শিশুর কৃমি হয়েছে, কীভাবে বুঝবেন? জেনে নিন তাহলে !

পেটে ব্যথা মানেই কৃমি নয়। দাঁত কটমট করা, লালা পড়া ইত্যাদি হলেই যে কৃমি হবে, তাও নয়। পেটের ব্যথার যেমন বিভিন্ন কারণ থাকতে পারে, তেমনি মুখের ঘা, সংক্রমণ ইত্যাদি থেকেও লালা পড়তে পারে । একজন ডাক্তারই কৃমি ভালো শনাক্ত করতে পারবেন। তবে লক্ষণগুলো জানা থাকলে আপনিও লাভবান হবেন। কারণ, যত আগে আপনি বুঝতে পারবেন, আপনার সন্তানের জন্য ততই মঙ্গল।

কৃমির সংক্রমণের লক্ষণ: বিভিন্ন জাতের কৃমি শিশুদের শরীরে নানা বিরূপ প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি করে।

শিশুদের কৃমির লক্ষণগুলোর মধ্যে রয়েছে :

বাচ্চার খাওয়া-দাওয়া কমিয়ে দেওয়া

আয়রনের ঘাটতি ও রক্তশূন্যতার জন্য দুর্বলতা

বৃদ্ধি ব্যাহত হওয়া

অপুষ্টিতে ভোগা

পেট ফাঁপা

ডায়রিয়া

কৃমির কারণে অ্যালার্জি, চুলকানি, শ্বাসকষ্ট, কফ-কাশি হতে পারে।

লেখক : শিশু বিশেষজ্ঞ, ঢাকা মেডিকেল, কনসালট্যান্ট, ইনসাফ বারাকাহ হাসপাতাল

খুব বেশি পর্ন দেখেন? জানেন কী ক্ষতি করছেন নিজের!

ব্যস্ত জীবনের মধ্যে পর্ন দেখার জন্য অনেকেই সময় বের করে নেন। অনেকেই দিনান্তে পর্ন দেখেন সাময়িক আনন্দলাভের আশায়। কিন্তু জানেন কি, বেশি মাত্রায় পর্ন দর্শন কতটা সর্বনাশ করছে আপনার? সমীক্ষা করে দেখা গিয়েছে, যাঁরা নিয়মিত পর্ন দেখেন, তাঁরা বিভিন্ন ধরনের সমস্যায় ভুগছেন। পৃথিবীর একাধিক দেশের পুরুষ, নারীর উপর এই সমীক্ষা চালিয়ে দেখা গিয়েছে ভয়ঙ্কর সব সমস্যার জন্ম দিচ্ছে এই অভ্যাস।

মানসিক বিকৃতির জন্ম দেয়। অতিরিক্ত পর্ন মস্তিস্কের উপর চাপ ফেলে। স্বাভাবিক বিচক্ষণতা লুপ্ত হতে থাকে। বাস্তব থেকে দূরে সরিয়ে দেয় মানুষকে। বাস্তব এবং অবাস্তবের মধ্যে এক অদ্ভুত গুলিয়ে দেওয়া পরিস্থিতি তৈরি করে।

ক্রমশ নিজের ব্যক্তিগত আবেগ, ইমোশনের উপর থেকে নিয়ন্ত্রণ হারাতে শুরু করে। হঠাৎ রেগে যাওয়াও এক অন্যতম লক্ষণ। সর্বোপরি একটা সুস্থ জীবন থেকে আপনাকে ক্রমশ দূরে সরিয়ে নিয়ে যাবে আপনার পর্ন-দর্শন। শুধু জীবনসঙ্গী নয়, সন্তানদের থেকেও দূরে সরিয়ে নিয়ে যাবে আপনাকে। কারণ অতিরিক্ত পর্ন দেখলে পৃথিবীর স্বাভাবিক, নিষ্পাপ আনন্দ আপনি উপভোগ করতেই ভুলে যাবেন ধীরে ধীরে। ব্যক্তিগত জীবন অসুখী করে তোলে। সঙ্গীকে সুখী করা বা সঙ্গীর থেকে আনন্দ পাওয়ার ক্ষেত্রে অন্তরায় হয়ে দাঁড়ায় আপনার এই অভ্যাস।

মাথা ও হাড়ের জোড়ার ব্যথা নিরাময়ে জাদুকরী তেজপাতা!

বেশীরভাগ মানুষ নানান ধরণের ছোট বা বড় অসুস্থতার ক্ষেত্রে ওষুধপত্র খেতে একেবারেই পছন্দ করেন না। বিভিন্ন ধরণের ওষুধ খাওয়ার চাইতে ঘরোয়া সমাধানের প্রতি আগ্রহ থাকে সকলের। কারণ যত বেশী ঘরোয়া উপায়ে প্রাকৃতিক উপাদান দিয়ে অসুস্থতা সারানোর চেষ্টা করা হবে, ততোই স্বাস্থ্যের জন্য ভালো। আনন্দের ব্যাপার হচ্ছে, বেশীরভাগ অসুখই ঘরোয়া উপায়ে সঠিক উপাদান ব্যবহারে নিরাময়যোগ্য। এক্ষেত্রে জানা থাকা প্রয়োজন, কোন রোগের ক্ষেত্রে কোন প্রাকৃতিক উপাদান ব্যবহার করতে হবে এবং কী নিয়মে। সঠিক উপাদান সঠিক নিয়মে ব্যবহার করতে পারলে খুব দ্রুত আরোগ্য পাওয়া সম্ভব হয়।

আজকে যে পাতাটি নিয়ে কথা বলা হবে, সেই পাতা সকল বাসার রান্নাঘরেই রয়েছে। খুবই পরিচিত এবং বহু ব্যবহৃত এই পাতাটি হলো তেজপাতা। যার অনন্য গুণের কথা বেশীরভাগ মানুষেরই অজানা।

রান্নায় সুবাস তৈরি করা এবং রান্নার স্বাদ বৃদ্ধি করা ছাড়াও তেজপাতার রয়েছে দারুণ কিছু স্বাস্থ্যগুণ। বিশেষ করে মাথাব্যথা ও হাড়ের জোড়ার ব্যথা সারাতে এই পাতা সবচাইতে বেশী কার্যকর। এছাড়াও, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিতে, নার্ভ সিস্টেম শান্ত রাখতে, দুশ্চিন্তা কমাতে এবং মানসিক চাপ কমাতে দারুণ এই পাতা কাজ করে থাকে। জেনে নিন মাথাব্যথা ও হাড়ের জোড়ার ব্যথা সারাতে কীভাবে তেজপাতা ব্যবহার করতে হবে।

About the Author

Leave a comment

XHTML: You can use these html tags: <a href="" title=""> <abbr title=""> <acronym title=""> <b> <blockquote cite=""> <cite> <code> <del datetime=""> <em> <i> <q cite=""> <s> <strike> <strong>