আপনি কি বিস্কুট খান? তাহলে অবশ্যই পড়ুন এই লেখাটি!

দৈনন্দিন জীবনের চক্করে নিয়ম করে জিমে যাওয়া তো দূরের ব্যাপার, ঠিক মতো খাওয়াদাওয়াই করা হয়ে ওঠে না। ফলে, রোগা হওয়াই শুধু নয়, অল্প বয়সেই নানা রোগে আক্রান্ত হচ্ছে বর্তমান প্রজন্ম। বাজারে প্রচলিত এমন বেশ কিছু ওষুধ ও খাবার রয়েছে, যা খেলে নাকি রোগা হওয়া যায়। সঙ্গে এমনও দাবি যে, এই খাবারগুলি স্বাস্থ্যকর এবং কোনও পার্শ্ব প্রতিক্রিয়াও নেই।

এমনই এক পরিচিত খাবার হল ‘ডাইজেস্টিভ বিস্কুট’। প্রচলিত ধারণা, এই বিস্কুট স্বাস্থ্যকর। এবং এই বিস্কুট খেলে ওজনও বাড়ে না। কিন্তু, এ তথ্য সম্পূর্ণ ঠিক নয় বলেই জানিয়েছে এক গবেষণা। ডাইজেস্টিভ বিস্কুট মূলত তৈরি হয়েছিল সেই সব মানুষকে মাথায় রেখে, যাদের কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা রয়েছে। সহজে হজম হয়ে যাওয়া এই বিস্কুট, চায়ের সঙ্গে এক-আধটা খেলে খুব একটা সমস্যা নেই।

কিন্তু জেনে রাখুন, এই বিস্কুট প্রসেস্‌ড ফুডের একটি আদর্শ উদাহরণ। এবং চিকিৎসকরাই বারণ করছেন এই বিস্কুট খেতে, মূলত ৩টি কারণে—

উপকরণ-ডাইজেস্টিভ বিস্কুটে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার, প্রোটিন, ভিটামিন ও মিনারেল থাকে, যা স্বাস্থ্যের জন্য খুবই উপকারী। কিন্তু তার সঙ্গে থাকে সুগার, ফ্যাট, সোডিয়াম ও রিফাইন্ড ময়দাও। যা শরীরের ওজন বৃদ্ধি করে।

প্রসেস্‌ড ফুড-কখনও দেখেছেন ডাইজেস্টিভ বিস্কুট পচে গিয়েছে বা তাতে ছাতা পড়েছে? না তো! এর থেকেই প্রমাণিত হয় যে এই ধরনের বিস্কুটে ব্যবহার করা হয় প্রিজারভেটিভ জাতীয় জিনিস।

ক্যালোরি-ডাইজেস্টিভ বিস্কুটে অন্তত পক্ষে ৫০ ক্যালোরি থাকে, যা খুব সহজেই শরীরের ওজন বাড়িয়ে দেয়। সুগার, ফ্যাট, সোডিয়াম, ময়দায় থাকে ‘আনহেলদি’ ক্যালোরি

খুব বেশি পর্ন দেখেন? জানেন কী ক্ষতি করছেন নিজের!

ব্যস্ত জীবনের মধ্যে পর্ন দেখার জন্য অনেকেই সময় বের করে নেন। অনেকেই দিনান্তে পর্ন দেখেন সাময়িক আনন্দলাভের আশায়। কিন্তু জানেন কি, বেশি মাত্রায় পর্ন দর্শন কতটা সর্বনাশ করছে আপনার? সমীক্ষা করে দেখা গিয়েছে, যাঁরা নিয়মিত পর্ন দেখেন, তাঁরা বিভিন্ন ধরনের সমস্যায় ভুগছেন। পৃথিবীর একাধিক দেশের পুরুষ, নারীর উপর এই সমীক্ষা চালিয়ে দেখা গিয়েছে ভয়ঙ্কর সব সমস্যার জন্ম দিচ্ছে এই অভ্যাস। মানসিক বিকৃতির জন্ম দেয়। অতিরিক্ত পর্ন মস্তিস্কের উপর চাপ ফেলে। স্বাভাবিক বিচক্ষণতা লুপ্ত হতে থাকে। বাস্তব থেকে দূরে সরিয়ে দেয় মানুষকে। বাস্তব এবং অবাস্তবের মধ্যে এক অদ্ভুত গুলিয়ে দেওয়া পরিস্থিতি তৈরি করে।

ক্রমশ নিজের ব্যক্তিগত আবেগ, ইমোশনের উপর থেকে নিয়ন্ত্রণ হারাতে শুরু করে। হঠাৎ রেগে যাওয়াও এক অন্যতম লক্ষণ। সর্বোপরি একটা সুস্থ জীবন থেকে আপনাকে ক্রমশ দূরে সরিয়ে নিয়ে যাবে আপনার পর্ন-দর্শন। শুধু জীবনসঙ্গী নয়, সন্তানদের থেকেও দূরে সরিয়ে নিয়ে যাবে আপনাকে। কারণ অতিরিক্ত পর্ন দেখলে পৃথিবীর স্বাভাবিক, নিষ্পাপ আনন্দ আপনি উপভোগ করতেই ভুলে যাবেন ধীরে ধীরে। ব্যক্তিগত জীবন অসুখী করে তোলে। সঙ্গীকে সুখী করা বা সঙ্গীর থেকে আনন্দ পাওয়ার ক্ষেত্রে অন্তরায় হয়ে দাঁড়ায় আপনার এই অভ্যাস।

রোদ পোহালেই দুর হবে যৌনসমস্যা ! পড়ুন তাহলে

পৃথিবীতে যে রোগের ওষুধ হিসেবে মাটির বড়ি বানিয়ে বিক্রি করলেও ক্রেতার অভাব হয় না, সেটা হলো যৌনঅক্ষমতা। এর জন্য টাকা খরচ করতে পিছুপা হয় না কেউ। কিন্তু রোদ পোহালেই বাড়তে পারে পুরুষের কামশক্তি। গবেষকরা তো তাই বলছেন। অস্ট্রিয়ার গ্রাজ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকেরা জানিয়েছেন, পুরুষের রক্তে যৌন হরমোন টেস্টোস্টেরন ভিটামিন ডি-র মাধ্যমে বৃদ্ধি পায়৷ আর ভিটামিন ডি-র প্রধান উৎস হল সূর্যালোক৷ ত্বকে সূর্যালোকের প্রভাবে রক্তে ভিটামিন ডি এর মাত্রা বৃদ্ধি পায়৷ এছাড়াও ভিটামিন ডি এর প্রধান উৎস হল মাছ এবং মাংস৷ গবেষকেরা জানিয়েছেন, রক্তে প্রতি মিলিলিটারে ভিটামিন ডি-র পরিমাণ যত বেশি হবে পুরুষের যৌন ক্ষমতা তত বাড়বে৷

গবেষণায় দেখা গেছে, সূর্যালোকের সাহায্যে পুরুষের রক্তে টেস্টোস্টেরনের মাত্রা প্রায় ৬৯ শতাংশ বৃদ্ধি পায়৷ পুরুষের যৌনতার ক্ষেত্রে এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি হরমোন৷ এই হরমোনটিই যৌনতার চরিত্র, শুক্রাণু উৎপাদন ও পুরুষের যৌন চাহিদাকে নিয়ন্ত্রণ করে৷ তবে গায়ে রোদ লাগানোর ক্ষেত্রে বরাবরের মতোই সকালের মিষ্টি রোদকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। কারণ, বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে সূর্য্যের আলোতে বাড়তে থাকে অতিবেগুনি রশ্মির প্রভাব। এটা ত্বকের ক্যান্সার সৃষ্টিসহ নানা শারীরিক সমস্যার জন্ম দেয়।

About the Author

Leave a comment

XHTML: You can use these html tags: <a href="" title=""> <abbr title=""> <acronym title=""> <b> <blockquote cite=""> <cite> <code> <del datetime=""> <em> <i> <q cite=""> <s> <strike> <strong>