সুস্থ্য সন্তান চান? জেনে নিন শুক্রাণু বৃদ্ধির সহজ উপায় !!

Share This
Tags

আপনি কি ঘরে নতুন অতিথি চান, যে আপনার ঘর আলো করে আসবে? যার হাসি-কান্নায় ভরে তুলবে আপনার মন, এক সময় বাবা-মা বলেও ডাকবে সে। আর আপনার অপূর্ণ জীবনকে করবে পূরণ। যদি সেটাই চান, তাহলে এখন থেকেই প্রস্তুতি নিন। জেনে রাখুন সন্তান চাইলে শুধুমাত্র নারীদের খাবারের ওপরে বিশেষ নজর দিলেই চলে না, পুরুষদেরও উর্বরতা বৃদ্ধির জন্য ভালো খাবার খেতে হবে।

গর্ভধারণের সম্ভাবনা যদি উন্নত করতে চান, তাহলে উন্নত জীবনধারা বেছে নিতে হবে। সঠিক আহারই, উর্বরতা বৃদ্ধিতে আপনাকে সাহায্য করতে পারে। পরিসংখ্যান অনুযায়ী, পুরুষদের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ শুক্রাণু সমস্যায় ভোগেন। কাজের চাপ, মানসিক চাপ, জীবনধারা এবং বিশেষত ভুল খাদ্যাভাস পুরুষদের অনুর্বরতার কারণ হতে পারে। তবে এই ধরনের সমস্যা হ্রাস করা যেতে পারে স্বাস্থ্যকর খাদ্যের মাধ্যমে। এভাবে উর্বরতার উন্নতির পাশাপাশি ডিএনএ’র স্বাস্থ্য রক্ষা করা যায়, যা আপনার সন্তানের ওপর বর্তাবে। এছাড়া স্বাস্থ্যকর খাদ্য আপনার কামশক্তি বৃদ্ধিতেও সাহায্য করতে পারে।

আসুন তাহলে জেনে নেয়া যাক, কী কী খাবারে পুরুষের উর্বরতা বাড়বে। নিম্নে বিস্তারিত আলোচনা করা হল;

ঝিনুক ও পানি: এটি দস্তা সমৃদ্ধ খাবার, তাই শুক্রাণু এবং টেস্টোস্টেরন উৎপাদন বৃদ্ধিতে খুব কার্যকর। দস্তার অভাব অধিকাংশ লোকের বন্ধ্যাত্বের প্রধান কারণ হয়ে থাকে। পানি শুধু প্রাণ বাঁচায় না। এটা আপনার উর্বরতা বৃদ্ধি করে। বেশি করে পানি খেলে আপনার বীর্যপাতের ভলিউম বৃদ্ধি হয়, যা স্বাস্থ্যসম্মত শুক্রাণুকে উৎসাহিত করে।

কুমড়ো বীজ: কুমড়ো বীজে ওমেগা-থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিড আছে, যা যৌন অঙ্গে রক্ত প্রবাহ উদ্দীপিত করতে সাহায্য করে। এগুলো কাঁচা খাওয়াই ভাল। কারণ রান্না বা প্রক্রিয়াজাত খাবার প্রয়োজনীয় পুষ্টি রোধ করে। এতেও প্রচুর পরিমাণে দস্তা আছে।

ডাল ও ডালিম: ডাল প্রাকৃতিক ফলিক অ্যাসিডের অন্যতম উৎস, যা একটি সুস্থ শুক্রাণুর জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। যে সব পুরুষের শরীরে কম ফোলেট থাকে তাদের শুক্রাণুর মধ্যে ক্রোমোসোমাল খুঁত (খুব কম বা খুব বেশি) হওয়ার আশংকা থাকে। ডালিম অ্যান্টি-অক্সিডেন্টে ভরপুর, যা রক্তের প্রবাহ বাড়ায়। এ ফলটি শুক্রাণুর মান উন্নত করে। এটা আপনার কামশক্তিও উন্নত করবে।

ডার্ক চকলেট: এতে শুক্রাণুর গণনা এবং তার গতিশীলতা বৃদ্ধির জন্য দারুণ কাজ করে। এটি অ্যামিনো অ্যাসিডে সমৃদ্ধ। মনে রাখবেন যত কড়া চকলেট হবে, তত ভাল ফল পাওয়া যাবে।

টাটকা ফল, সবজি ও আখরোট: এতে এ, বি, সি এবং ই ভিটামিন প্রচুর পরিমাণে পাওয়া যায়। ফলে এই ধরনের খাবার খেলে উর্বরতা বাড়ে। প্রতিদিন এক মুঠো আখরোট খেলে শুক্রাণুর উন্নত হয়। সেই সঙ্গে এর সক্রিয়তাও বাড়ে।

আরও সংবাদ পড়ুন:-

সবাই এখন যা পড়ছে :-

অস্বস্তিকর হেঁচকি? দৌড়ে পালাবে ! জেনে নিন ঘরোয়া কিছু টিপস !

হেঁচকি এমন একটি অস্বস্তিকর সময় যখন আমাদের আর কিছুই ভালো লাগে না। এই হেঁচকি কমাতে আমরা যে কত কিছুই করে থাকি। অতিরিক্ত পানি বা খাবার খেলেই এই হেঁচকি উঠতে শুরু করে। আর তখন বাড়ে অস্বস্তি বেড়ে যায়। ব্যথা করতে থাকে ঘাড় এবং মাধা। যতক্ষণ না কমছে এই হেঁচকি ততক্ষণ রয়ে যায় অস্বস্তি। আর তাই আজ আমরা জেনে নেই এই হেঁচকি থেকে বাঁচার ৯টি ঘরোয়া টোটকা। হেঁচকি কমাতে খেতে পারেন লেবু। দেখবেন খুব সহজেই কমে গেছে হেঁচকি। অনেক সময়ে এসিডিটি থেকে হেঁচকি হয়। তখন প্রচুর পরিমাণে পানি খান। আর এর সাথে নিতে পারেন এসিডিটির ওষুধ। এই হেঁচকির সময়ে যদি আপনাকে কেউ ভয় দেখান আর তাতে আপনি ভয় পেলে দেখবেন হঠাৎই কমে গিয়েছে হেঁচকি। এই হেঁচকি কমাতে পানি দিয়ে গার্গেল করুন। দেখবেন খুব সহজেই কমে গেছে আপনার হেঁচকি। একটু দূরত্ব রেখে পানি পান করতে থাকুন। একসময় দেখবেন কমে গিয়েছে আপনার এই অস্বস্তি। লবণের রয়েছে নিজস্ব এক গন্ধ। আর এই গন্ধ আপনাকে পরিত্রাণ দিতে পারে এই অস্বস্তিকর অবস্থা থেকে। আর তাই শুঁকুন লবণের গন্ধ। এটি আসলে আদি একটি উপায়। আর এই উপায়ে মিলবে স্বস্তি। হাতে আকুপ্রেশারের মাধ্যমেও কমে যায় হেঁচকি। নাক ধরে নিঃশ্বাস বন্ধ করে রাখুন। এই পদ্ধতি দিবে আপনাকে আরাম। যতক্ষণ না কমে হেঁচকি নিতে থাকুন এই পদ্ধতি।

এটি আরেকটি ঘরোয়া পদ্ধতি। বের করে রাখুন আপনার জিভ, দেখবেন কিছুক্ষণের মধ্যেই মিলেছে আরাম। কিছুক্ষণের মধ্যে কমে যাবে আপনার অস্বস্তিকর সময়।

About the Author

Leave a comment

XHTML: You can use these html tags: <a href="" title=""> <abbr title=""> <acronym title=""> <b> <blockquote cite=""> <cite> <code> <del datetime=""> <em> <i> <q cite=""> <s> <strike> <strong>