все займы на карту

শখের চুল দ্রুত লম্বা করতে চান? জেনে রাখুন এই টিপসগুলো !!

চুলের বৃদ্ধি একটি স্বাভাবিক এবং প্রাকৃতিক শারীরবৃত্তীয় প্রক্রিয়া। রাতারাতি এই প্রক্রিয়াকে বদলে ফেলা এবং প্রতিদিন এক ইঞ্চি করে চুলের বৃদ্ধি ঘটানো সম্ভব নয়। মানুষের শরীরের প্রতিটি চুল তার নিজস্ব গতিতে স্বাভাবিকভাবেই বৃদ্ধি পেতে থাকে। চুলের স্বাভাবিক বৃদ্ধির হার হলো প্রতি মাসে ১.২৫ সেন্টিমিটার অথবা ০.৫ ইঞ্চি। যেটা পুরো বছর শেষে এসে দাঁড়ায় ১৫ সেন্টিমিটার অথবা ৬ ইঞ্চিতে। এইখানেও রয়েছে খুব ছোট্ট একটি কিন্তু! সঠিক যত্নের অভাব এবং অনিয়মিত খাদ্যাভাস চুলের স্বাভাবিক বৃদ্ধি ব্যহত করে থাকে। অপরদিকে, পরিপূর্ণভাবে চুলের যত্ন এবং সঠিক খাদ্যাভাস মেনে চললে, সেটা চুলের স্বাভাবিক বৃদ্ধিকে ত্বরান্বিত করতে সাহায্য করে থাকে। জেনে নিন এমন দারুণ কিছু টিপস যা সাহায্য করবে চুলের বৃদ্ধি ত্বরান্বিত করতে।

ক্যাস্টর অয়েল ব্যবহার করুন – ভিটামিন-ই, এসেনশিয়াল ফ্যাটি অ্যাসিডস এবং বিশেষ করে ওমেগা-৯ ফ্যাটি অ্যাসিডস থাকার ফলে ক্যাস্টর অয়েল চুলের বৃদ্ধিতে সাহায্য করে থাকে। ক্যাস্টর অয়েল অনেক বেশী ঘন বলে নারিকেল তেল অথবা অলিভ অয়েলের সাথে সমপরিমাণে মিশিয়ে নিয়ে মাথার তালুতে লাগিয়ে ৩০ মিনিটের মতো ম্যাসাজ করতে হবে। এরপর সারারাত রেখে দিয়ে সকালে চুল শ্যাম্পু করে ধুয়ে ফেলতে হবে।

মাথায় ত্বক ম্যাসাজ করা – ভালোভাবে মাথার ত্বক ম্যাসাজ করার মধ্যমে চুলের গোড়ার রক্তপ্রবাহ ত্বরান্বিত হয়। যা চুলের গ্রন্থিকোষগুলোকে উদীপ্ত করতে সাহায্য করে। যে কারণে প্রতি সপ্তাহে অন্তত একবারের জন্য চুলে হট অয়েল ম্যাসাজ ট্রিটমেন্ট করানো উচিৎ। যেটা ঘরেই দারুণভাবে করে ফেলা যায়। পুরো চুলে হালকা গরম তেল লাগিয়ে দুই হাতের আঙ্গুলের সাহায্যে মাথার নীচ থেকে উপরের দিকে আস্তে আস্তে ম্যাসাজ করতে হবে ৫-৭ মিনিট সময় নিয়ে।

সঠিক খাদ্যাভাস গড়ে তোলা – স্বাস্থ্যকর ও স্বাভাবিক চুলের বৃদ্ধির জন্য প্রোটিন এবং শরীরের জন্য প্রয়োজনীয় ভিটামিন ও মিনারেল সমৃদ্ধ খাদ্য গ্রহণ করা সবচাইতে জরুরি। প্রতিদিনের খাদ্য তালিকার খাদ্যে ভিটামিন-এ, বি, সি ও ই, আয়রন, জিঙ্ক, কপার, ম্যাগনেসিয়াম ও সেলেনিয়াম থাকা প্রয়োজন। সকল কিছুর মাঝে ভিটামিন-বি সবচাইতে বেশী জরুরি ও প্রয়োজনীয়, যা চুলের বৃদ্ধির ক্ষেত্রে অনেক বেশী প্রভাব রাখে।

পুষ্টিকর খাদ্য খাওয়া – যে কারণে প্রতিদিনের খাদ্যাভ্যাসে দুধ, পনীর, দই, মুরগীর মাংস, ডিম, শাক, ব্রকলি, জাম্বুরা, ওটস ইত্যাদি রাখার চেষ্টা করতে হবে। কারণ এই সকল খাদ্য উপাদান চুলে পুষ্টি জোগাতে সাহয্য করে থাকে। একই সাথে মাছ, বাদাম, অলিভ অয়েল এবং এমন ধরণের ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড সম্মৃদ্ধ অন্যান্য খাবারের কথাও ভুলে গেলে চলবে না। খেয়াল রাখতে হবে, কোনোভাবেই যেন শরীরে পুষ্টিহীনতা দেখা না দেয়।

চিন্তামুক্ত জীবনযাপন করা – অতিরিক্ত চুল পড়ার ক্ষেত্রে সবচাইতে বড় কারণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়ে থাকে অতিরিক্ত চিন্তা করাকে। অতিরিক্ত মানসিক দুশ্চিন্তা চুলের বৃদ্ধির চক্রের মাঝে নেতিবাচক প্রভাব ফেলে বলে, চুল খুব দ্রুত পড়ে যাওয়ার পর্যায়ে পৌঁছে যায়। যে কারণে চুল তুলনামূলক বেশী পড়ে। তাই, চুলের বৃদ্ধি স্বাভাবিক ও দ্রুত করতে চাইলে একদম মানসিক দুশ্চিন্তামুক্ত জীবন যাপন করার অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে।

ডিমের হেয়ার মাস্ক ব্যবহার করা – নিঃসন্দেহে চুলের জন্যে ডিম খুবই দারুণ একটি উপাদান। কারণ ডিমে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে প্রোটিন, আয়রন, ফসফরাস, জিঙ্ক এবং সেলেনিয়াম। প্রতি মাসে অন্তত একবার হেয়ার মাস্ক তৈরি করে চুলে ডিম ব্যবহার করা প্রয়োজন। হেয়ার মাস্ক তৈরির জন্য দুইটি ডিমের কুসুম এবং দুই টেবিল চামচ অলিভ অয়েল একসাথে মিশিয়ে চুলের গোড়ায় ভালোভাবে লাগিয়ে ১৫-২০ মিনিটের জন্য রেখে দিতে হবে। এরপর ঠাণ্ডা পানির সাহায্যে খুব ভালোভাবে শ্যাম্পু করে ফেলতে হবে।  তথ্যসুত্রঃ প্রিয় লাইফ

About the Author

Leave a comment

XHTML: You can use these html tags: <a href="" title=""> <abbr title=""> <acronym title=""> <b> <blockquote cite=""> <cite> <code> <del datetime=""> <em> <i> <q cite=""> <s> <strike> <strong>

Washington Redskins Womens Jersey