অতিরিক্ত রাগ কমানোর ৩টি বিজ্ঞানসম্মত পদ্ধতি ! জেনে রাখুন, কাজে লাগবে !

ক্রোধ কারও ক্ষেত্রে মাত্রাতিরিক্ত হয়ে গেলে তিনি তার আশেপাশের সব মানুষের থেকে ক্রমশ দূরে সরে যেতে থাকেন। কেউ ভয়ে, আবার কেউ বিরক্তিতে তার কাছেই আসতে চান না। তাই আপনিও যদি বোঝেন যে আজকাল আপনি আপনার রাগকে নয়, আপনার রাগ আপনাকে নিয়ন্ত্রণ করছে তবে সাবধান হোন।

বিশেষজ্ঞরা বলেন, রাগ যদি খুব বেড়ে যায় তবে রাগ কমানোর কয়েকটি বিজ্ঞানসম্মত পদ্ধতি আছে। যখনই রাগ হবে তখনই সেই পদ্ধতিগুলো মেনে চললে, আসতে আসতে কমতে পারে আপনার রাগের পরিমান।

যদি বুঝতে পারেন যে কোনও একটি বিষয়ে আপনার রাগ হচ্ছে, তবে সঙ্গে সঙ্গে গভীরভাবে শ্বাস নেওয়ার চেষ্টা করুন আর মনে মনে ১ থেকে ১০ পর্যন্ত গুনুন। এতে কিছুক্ষণের জন্য হলেও মন অন্যদিকে যাবে। আর গভীর শ্বাস নিলে তা তাৎক্ষণিকভাবে আপনার মাথায় অক্সিজেনের প্রবাহ বাড়াবে। এতে আবার আপনার শরীরের রক্ত চলাচল স্বাভাবিক হবে। ফলে আপনি একটু চাঙ্গা বোধ করবেন। তারপর মাথা ঠান্ডা হলে বিষয়গুলোকে ভালভাবে বিশ্লেষণ করবেন।

অনেক সময় যখন রাগ হয় তখন কেউ উলটোপালটা কথা বললে মুখ বন্ধ করে রাখাটা কঠিন হয়ে পড়ে। কিন্তু এই সবসময় ঠোঁটে তালা মেরে রাখতে পারলে তা দারুণ কার্যকর হয়। প্রথমে অপরপক্ষকে মন খুলে মনের ঝাল মেটাতে দিন। তাতে দুটো সুবিধা হবে। এক, তার মনের কথাগুলো আপনি পরিষ্কারভাবে জেনে যাবেন। দুই, পরে দুজনেরই মাথা ঠান্ডা হলে আপনারা বিষয়গুলো নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করতে পারবেন।

রাগের মাত্রা যদি আরও বেড়ে যায় তবে শুধু মুখ নয়, চোখ আর কানও বন্ধ করে ফেলতে হবে। অদ্ভুত শোনালেও কিন্তু এই উপায়টি সত্যিই কার্যকর। যে আপনাকে রাগিয়ে দিচ্ছে বা যা নিয়ে আপনি রেগে যাচ্ছেন, কিছুক্ষণের জন্য নিজেকে সেখান থেকে পুরোপুরি বিচ্ছিন্ন করে ফেলুন। যেন আপনি সেখানে থেকেও নেই। তাতে কিছুক্ষণ পর দেখবেন এমনিই আপনার মাথা ঠান্ডা হয়ে গিয়েছে।

খুব বেশি পর্ন দেখেন? জানেন কী ক্ষতি করছেন নিজের!

ব্যস্ত জীবনের মধ্যে পর্ন দেখার জন্য অনেকেই সময় বের করে নেন। অনেকেই দিনান্তে পর্ন দেখেন সাময়িক আনন্দলাভের আশায়। কিন্তু জানেন কি, বেশি মাত্রায় পর্ন দর্শন কতটা সর্বনাশ করছে আপনার? সমীক্ষা করে দেখা গিয়েছে, যাঁরা নিয়মিত পর্ন দেখেন, তাঁরা বিভিন্ন ধরনের সমস্যায় ভুগছেন। পৃথিবীর একাধিক দেশের পুরুষ, নারীর উপর এই সমীক্ষা চালিয়ে দেখা গিয়েছে ভয়ঙ্কর সব সমস্যার জন্ম দিচ্ছে এই অভ্যাস। মানসিক বিকৃতির জন্ম দেয়। অতিরিক্ত পর্ন মস্তিস্কের উপর চাপ ফেলে। স্বাভাবিক বিচক্ষণতা লুপ্ত হতে থাকে। বাস্তব থেকে দূরে সরিয়ে দেয় মানুষকে। বাস্তব এবং অবাস্তবের মধ্যে এক অদ্ভুত গুলিয়ে দেওয়া পরিস্থিতি তৈরি করে।

ক্রমশ নিজের ব্যক্তিগত আবেগ, ইমোশনের উপর থেকে নিয়ন্ত্রণ হারাতে শুরু করে। হঠাৎ রেগে যাওয়াও এক অন্যতম লক্ষণ। সর্বোপরি একটা সুস্থ জীবন থেকে আপনাকে ক্রমশ দূরে সরিয়ে নিয়ে যাবে আপনার পর্ন-দর্শন। শুধু জীবনসঙ্গী নয়, সন্তানদের থেকেও দূরে সরিয়ে নিয়ে যাবে আপনাকে। কারণ অতিরিক্ত পর্ন দেখলে পৃথিবীর স্বাভাবিক, নিষ্পাপ আনন্দ আপনি উপভোগ করতেই ভুলে যাবেন ধীরে ধীরে। ব্যক্তিগত জীবন অসুখী করে তোলে। সঙ্গীকে সুখী করা বা সঙ্গীর থেকে আনন্দ পাওয়ার ক্ষেত্রে অন্তরায় হয়ে দাঁড়ায় আপনার এই অভ্যাস।

রোদ পোহালেই দুর হবে যৌনসমস্যা ! পড়ুন তাহলে

পৃথিবীতে যে রোগের ওষুধ হিসেবে মাটির বড়ি বানিয়ে বিক্রি করলেও ক্রেতার অভাব হয় না, সেটা হলো যৌনঅক্ষমতা। এর জন্য টাকা খরচ করতে পিছুপা হয় না কেউ। কিন্তু রোদ পোহালেই বাড়তে পারে পুরুষের কামশক্তি। গবেষকরা তো তাই বলছেন। অস্ট্রিয়ার গ্রাজ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকেরা জানিয়েছেন, পুরুষের রক্তে যৌন হরমোন টেস্টোস্টেরন ভিটামিন ডি-র মাধ্যমে বৃদ্ধি পায়৷ আর ভিটামিন ডি-র প্রধান উৎস হল সূর্যালোক৷ ত্বকে সূর্যালোকের প্রভাবে রক্তে ভিটামিন ডি এর মাত্রা বৃদ্ধি পায়৷ এছাড়াও ভিটামিন ডি এর প্রধান উৎস হল মাছ এবং মাংস৷ গবেষকেরা জানিয়েছেন, রক্তে প্রতি মিলিলিটারে ভিটামিন ডি-র পরিমাণ যত বেশি হবে পুরুষের যৌন ক্ষমতা তত বাড়বে৷

গবেষণায় দেখা গেছে, সূর্যালোকের সাহায্যে পুরুষের রক্তে টেস্টোস্টেরনের মাত্রা প্রায় ৬৯ শতাংশ বৃদ্ধি পায়৷ পুরুষের যৌনতার ক্ষেত্রে এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি হরমোন৷ এই হরমোনটিই যৌনতার চরিত্র, শুক্রাণু উৎপাদন ও পুরুষের যৌন চাহিদাকে নিয়ন্ত্রণ করে৷ তবে গায়ে রোদ লাগানোর ক্ষেত্রে বরাবরের মতোই সকালের মিষ্টি রোদকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। কারণ, বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে সূর্য্যের আলোতে বাড়তে থাকে অতিবেগুনি রশ্মির প্রভাব। এটা ত্বকের ক্যান্সার সৃষ্টিসহ নানা শারীরিক সমস্যার জন্ম দেয়।

About the Author

Leave a comment

XHTML: You can use these html tags: <a href="" title=""> <abbr title=""> <acronym title=""> <b> <blockquote cite=""> <cite> <code> <del datetime=""> <em> <i> <q cite=""> <s> <strike> <strong>