বাসর রাতের জন্য ৮টি সিক্রেট পরামর্শ যা মনে রাখা জরুরি !!

আজকালকার আধুনিক প্রজন্মের কাছে শুনতে যতই হাস্যকর মনে হোক না কেন, বিয়ের প্রথম রাত বা ফুলশয্যার রাতটি যে কোন দম্পতির জীবনেই সবচাইতে গুরুত্বপূর্ণ রাত। আর এই সুন্দর রাতটিতে নিজেদের বন্ধনকে মজবুত করে নিতে হয় চিরকালের জন্য। চলুন, জেনে নিই এমন ৮টি টিপস যা বিয়ের প্রথম রাতে ভুলে গেলে মোটেও চলবে না।

⇒বিয়ের প্রথম রাতের সাথে দাম্পত্য ওতপ্রোতভাবে জড়িত। তবে হ্যাঁ, এই দাম্পত্যর জন্য কোন মানসিক চাপ নেবেন না। এমন নয় যে শারীরিক মেলামেশা আজ রাতে হতেই হবে। বিয়ের অনুষ্ঠানগুলো টানা থাকার কারণে বর ও বউ উভয়েই ক্লান্ত হয়ে যাওয়া স্বাভাবিক। এবং সেই ক্লান্তি এসে থাকলে বরং বিশ্রাম নিন।

⇒বাসর রাত ও প্রথম শারীরিক মেলামেশার ব্যাপারটি নিয়ে নারীদের মনে অনেক ধরণের ভীতি কাজ করে। যদি খুব বেশি নার্ভাস বোধ করেন বা খুব অস্বস্তি লাগে, তাহলে স্বামী উদ্যোগী হলে তাকে ব্যাপারটা বুঝিয়ে বলুন। তিনি এখন আপনার জীবন সঙ্গী। আপনার সকল সমস্যা তাঁকেই বুঝতে হবে।

⇒স্বামীরাও শারীরিক মেলামেশার জন্য তাড়াহুড়া করবেন না, এতে আপনার সম্মান খুন্ন হবে এবং স্ত্রী ভেবে বসতে পারেন যে কেবল দাম্পত্য নিয়েই আগ্রহী আপনি। স্ত্রী এখন আপনার, দাম্পত্যর জন্য বাকি জীবন পড়ে আছে। প্রথম রাতে স্ত্রী চোখে নিজেকে একজন মার্জিত পুরুষ প্রমাণ করুন তাঁর ইচ্ছার মূল্য দিয়ে।

⇒বিয়ের প্রথম রাতটি জীবনে আরও কখনোই ফিরে আসবে না। তাই এই রাতের জন্য কিছু বিশেষ রোম্যান্টিক প্ল্যান অবশ্যই রাখুন।

⇒বাসর রাতে অবশ্যই সঙ্গীকে জানান যে আমি তোমাকে ভালোবাসি আজ থেকে আমার জীবন কেবল তোমাকে ঘিরেই।

⇒একটা জিনিস মনে রাখবেন, এটাই আপনাদের নতুন জীবনের প্রথম পর্ব। তাই বাসর রাতে এমন কিছু বলবেন না বা করবেন না, যাতে জীবনের সূচনা পর্বেই সব গড়বর হয়ে যায়।

⇒স্বামী বা স্ত্রীর অতীত প্রেম নিয়ে জেরা করার কুৎসিত কাজটিও বিয়ের রাতে বা ভবিষ্যতেও করতে যাবেন না। যা গিয়েছে, তা গিয়েছে। সেটার জন্য নিজেদের জীবনের সবচাইতে সুন্দর সময়টিকে নষ্ট করবেন না ভুলেও।

⇒অনুষ্ঠানে কী হলো বা না হলো, কে কী উপহার দিল, কে কী করেছে এগুলো নিয়ে কথা বলার জন্য বাকি জীবন আছে। এই সব কথা ভুলেও বাসর রাতে উঠাবেন না।

মোট কথা, বিয়ের প্রথম রাতটি কেবলই প্রেমের। পরস্পরকে জানার, বোঝার ও ভালোবাসার জন্য। এই রাতটি কিছুতেই হেলায় হারাবেন না।

সবাই এখন যা পড়ছে :-

অস্বস্তিকর হেঁচকি? দৌড়ে পালাবে ! জেনে নিন ঘরোয়া কিছু টিপস !

হেঁচকি এমন একটি অস্বস্তিকর সময় যখন আমাদের আর কিছুই ভালো লাগে না। এই হেঁচকি কমাতে আমরা যে কত কিছুই করে থাকি। অতিরিক্ত পানি বা খাবার খেলেই এই হেঁচকি উঠতে শুরু করে। আর তখন বাড়ে অস্বস্তি বেড়ে যায়। ব্যথা করতে থাকে ঘাড় এবং মাধা। যতক্ষণ না কমছে এই হেঁচকি ততক্ষণ রয়ে যায় অস্বস্তি। আর তাই আজ আমরা জেনে নেই এই হেঁচকি থেকে বাঁচার ৯টি ঘরোয়া টোটকা। হেঁচকি কমাতে খেতে পারেন লেবু। দেখবেন খুব সহজেই কমে গেছে হেঁচকি। অনেক সময়ে এসিডিটি থেকে হেঁচকি হয়। তখন প্রচুর পরিমাণে পানি খান। আর এর সাথে নিতে পারেন এসিডিটির ওষুধ। এই হেঁচকির সময়ে যদি আপনাকে কেউ ভয় দেখান আর তাতে আপনি ভয় পেলে দেখবেন হঠাৎই কমে গিয়েছে হেঁচকি। এই হেঁচকি কমাতে পানি দিয়ে গার্গেল করুন। দেখবেন খুব সহজেই কমে গেছে আপনার হেঁচকি। একটু দূরত্ব রেখে পানি পান করতে থাকুন। একসময় দেখবেন কমে গিয়েছে আপনার এই অস্বস্তি। লবণের রয়েছে নিজস্ব এক গন্ধ। আর এই গন্ধ আপনাকে পরিত্রাণ দিতে পারে এই অস্বস্তিকর অবস্থা থেকে। আর তাই শুঁকুন লবণের গন্ধ। এটি আসলে আদি একটি উপায়। আর এই উপায়ে মিলবে স্বস্তি। হাতে আকুপ্রেশারের মাধ্যমেও কমে যায় হেঁচকি। নাক ধরে নিঃশ্বাস বন্ধ করে রাখুন। এই পদ্ধতি দিবে আপনাকে আরাম। যতক্ষণ না কমে হেঁচকি নিতে থাকুন এই পদ্ধতি।

এটি আরেকটি ঘরোয়া পদ্ধতি। বের করে রাখুন আপনার জিভ, দেখবেন কিছুক্ষণের মধ্যেই মিলেছে আরাম। কিছুক্ষণের মধ্যে কমে যাবে আপনার অস্বস্তিকর সময়।

রোগ নিরাময়ে মুলার ভূমিকা, দারুন সব উপকারিতা

মুলার ঝাঁঝ ওয়ালা গন্ধের কারণে অনেকে নাক কুঁচকে ফেলেন। তাই আর খাওয়া হয়ে ওঠে না। অথচ এই সবজিটি হতে পারে আপনার অসংখ্য রোগ থেকে মুক্তির উপায়। সহজলভ্য এবং পর্যাপ্ততা থাকায় আপনিও অনায়াসে খেতে পারেন অসাধারণ উপকারী এই সবজি। প্রতি ১০০ গ্রাম মুলাতে প্রোটিন আছে ০.৭ গ্রাম, কার্বোহাইড্রেট ৩.৪ গ্রাম, ভিটামিন ‘এ’ ০.০ আইইউ, ফ্যাট ০.১ গ্রাম, আঁশ ০.৮ গ্রাম, ক্যালসিয়াম ৫০ মিলিগ্রাম, ফসফরাস ২২ মিলিগ্রাম, লৌহ ০.৪ মিলিগ্রাম, পটাশিয়াম ১৩৮ মিলিগ্রাম, ভিটামিন ‘সি’ ১৫ মিলিগ্রাম। বাজারে পাওয়া সাদা ও লাল দুই ধরনের মুলাতে আছে সমান পুষ্টিগুণ। মজার বিষয় হল, মুলার চেয়ে এর পাতার গুণ অনেক বেশি। কচি মুলার পাতা শাক হিসেবে খাওয়া যায় এবং খুবই মজাদার।

পাতাতে প্রচুর পরিমাণ ভিটামিন এ, সি পাওয়া যায়। খাবার উপযোগী ১০০ গ্রাম মুলাপাতায় আছে আমিষ ১.৭ গ্রাম, শ্বেতসার ২.৫ গ্রাম, চর্বি ১.০০ গ্রাম, খনিজ লবণ ০.৫৭ গ্রাম, ভিটামিন সি ১৪৮ মিলিগ্রাম, ভিটামিন এ বা ক্যারোটিন ৯ হাজার ৭০০ মাইক্রোম ভিটামিন বি-১০.০০৪ মিলিগ্রাম, বি-২০.১০ মিলিগ্রাম, ক্যালসিয়াম ৩০ মিলিগ্রাম, লৌহ ৩.৬ মিলিগ্রাম, খাদ্যশক্তি ৪০ মিলিগ্রাম, পটাসিয়াম ১২০ মিলিগ্রাম।

About the Author

Leave a comment

XHTML: You can use these html tags: <a href="" title=""> <abbr title=""> <acronym title=""> <b> <blockquote cite=""> <cite> <code> <del datetime=""> <em> <i> <q cite=""> <s> <strike> <strong>