘরোয়া টোটকা। হেঁচকি কমাতে খেতে পারেন লেবু। দেখবেন খুব সহজেই কমে গেছে হেঁচকি। অনেক সময়ে এসিডিটি থেকে হেঁচকি হয়। তখন প্রচুর পরিমাণে পানি খান। আর এর সাথে নিতে পারেন এসিডিটির ওষুধ। এই হেঁচকির সময়ে যদি আপনাকে কেউ ভয় দেখান আর তাতে আপনি ভয় পেলে দেখবেন হঠাৎই কমে গিয়েছে হেঁচকি। এই হেঁচকি কমাতে পানি দিয়ে গার্গেল করুন। দেখবেন খুব সহজেই কমে গেছে আপনার হেঁচকি। একটু দূরত্ব রেখে পানি পান করতে থাকুন। একসময় দেখবেন কমে গিয়েছে আপনার এই অস্বস্তি। লবণের রয়েছে নিজস্ব এক গন্ধ। আর এই গন্ধ আপনাকে পরিত্রাণ দিতে পারে এই অস্বস্তিকর অবস্থা থেকে। আর তাই শুঁকুন লবণের গন্ধ। এটি আসলে আদি একটি উপায়। আর এই উপায়ে মিলবে স্বস্তি। হাতে আকুপ্রেশারের মাধ্যমেও কমে যায় হেঁচকি। নাক ধরে নিঃশ্বাস বন্ধ করে রাখুন। এই পদ্ধতি দিবে আপনাকে আরাম। যতক্ষণ না কমে হেঁচকি নিতে থাকুন এই পদ্ধতি।

এটি আরেকটি ঘরোয়া পদ্ধতি। বের করে রাখুন আপনার জিভ, দেখবেন কিছুক্ষণের মধ্যেই মিলেছে আরাম। কিছুক্ষণের মধ্যে কমে যাবে আপনার অস্বস্তিকর সময়।

About the Author

Leave a comment

XHTML: You can use these html tags: <a href="" title=""> <abbr title=""> <acronym title=""> <b> <blockquote cite=""> <cite> <code> <del datetime=""> <em> <i> <q cite=""> <s> <strike> <strong>