কোকাকোলা দিয়ে চুল ধুলে কি হয়? জানলে আজই ব্যবহার শুরু করবেন !

Share This
Tags

কোকাকোলা দিয়ে চুল ধুলে- খাওয়া ছাড়াও অনেক কাজ আছে যা কোকাকোলা দিয়ে করা সম্ভব। গাড়ির ভেতরের ময়লা পরিষ্কার করা থেকে বাথরুম পরিষ্কারের কাজেও কোকাকোলা ব্যবহৃত হয়। মজার বিষয় হলো, চুল ধোয়ার জন্যও আপনি কোকাকোলা ব্যবহার করতে পারবেন! কী অবাক হলেন? ভাবছেন, কোকাকোলা খাবেন না মাথায় দেবেন?

হাফিংটন পোস্টের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সৌন্দর্যবিষয়ক ব্লগার এলকো তার ব্লগে একটি ভিডিও পোস্ট করেছেন। যেখানে দেখা গেছে যে, তিনি কোকাকোলা দিয়ে নিজের চুল ধুয়ে পরিষ্কার করছেন। গত শুক্রবার যুক্তরাজ্যের কসমোপলিটন ম্যাগাজিনের অনলাইন সংস্করণে প্রকাশিত হওয়ার পর ভিডিওটি আরো জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে।

মূলত সুপার মডেল সুকি ওয়াটারহাউসকে দেখে এলকো অনুপ্রাণিত হয়েছেন। সুকি যুক্তরাজ্যের একটি সাপ্তাহিক পত্রিকায় বলেছেন, তিনি মাঝে মাঝে নিজের চুল ধোয়ার জন্য কোমল পানীয় ব্যবহার করে থাকেন এবং এর ফলে তার চুলের পুরো লুকই বদলে যায়।

এ বিষয়ে সুকি বলেন, ‘চুল এতটাই এলোমোলো হয় যেন মনে হয় আমি আমাজান বা অন্য কোথাও থেকে এসেছি।’

সুকির মতো এলকোও কোকাকোলা দিয়ে চুল ধুয়ে বেশ সন্তুষ্ট। এলকো বলেন, কোকাকোলা তাঁর চুলকে মজবুত করেছে। ‘আমি অবশ্যই এই কাজটি আবারও করব।’ বললেন এলকো।কিন্তু শুধু সুকি এবং এলকোই এই কাজটি করেননি। সেভেনটিন ম্যাগাজিনে গত এপ্রিল মাসে এমনই একটি গবেষণা প্রকাশ করা হয়েছিল। যার ফলাফলে অবশ্য মিশ্র প্রতিক্রিয়া ছিল।

কেউ কেউ বলেছেন, কোকাকোলা তাঁদের চুলকে বেশ মজবুত করেছে আবার কেউ বা বলেছেন পদ্ধতিটি তাঁদের পছন্দ হয়েছে কিন্তু সব সময় তাঁরা চুলে কোকাকোলা ব্যবহার করবেন না। কারণ শ্যাম্পু আর কোকাকোলার মাঝে তাঁরা খুব বেশি পার্থক্য খুঁজে পাননি। তবে কোকাকোলা চুলের উপকার করে না অপকার করে সেটা ব্যবহারের পরেই বুঝতে পারবেন। তাহলে আর দেরি না করে আজই একবার কোকাকোলা দিয়ে চুল ধুয়ে দেখুন তো কী ঘটে?

সবাই এখন যা পড়ছে :-

অস্বস্তিকর হেঁচকি? দৌড়ে পালাবে ! জেনে নিন ঘরোয়া কিছু টিপস !

হেঁচকি এমন একটি অস্বস্তিকর সময় যখন আমাদের আর কিছুই ভালো লাগে না। এই হেঁচকি কমাতে আমরা যে কত কিছুই করে থাকি। অতিরিক্ত পানি বা খাবার খেলেই এই হেঁচকি উঠতে শুরু করে। আর তখন বাড়ে অস্বস্তি বেড়ে যায়। ব্যথা করতে থাকে ঘাড় এবং মাধা। যতক্ষণ না কমছে এই হেঁচকি ততক্ষণ রয়ে যায় অস্বস্তি। আর তাই আজ আমরা জেনে নেই এই হেঁচকি থেকে বাঁচার ৯টি ঘরোয়া টোটকা। হেঁচকি কমাতে খেতে পারেন লেবু। দেখবেন খুব সহজেই কমে গেছে হেঁচকি। অনেক সময়ে এসিডিটি থেকে হেঁচকি হয়। তখন প্রচুর পরিমাণে পানি খান। আর এর সাথে নিতে পারেন এসিডিটির ওষুধ। এই হেঁচকির সময়ে যদি আপনাকে কেউ ভয় দেখান আর তাতে আপনি ভয় পেলে দেখবেন হঠাৎই কমে গিয়েছে হেঁচকি। এই হেঁচকি কমাতে পানি দিয়ে গার্গেল করুন। দেখবেন খুব সহজেই কমে গেছে আপনার হেঁচকি। একটু দূরত্ব রেখে পানি পান করতে থাকুন। একসময় দেখবেন কমে গিয়েছে আপনার এই অস্বস্তি। লবণের রয়েছে নিজস্ব এক গন্ধ। আর এই গন্ধ আপনাকে পরিত্রাণ দিতে পারে এই অস্বস্তিকর অবস্থা থেকে। আর তাই শুঁকুন লবণের গন্ধ। এটি আসলে আদি একটি উপায়। আর এই উপায়ে মিলবে স্বস্তি। হাতে আকুপ্রেশারের মাধ্যমেও কমে যায় হেঁচকি। নাক ধরে নিঃশ্বাস বন্ধ করে রাখুন। এই পদ্ধতি দিবে আপনাকে আরাম। যতক্ষণ না কমে হেঁচকি নিতে থাকুন এই পদ্ধতি।

এটি আরেকটি ঘরোয়া পদ্ধতি। বের করে রাখুন আপনার জিভ, দেখবেন কিছুক্ষণের মধ্যেই মিলেছে আরাম। কিছুক্ষণের মধ্যে কমে যাবে আপনার অস্বস্তিকর সময়।

রোগ নিরাময়ে মুলার ভূমিকা, দারুন সব উপকারিতা

মুলার ঝাঁঝ ওয়ালা গন্ধের কারণে অনেকে নাক কুঁচকে ফেলেন। তাই আর খাওয়া হয়ে ওঠে না। অথচ এই সবজিটি হতে পারে আপনার অসংখ্য রোগ থেকে মুক্তির উপায়। সহজলভ্য এবং পর্যাপ্ততা থাকায় আপনিও অনায়াসে খেতে পারেন অসাধারণ উপকারী এই সবজি। প্রতি ১০০ গ্রাম মুলাতে প্রোটিন আছে ০.৭ গ্রাম, কার্বোহাইড্রেট ৩.৪ গ্রাম, ভিটামিন ‘এ’ ০.০ আইইউ, ফ্যাট ০.১ গ্রাম, আঁশ ০.৮ গ্রাম, ক্যালসিয়াম ৫০ মিলিগ্রাম, ফসফরাস ২২ মিলিগ্রাম, লৌহ ০.৪ মিলিগ্রাম, পটাশিয়াম ১৩৮ মিলিগ্রাম, ভিটামিন ‘সি’ ১৫ মিলিগ্রাম। বাজারে পাওয়া সাদা ও লাল দুই ধরনের মুলাতে আছে সমান পুষ্টিগুণ। মজার বিষয় হল, মুলার চেয়ে এর পাতার গুণ অনেক বেশি। কচি মুলার পাতা শাক হিসেবে খাওয়া যায় এবং খুবই মজাদার।

পাতাতে প্রচুর পরিমাণ ভিটামিন এ, সি পাওয়া যায়। খাবার উপযোগী ১০০ গ্রাম মুলাপাতায় আছে আমিষ ১.৭ গ্রাম, শ্বেতসার ২.৫ গ্রাম, চর্বি ১.০০ গ্রাম, খনিজ লবণ ০.৫৭ গ্রাম, ভিটামিন সি ১৪৮ মিলিগ্রাম, ভিটামিন এ বা ক্যারোটিন ৯ হাজার ৭০০ মাইক্রোম ভিটামিন বি-১০.০০৪ মিলিগ্রাম, বি-২০.১০ মিলিগ্রাম, ক্যালসিয়াম ৩০ মিলিগ্রাম, লৌহ ৩.৬ মিলিগ্রাম, খাদ্যশক্তি ৪০ মিলিগ্রাম, পটাসিয়াম ১২০ মিলিগ্রাম।

About the Author

Leave a comment

XHTML: You can use these html tags: <a href="" title=""> <abbr title=""> <acronym title=""> <b> <blockquote cite=""> <cite> <code> <del datetime=""> <em> <i> <q cite=""> <s> <strike> <strong>