বিয়ের আগে যে ৮টি খাবার পরিহার করবেন, জেনে নিন!

আর মাত্র কয়েকদিন বাকি। এরপরই আপনি শুরু করতে চলেছেন নতুন জীবন। বিয়ের পরই রিসিপশন। বিয়ে উপলক্ষে এলাহি আয়োজন চলছে। কিন্তু এই সময় বাড়ছে টেনশন, স্ট্রেস, উত্তেজনা। টেনশন, স্ট্রেসের কথা মাথায় রেখে কয়েকটি খাবার ডায়েট চার্টের বাইরে রাখার পরামর্শ দেন ডায়েটিশিয়ান এবং মনোবিদরা। এক নজরে দেখে নিন কোন কোন খাবার এড়িয়ে চলা উচিত এই সময়-

চুইংগাম : এখনকার বিয়েতে তো সেলফি মাস্ট। তাই ভাল সেলফির জন্য অনেকেই চুইংগাম খাওয়ার পরামর্শ দিয়ে থাকেন। কিন্তু যত চুইংগাম খাবেন, তত শরীরে হাওয়া ঢুকে পেট ফাঁপবে। তাই বিয়ের এক সপ্তাহ আগে থেকে চুইংগাম খাওয়া বন্ধ করুন।

ড্রাই ফ্রুট : ড্রাই ফ্রুট অত্যন্ত স্বাস্থ্যকর। কিন্তু এর মধ্যে ফ্রুক্টোজ ও গ্লুকোজের পরিমাণ বেশি থাকে। তাই বিয়ের ক’দিন আগে থেকে ড্রাই ফ্রুট এড়িয়ে চলুন। কারণ এতে ওজন বাড়তে পারে।

কপি : সেলুলোজের পরিমাণ খুব বেশি বাঁধাকপি, ফুলকপি ও ব্রকোলি জাতীয় সব্জির মধ্যে। হজমের সমস্যা হতে পারে। তাই এড়িয়ে চলুন এই সমস্ত সব্জি।

কফি : স্ট্রেস কাটাতে অনেকেরই ভরসা কফি। তবে এ সময় একেবারেই কফি নয়। এ সময় ঘুমের খুব প্রয়োজন। কফি খেলে ঘুমের ব্যাঘাত ঘটে চেহারায় ক্লান্তির ছাপ পড়তে পারে। অ্যাসিডিটির সমস্যাও দেখা দিতে পারে।

অ্যালকোহল : মদ্যপানের জেরে হজমের গণ্ডগোলও হতে পারে। হ্যাঙ্গওভার থেকে মুড অফ হতে পারে, যা শুধু এই সময়ের জন্যই নয়, কখনই মোটেও ভাল ব্যাপার না। কারণ এতে স্ট্রেস বাড়বে।

কার্বনেটেড ড্রিঙ্ক : সফট ড্রিঙ্কের মধ্য চিনির পরিমাণ বেশি। এতে ওজনও বাড়ে, স্বাস্থ্যেরও ক্ষতি হয়। তাই এটি দূরে রাখুন।

জাঙ্ক ফুড : এ সময় স্ট্রেস বেশি। পিত্জা, বার্গার, ফ্রেঞ্চ ফ্রাইজ মুড ভাল করবে ঠিকই, কিন্তু হজমের সমস্যা বাড়াবে।

দুধ ও দুগ্ধজাত খাবার : অনেকেরই ধারণা, প্রতিদিন দুধ খেলে কমজোরি কাটে, রঙও ফর্সা হয়। তবে এ সময় যেহেতু অনেক বেশি টেনশন, তাই দুধ থেকে হজমের সমস্যা হতে পারে। ওজনও বাড়তে পারে।

অস্বস্তিকর হেঁচকি? দৌড়ে পালাবে ! জেনে নিন ঘরোয়া কিছু টিপস !

হেঁচকি এমন একটি অস্বস্তিকর সময় যখন আমাদের আর কিছুই ভালো লাগে না। এই হেঁচকি কমাতে আমরা যে কত কিছুই করে থাকি। অতিরিক্ত পানি বা খাবার খেলেই এই হেঁচকি উঠতে শুরু করে। আর তখন বাড়ে অস্বস্তি বেড়ে যায়। ব্যথা করতে থাকে ঘাড় এবং মাধা। যতক্ষণ না কমছে এই হেঁচকি ততক্ষণ রয়ে যায় অস্বস্তি। আর তাই আজ আমরা জেনে নেই এই হেঁচকি থেকে বাঁচার ৯টি ঘরোয়া টোটকা। হেঁচকি কমাতে খেতে পারেন লেবু। দেখবেন খুব সহজেই কমে গেছে হেঁচকি। অনেক সময়ে এসিডিটি থেকে হেঁচকি হয়। তখন প্রচুর পরিমাণে পানি খান। আর এর সাথে নিতে পারেন এসিডিটির ওষুধ। এই হেঁচকির সময়ে যদি আপনাকে কেউ ভয় দেখান আর তাতে আপনি ভয় পেলে দেখবেন হঠাৎই কমে গিয়েছে হেঁচকি। এই হেঁচকি কমাতে পানি দিয়ে গার্গেল করুন। দেখবেন খুব সহজেই কমে গেছে আপনার হেঁচকি। একটু দূরত্ব রেখে পানি পান করতে থাকুন। একসময় দেখবেন কমে গিয়েছে আপনার এই অস্বস্তি। লবণের রয়েছে নিজস্ব এক গন্ধ। আর এই গন্ধ আপনাকে পরিত্রাণ দিতে পারে এই অস্বস্তিকর অবস্থা থেকে। আর তাই শুঁকুন লবণের গন্ধ। এটি আসলে আদি একটি উপায়। আর এই উপায়ে মিলবে স্বস্তি। হাতে আকুপ্রেশারের মাধ্যমেও কমে যায় হেঁচকি। নাক ধরে নিঃশ্বাস বন্ধ করে রাখুন। এই পদ্ধতি দিবে আপনাকে আরাম। যতক্ষণ না কমে হেঁচকি নিতে থাকুন এই পদ্ধতি।

এটি আরেকটি ঘরোয়া পদ্ধতি। বের করে রাখুন আপনার জিভ, দেখবেন কিছুক্ষণের মধ্যেই মিলেছে আরাম। কিছুক্ষণের মধ্যে কমে যাবে আপনার অস্বস্তিকর সময়।

রোগ নিরাময়ে মুলার ভূমিকা, দারুন সব উপকারিতা

মুলার ঝাঁঝ ওয়ালা গন্ধের কারণে অনেকে নাক কুঁচকে ফেলেন। তাই আর খাওয়া হয়ে ওঠে না। অথচ এই সবজিটি হতে পারে আপনার অসংখ্য রোগ থেকে মুক্তির উপায়। সহজলভ্য এবং পর্যাপ্ততা থাকায় আপনিও অনায়াসে খেতে পারেন অসাধারণ উপকারী এই সবজি। প্রতি ১০০ গ্রাম মুলাতে প্রোটিন আছে ০.৭ গ্রাম, কার্বোহাইড্রেট ৩.৪ গ্রাম, ভিটামিন ‘এ’ ০.০ আইইউ, ফ্যাট ০.১ গ্রাম, আঁশ ০.৮ গ্রাম, ক্যালসিয়াম ৫০ মিলিগ্রাম, ফসফরাস ২২ মিলিগ্রাম, লৌহ ০.৪ মিলিগ্রাম, পটাশিয়াম ১৩৮ মিলিগ্রাম, ভিটামিন ‘সি’ ১৫ মিলিগ্রাম। বাজারে পাওয়া সাদা ও লাল দুই ধরনের মুলাতে আছে সমান পুষ্টিগুণ। মজার বিষয় হল, মুলার চেয়ে এর পাতার গুণ অনেক বেশি। কচি মুলার পাতা শাক হিসেবে খাওয়া যায় এবং খুবই মজাদার।

পাতাতে প্রচুর পরিমাণ ভিটামিন এ, সি পাওয়া যায়। খাবার উপযোগী ১০০ গ্রাম মুলাপাতায় আছে আমিষ ১.৭ গ্রাম, শ্বেতসার ২.৫ গ্রাম, চর্বি ১.০০ গ্রাম, খনিজ লবণ ০.৫৭ গ্রাম, ভিটামিন সি ১৪৮ মিলিগ্রাম, ভিটামিন এ বা ক্যারোটিন ৯ হাজার ৭০০ মাইক্রোম ভিটামিন বি-১০.০০৪ মিলিগ্রাম, বি-২০.১০ মিলিগ্রাম, ক্যালসিয়াম ৩০ মিলিগ্রাম, লৌহ ৩.৬ মিলিগ্রাম, খাদ্যশক্তি ৪০ মিলিগ্রাম, পটাসিয়াম ১২০ মিলিগ্রাম।

About the Author

Leave a comment

XHTML: You can use these html tags: <a href="" title=""> <abbr title=""> <acronym title=""> <b> <blockquote cite=""> <cite> <code> <del datetime=""> <em> <i> <q cite=""> <s> <strike> <strong>