প্রতিদিন অতিরিক্ত গরম চা পানে ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়ে!

গরম চা পান করার অভ্যাসে ইসোফেজিয়াল ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়তে পারে৷ সম্প্রতি অ্যানালস অব ইন্টার্নাল মেডিসিন জার্নালে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এমনই আশঙ্কার কথা বলা হয়েছে৷ জানানো হয়েছে, যে ব্যক্তিরা নিয়মিত ধূমপান করেন এবং মদ্যপান করেন, তাদের ক্ষেত্রে অতিরিক্ত গরম চা পান করাটা ইসোফেজিয়াল (খাদ্যনালী) টিউমারের ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়।

গবেষণায় বলা হয়, যারা দিনে অন্তত এক গ্লাস অ্যালকোহলযুক্ত পানীয় পান করেন, এর পাশাপাশি দিনে অতিরিক্ত গরম চা পান করেন তাদের খাদ্যনালী ক্যান্সারের ঝুঁকি বেশি। ধূমপায়ীদের ক্ষেত্রেও দেখা যায়, প্রতিদিন অতিরিক্ত গরম চা পান করলে তাদেরও এই ক্যান্সারটি হওয়ার ঝুঁকি থাকে।

গবেষণাটির লেখক পিকিং ইউনিভার্সিটি হেলথ সায়েন্স সেন্টারের ড. জুন এলভি জানান, তামাক ও অ্যালকোহল দুটো থেকেই দূরে থাকেই হচ্ছে এই ক্যান্সারটি প্রতিরোধের সবচাইতে ভালো উপায়। কিন্তু ধূমপান ও মদ্যপানের অভ্যাস না থাকলে শুধু চা পান করা নিয়ে চিন্তিত হবার কিছু নেই বলে আশ্বস্ত করেন তিনি।

কলকাতা টুয়েন্টিফোর’র এক প্রতিবেদনে বলা হয়, এই গবেষণার জন্য ৩০ বছর থেকে ৭৯ বছর বয়সী সাড়ে চার লাখ ব্যক্তির ধূমপান, মদ্যপান এবং চা পান অভ্যাসের ব্যাপারে তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছিল। গবেষণার শুরুতে তাদের কারোই ক্যান্সার ছিল না।  পরবর্তী নয় বছর যাবত এই সাড়ে চার লাখ মানুষের তথ্য নেওয়া হয়। এ সময়ের মাঝে ১,৭৩১ জনের ইসোফ্যাজিয়াল ক্যান্সার দেখা দেয়। ফলাফলে দেখা যায়, যারা অতিরিক্ত উত্তপ্ত চা পান করেন, মদ্যপান করেন এবং ধূমপান করেন, এই তিনটি অভ্যাস যাদের নেই তাদের তুলনায় এসব মানুষের ইসোফেজিয়াল ক্যান্সারের ঝুঁকি থাকে পাঁচগুণ বেশি। তবে এই গবেষণায় কিছু তথ্য পাওয়া যায় না। যেমন ঠিক কত তাপমাত্রায় থাকা চা পান করলে ইসোফেজিয়াল টিউমারের ঝুঁকি বেশি হবে।

খুব বেশি পর্ন দেখেন? জানেন কী ক্ষতি করছেন নিজের!

ব্যস্ত জীবনের মধ্যে পর্ন দেখার জন্য অনেকেই সময় বের করে নেন। অনেকেই দিনান্তে পর্ন দেখেন সাময়িক আনন্দলাভের আশায়। কিন্তু জানেন কি, বেশি মাত্রায় পর্ন দর্শন কতটা সর্বনাশ করছে আপনার? সমীক্ষা করে দেখা গিয়েছে, যাঁরা নিয়মিত পর্ন দেখেন, তাঁরা বিভিন্ন ধরনের সমস্যায় ভুগছেন। পৃথিবীর একাধিক দেশের পুরুষ, নারীর উপর এই সমীক্ষা চালিয়ে দেখা গিয়েছে ভয়ঙ্কর সব সমস্যার জন্ম দিচ্ছে এই অভ্যাস। মানসিক বিকৃতির জন্ম দেয়। অতিরিক্ত পর্ন মস্তিস্কের উপর চাপ ফেলে। স্বাভাবিক বিচক্ষণতা লুপ্ত হতে থাকে। বাস্তব থেকে দূরে সরিয়ে দেয় মানুষকে। বাস্তব এবং অবাস্তবের মধ্যে এক অদ্ভুত গুলিয়ে দেওয়া পরিস্থিতি তৈরি করে।

ক্রমশ নিজের ব্যক্তিগত আবেগ, ইমোশনের উপর থেকে নিয়ন্ত্রণ হারাতে শুরু করে। হঠাৎ রেগে যাওয়াও এক অন্যতম লক্ষণ। সর্বোপরি একটা সুস্থ জীবন থেকে আপনাকে ক্রমশ দূরে সরিয়ে নিয়ে যাবে আপনার পর্ন-দর্শন। শুধু জীবনসঙ্গী নয়, সন্তানদের থেকেও দূরে সরিয়ে নিয়ে যাবে আপনাকে। কারণ অতিরিক্ত পর্ন দেখলে পৃথিবীর স্বাভাবিক, নিষ্পাপ আনন্দ আপনি উপভোগ করতেই ভুলে যাবেন ধীরে ধীরে। ব্যক্তিগত জীবন অসুখী করে তোলে। সঙ্গীকে সুখী করা বা সঙ্গীর থেকে আনন্দ পাওয়ার ক্ষেত্রে অন্তরায় হয়ে দাঁড়ায় আপনার এই অভ্যাস।

About the Author

Leave a comment

XHTML: You can use these html tags: <a href="" title=""> <abbr title=""> <acronym title=""> <b> <blockquote cite=""> <cite> <code> <del datetime=""> <em> <i> <q cite=""> <s> <strike> <strong>