নিজের স্ত্রীর সম্পর্কে এই কথাগুলো অন্য কাউকে ভুলেও বলবেন না! জেনে নিন!

বিয়ের মাধ্যমে দুটি মন, দুটি আত্মা ও দুটি দেহের মিলন ঘটে। গড়ে ওঠে নতুন একটি সংসার। এই সংসারে হাসি-আনন্দের পাশাপাশি ছোটখাটো বিভিন্ন ধরনের সমস্যাও দেখা দেয়। স্বামী-স্ত্রী দুজনের মধ্যে নানা ধরনের মতভেদ চোখে পড়ে। তাই বলে সংসারের কথা বাইরের মানুষের কাছে না বলাই ভালো। বিশেষ করে স্বামীরা নিজের স্ত্রী সম্পর্কে নিচের বিষয়গুলো অন্যের কাছে না বলাই ভালো।

আগে পারতো এখন আর পারে না –আপনার স্ত্রী হয়তো আগে গান বা নাচ করতেন। বিয়ের পর সাংসারিক ঝামেলায় হয়তো আর হয়ে ওঠে না। কিন্তু তাই বলে সবার সামনে তার প্রতিভাকে ছোট করবেন না। কারণ তিনি যা প্রতিভার অধিকারী তার চেষ্টা করলে আবার পারবেন।

স্ত্রীর রান্নার সাথে তুলনা –আত্মীয় বা বন্ধুর বাড়িতে বেড়াতে গেলেন। সেখানে হয়তো কিছু ভালো রান্না হয়েছে আর তা আপনার বেশ ভালোও লেগেছে। কিন্তু তাই বলে তা প্রশংসা করার জন্য নিজের স্ত্রীর রান্নার সাথে তুলনা করবেন না। আপনার স্ত্রীকে ছোট করে হয়তো আপনি অন্যের প্রশংসায় পঞ্চমুখ হচ্ছেন, কিন্তু সব সময় ভালোবেসে খাবার তৈরী করার মানুষটি কষ্ট পাচ্ছে। নিজের স্ত্রীর সাথে তুলনা করে কেবল তাকে আপনি কষ্টই দিচ্ছেন না, বরং নিজেও অজান্তেই সামনের মানুষটির কাছে অনেকখানি ছোট হচ্ছেন।

ওর চেয়ে ভালো দেখতে মেয়েকে বিয়ে করতে পারতাম আমি –“পারতেন তো করেন নি কেন ?” এমন কথায় হাসবে অনেকেই। এতে আপনি নিজেই আপনার অসম্মান করছেন। এসব কথা বলে যতটা না আপনার স্ত্রীকে কষ্ট দিচ্ছেন তার চেয়ে সকলের সামনে হাসির পাত্রে পরিণত হচ্ছেন আপনি।

আমার স্ত্রী যদি আপনার মতন হতো –যদি আন্য কোন নারীর সামনে আপনি এই কথাটি বলেন তাতে প্রথমত আপনার স্ত্রী ভীষণ কষ্ট পান। আর যাকে বলছেন, তিনিও আপনাকে একজন অসন্তুষ্ট অসুখী ব্যক্তি ভেবে করুণা ছাড়া আর কিছুই করবেন না।

আমার স্ত্রী তো আপনার স্ত্রীর মত সুন্দরী না –এটির মত নোংরা কথা দ্বিতীয়টি নেই। নিজের স্ত্রীর সামনে যদি অন্য কাউকে আপনার এই কথা বলার অভ্যাস থাকে। তবে এটি আপনার চরিত্রহীনতার প্রমান দেয়।

ভীষণ ঝগড়াটে –মান অভিমান বা মনোমালিন্য সবারই হয়ে থাকে। একটু ঝগড়াঝাঁটি বরং সম্পর্ককে মজবুত করতে পারে। কিন্তু এটি আপনার ও আপনার স্ত্রীর একান্ত ব্যক্তিগত ব্যাপার। এটা সকলকে বলে স্ত্রীর ওপর দায় চাপাবেন না।

আমার বাড়ির বাইরে বন্ধুদের সাথে থাকতেই ভালো লাগে –এর একটাই মানে দাঁড়ায়, আপনি আপনার স্ত্রীর সাথে দাম্পত্যজীবনে সুখী নন।

সব পোষাকে মানায় না –আপনার স্ত্রী হয়তো মোটা বা রোগা। তাই বলে সকলের সামনে তার ত্রুটি নিয়ে আলোচনা করা উচিত নয়। আপনার স্ত্রীকে কোন পোষাকে না ভালোলাগলে তাকে সেটি বাড়িতেই বলুন। এইসব কথা সবার সামনে না বলাই ভালো।

মিথ্যা কথা বলে –বাইরের মানুষকে নালিশ করা বন্ধ করুন। আপনার স্ত্রীকে তারা পরিবর্তণ করতে পারবে না। পারলে আপনিই পারবেন। মিথ্যা কমাতে আপনার উপর ভরসা তৈরী করার চেষ্টা করুন।

অস্বস্তিকর হেঁচকি? দৌড়ে পালাবে ! জেনে নিন ঘরোয়া কিছু টিপস !

হেঁচকি এমন একটি অস্বস্তিকর সময় যখন আমাদের আর কিছুই ভালো লাগে না। এই হেঁচকি কমাতে আমরা যে কত কিছুই করে থাকি। অতিরিক্ত পানি বা খাবার খেলেই এই হেঁচকি উঠতে শুরু করে। আর তখন বাড়ে অস্বস্তি বেড়ে যায়। ব্যথা করতে থাকে ঘাড় এবং মাধা। যতক্ষণ না কমছে এই হেঁচকি ততক্ষণ রয়ে যায় অস্বস্তি। আর তাই আজ আমরা জেনে নেই এই হেঁচকি থেকে বাঁচার ৯টি ঘরোয়া টোটকা। হেঁচকি কমাতে খেতে পারেন লেবু। দেখবেন খুব সহজেই কমে গেছে হেঁচকি। অনেক সময়ে এসিডিটি থেকে হেঁচকি হয়। তখন প্রচুর পরিমাণে পানি খান। আর এর সাথে নিতে পারেন এসিডিটির ওষুধ। এই হেঁচকির সময়ে যদি আপনাকে কেউ ভয় দেখান আর তাতে আপনি ভয় পেলে দেখবেন হঠাৎই কমে গিয়েছে হেঁচকি। এই হেঁচকি কমাতে পানি দিয়ে গার্গেল করুন। দেখবেন খুব সহজেই কমে গেছে আপনার হেঁচকি। একটু দূরত্ব রেখে পানি পান করতে থাকুন। একসময় দেখবেন কমে গিয়েছে আপনার এই অস্বস্তি। লবণের রয়েছে নিজস্ব এক গন্ধ। আর এই গন্ধ আপনাকে পরিত্রাণ দিতে পারে এই অস্বস্তিকর অবস্থা থেকে। আর তাই শুঁকুন লবণের গন্ধ। এটি আসলে আদি একটি উপায়। আর এই উপায়ে মিলবে স্বস্তি। হাতে আকুপ্রেশারের মাধ্যমেও কমে যায় হেঁচকি। নাক ধরে নিঃশ্বাস বন্ধ করে রাখুন। এই পদ্ধতি দিবে আপনাকে আরাম। যতক্ষণ না কমে হেঁচকি নিতে থাকুন এই পদ্ধতি।

এটি আরেকটি ঘরোয়া পদ্ধতি। বের করে রাখুন আপনার জিভ, দেখবেন কিছুক্ষণের মধ্যেই মিলেছে আরাম। কিছুক্ষণের মধ্যে কমে যাবে আপনার অস্বস্তিকর সময়।

About the Author

Leave a comment

XHTML: You can use these html tags: <a href="" title=""> <abbr title=""> <acronym title=""> <b> <blockquote cite=""> <cite> <code> <del datetime=""> <em> <i> <q cite=""> <s> <strike> <strong>