নিজেকে চিরকাল ফিট ও সুস্থ্য রাখার পরামর্শগুলো জেনে নিন !!

কখনও মেয়ে, কখনও প্রেয়সী, কখনও মা, কখনও বোন। অনেক ভূমিকায় ব্যস্ত থাকেন সারাটা দিন। কিন্তু সেই ব্যস্ততার ফাঁকে নিজের যত্ন নেওয়া হয় কি? রোজকার রুটিনে কীভাবে ফিট থাকবেন তার সহজ কিছু উপায় বলে দেওয়া হচ্ছে।

ব্রেকফাস্ট ইজ মাস্ট
রাজের অফিসের তাড়াহুড়ো, টিনটিনের স্কুলের প্রিপারেশন, দুধওয়ালা, কাগজওয়ালা সব সামলে অফিস ছুটতে গিয়ে নিজের প্রাতরাশটাই হয়ত স্কিপ করে গেলেন। এটা খুব বাজে অভ্যাস৷ ডিনার এবং ব্রেকফাস্টের মাঝে অনেকটা সময় কেটে গেছে। তাই ভারী ব্রেকফাস্ট শরীরের পক্ষে খুব জরুরি। ঠিক সময় খেলে মেটাবলিসম ঠিকমত হয়।

সঠিক ঘুম
দিনে ৭-৮ ঘণ্টা সাউন্ড স্লিপ খুব দরকার। সারাদিন বাড়ি, অফিস সব সামলাতে হবে আপনাকেই। তাই লেট নাইট না করে একটা লম্বা ঘুম দিন৷ ঘুমাতে যাওয়ার একটা টাইম ফিক্স করুন। সেই সময়ের মধ্যে বাকী সব কাজ সেরে ফেলুন। রাতে টিভি প্রোগ্রাম গুলকে রেকর্ড করে রাখুন, পড়ে দেখার অনেক সময় পাবেন।

কাজ করুন আনন্দে
কত কাজ করতে হয়, কেউ আপনার কথা ভাবে না এসব ভেবে ডিপ্রেশনে না গিয়ে নিজের কাজটা আনন্দ সহকারে করুন। কেউ ভাবল কি ভাবল না সেসব ছাড়ুন৷ বরং এটা ভাবুন দিনের শেষে ডিনারের জন্য আপনার দ্বারস্থই হবে পুরো পরিবার।

পিঠের যত্ন নিন
পিঠে মাঝে মধ্যেই ব্যথা হয়৷ অথচ ব্যাপারটাকে তেমন পাত্তা দিচ্ছেন না এমন করলে কিন্ত্ত খুব ভুল করছেন। বেশিরভাগ মহিলারই ব্যাকবোনের সমস্যা হয়৷ যেটা পড়ে খুব ভোগায়৷ আজই চিকিত্সকের শরণাপন্ন হন৷ ভিটামিন ও মিনারেলস সমৃদ্ধ খাওয়ার খান।

টেস্ট দ্য কালারস
শুধু টিনটিনকেই শাকসবজি খাওয়ালেন নিজের বেলা লবডঙ্কা, এমন করবেন না। আপনার শরীরের জন্যও ভেজিস জরুরি। বেশি করে শাকসবজি খান। কালারফুল শাকসবজি শুধু দেখতে ভালো হয় তা না, খেতেও ভালো হয় এবং গুনও প্রচুর।

যোগব্যায়াম করুন
নিয়মিত যোগব্যায়াম করুন। নিজের অঞ্চলে কোনও যোগা ক্লাসের সদস্য হতে পারেন। কিংবা কাজের ফাঁকে বাড়িতেই স্রেফ কপালভাতি করুন৷ উপকার পাবেন।

গল্প করুন
দিনের কোনও একটা সময় প্রিয় বন্ধু কিংবা মাকে ফোন করে জমিয়ে আড্ডা দিন। নিজের সমস্যা চেপে রাখবেন না। শেয়ার করুন৷ তাহলে দেখবেন অনেক হালকা লাগছে। এতে মানসিক শান্তি পাওয়া যায়।

গ্রিন টি
দিনে অন্তত দুবার সব চিন্তা ভাবনা ছেড়ে আরাম কেদারায় হেলান দিয়ে গ্রিন টি খান। এর থেকে ভালো কিছু হয় না। তবে মনে অশান্তি নিয়ে ১০ কাপ গ্রিন টি খেলেও তা বিস্বাদ লাগতে বাধ্য।

শোয়েট অ্যান্ড ওয়েট
যতক্ষন না সম্পূর্ণ ঘামছেন ততক্ষন এক্সারসাইজ করে যাবেন এমনটা নয়। তবে দিনে একঘণ্টা ঘাম ঝরালেই হার্টের সমস্যা, লো ব্লাড প্রেসারের মত সমস্যার সমাধান তো হবেই, এছাড়া সারাদিন কাজ করার জন্য এন্থু পাবেন।

হেলদি অভ্যাস
দিনে অল্প পরিমানে আমন্ড বা ওয়ালনাট খেতে ভুলবেন না। নারীদের জন্য হেলদি অভ্যাস এটা। বাদামে অত্যাবশ্যক ফ্যাট ও প্রোটিন থাকে যা বিশেষত মহিলাদের দেহের জন্য জরুরি। নিজের মেয়েকেও বাদাম খাওয়ান।

সবাই এখন যা পড়ছে :-

অস্বস্তিকর হেঁচকি? দৌড়ে পালাবে ! জেনে নিন ঘরোয়া কিছু টিপস !

হেঁচকি এমন একটি অস্বস্তিকর সময় যখন আমাদের আর কিছুই ভালো লাগে না। এই হেঁচকি কমাতে আমরা যে কত কিছুই করে থাকি। অতিরিক্ত পানি বা খাবার খেলেই এই হেঁচকি উঠতে শুরু করে। আর তখন বাড়ে অস্বস্তি বেড়ে যায়। ব্যথা করতে থাকে ঘাড় এবং মাধা। যতক্ষণ না কমছে এই হেঁচকি ততক্ষণ রয়ে যায় অস্বস্তি। আর তাই আজ আমরা জেনে নেই এই হেঁচকি থেকে বাঁচার ৯টি ঘরোয়া টোটকা। হেঁচকি কমাতে খেতে পারেন লেবু। দেখবেন খুব সহজেই কমে গেছে হেঁচকি। অনেক সময়ে এসিডিটি থেকে হেঁচকি হয়। তখন প্রচুর পরিমাণে পানি খান। আর এর সাথে নিতে পারেন এসিডিটির ওষুধ। এই হেঁচকির সময়ে যদি আপনাকে কেউ ভয় দেখান আর তাতে আপনি ভয় পেলে দেখবেন হঠাৎই কমে গিয়েছে হেঁচকি। এই হেঁচকি কমাতে পানি দিয়ে গার্গেল করুন। দেখবেন খুব সহজেই কমে গেছে আপনার হেঁচকি। একটু দূরত্ব রেখে পানি পান করতে থাকুন। একসময় দেখবেন কমে গিয়েছে আপনার এই অস্বস্তি। লবণের রয়েছে নিজস্ব এক গন্ধ। আর এই গন্ধ আপনাকে পরিত্রাণ দিতে পারে এই অস্বস্তিকর অবস্থা থেকে। আর তাই শুঁকুন লবণের গন্ধ। এটি আসলে আদি একটি উপায়। আর এই উপায়ে মিলবে স্বস্তি। হাতে আকুপ্রেশারের মাধ্যমেও কমে যায় হেঁচকি। নাক ধরে নিঃশ্বাস বন্ধ করে রাখুন। এই পদ্ধতি দিবে আপনাকে আরাম। যতক্ষণ না কমে হেঁচকি নিতে থাকুন এই পদ্ধতি।

এটি আরেকটি ঘরোয়া পদ্ধতি। বের করে রাখুন আপনার জিভ, দেখবেন কিছুক্ষণের মধ্যেই মিলেছে আরাম। কিছুক্ষণের মধ্যে কমে যাবে আপনার অস্বস্তিকর সময়।

About the Author

Leave a comment

XHTML: You can use these html tags: <a href="" title=""> <abbr title=""> <acronym title=""> <b> <blockquote cite=""> <cite> <code> <del datetime=""> <em> <i> <q cite=""> <s> <strike> <strong>