নিমিষেই দূর করুন পিঠের ব্যথা, জেনে নিন পদ্ধতি !

Share This
Tags

শীতের ঠাণ্ডা হাওয়া বইতে থাকলেও জীবনে অবধারিতভাবে আলস্যের আগমন। এর স্বাভাবিক ফল এক্সারসাইজে অনীহা। কিন্তু শীতকাল বলে তো ফিটনেসের সঙ্গে সমঝোতা করা যায় না। শীতেও তো ফিট আর সুস্থ থাকতে হবে। এছাড়া শীতকালে শরীরের ব্যথা জাতীয় সমস্যাসমূহ বেশি লক্ষ করা যায়। প্রয়োজন একটু মোটিভেশনের। শীতের বিশেষ ওয়ার্কআউট প্ল্যান। শীতে সর্দিকাশি, হাপানি বা হাড়ের ব্যথা, শরীরের বিভিন্ন পেশি অনেককিচুই আপনাকে ভোগাতে পারে। এর সমাধানও আছে এক্সারসাইজ। তাই ফিটনেস এক্সপার্টদের মতে শীত হল হাই ইনটেনসিটি এক্সারসাইজের সেরা সময়। এতে যেমন ফিটনেস লেভেল বাড়ে, তেমনই আবার শীতজনিত নানা শারীরিক সমস্যা থেকেও সহজে মুক্তি পাওয়া যায়। যারা ডেস্কে কাজ করেন বা সামনে ঝুঁকে কাজ করেন তাদের সাধারণত পিঠ দাঁড়ালে বা সোজা করতে গেলে ব্যথা শুরু বা অনুভব করেন তাদের জন্য ব্যায়ামটি উপকারে খুব আসবে।

ব্যায়ামের নাম : বেক স্টিস (চিৎ হয়ে শুয়ে হাঁটুদ্বয় ভাঁজ করে দু’হাতে বক্ষের ওপর এনে চাপ প্রয়োগ করা)

কিভাবে শুরু করবেন : প্রথমে চিৎ হয়ে শুতে হবে ছবির ন্যায়। এরপর হাঁটুদ্বয় ভাঁজ করে বক্ষের ওপর দু’হাতে ধরতে হবে ছবির ন্যায় ধরতে হবে এরপর আস্তে আস্তে হাতের সাহায্যে ভাঁজ করা অংশকে চাপ প্রয়োগ করতে হবে। এ সময় আপনার পিঠ, মাথা মেঝেতে সোজা অবস্থায় ও দু’হাঁটু ভাঁজ করা অবস্থায় আপনার বক্ষের ওপর স্পর্শ করে থাকবে ছবির ন্যায়। এভাবে আপনাকে ১–২ মিনিট অবস্থান করার পর পাদ্বয় সোজা করে শুয়ে থাকুন এবং পুনরায় আবার একইভাবে প্রথম থেকে শুরু করুন। প্রথম থেকে এভাবে কমপক্ষে ৭–৮ সেট করুন বা তার থেকে বেশি করতে পারেন। প্রথম অবস্থায় করতে গেলে সঠিকভাবে করতে পারবেন না বা সঠিকভাবে নাও হতে পারে তা বিচলিত হবার কিছু নাই। কয়েকবার করতে থাকুন দেখবেন অনায়েসে করতে পারবেন।

উপকারিতা : এই ব্যায়াম করলে হাঁপানির জন্য উপকারী, পাকস্থলী, যকৃত, প্লীহা বেশি কর্মক্ষম হয়, হজমশক্তি বাড়ে এবং যাদের পেটে গ্যাস বা গ্যাস্টিকের সমস্যা আছে তাদের উপকারে আসে।

খুব বেশি পর্ন দেখেন? জানেন কী ক্ষতি করছেন নিজের!

ব্যস্ত জীবনের মধ্যে পর্ন দেখার জন্য অনেকেই সময় বের করে নেন। অনেকেই দিনান্তে পর্ন দেখেন সাময়িক আনন্দলাভের আশায়। কিন্তু জানেন কি, বেশি মাত্রায় পর্ন দর্শন কতটা সর্বনাশ করছে আপনার? সমীক্ষা করে দেখা গিয়েছে, যাঁরা নিয়মিত পর্ন দেখেন, তাঁরা বিভিন্ন ধরনের সমস্যায় ভুগছেন। পৃথিবীর একাধিক দেশের পুরুষ, নারীর উপর এই সমীক্ষা চালিয়ে দেখা গিয়েছে ভয়ঙ্কর সব সমস্যার জন্ম দিচ্ছে এই অভ্যাস। মানসিক বিকৃতির জন্ম দেয়। অতিরিক্ত পর্ন মস্তিস্কের উপর চাপ ফেলে। স্বাভাবিক বিচক্ষণতা লুপ্ত হতে থাকে। বাস্তব থেকে দূরে সরিয়ে দেয় মানুষকে। বাস্তব এবং অবাস্তবের মধ্যে এক অদ্ভুত গুলিয়ে দেওয়া পরিস্থিতি তৈরি করে।

ক্রমশ নিজের ব্যক্তিগত আবেগ, ইমোশনের উপর থেকে নিয়ন্ত্রণ হারাতে শুরু করে। হঠাৎ রেগে যাওয়াও এক অন্যতম লক্ষণ। সর্বোপরি একটা সুস্থ জীবন থেকে আপনাকে ক্রমশ দূরে সরিয়ে নিয়ে যাবে আপনার পর্ন-দর্শন। শুধু জীবনসঙ্গী নয়, সন্তানদের থেকেও দূরে সরিয়ে নিয়ে যাবে আপনাকে। কারণ অতিরিক্ত পর্ন দেখলে পৃথিবীর স্বাভাবিক, নিষ্পাপ আনন্দ আপনি উপভোগ করতেই ভুলে যাবেন ধীরে ধীরে। ব্যক্তিগত জীবন অসুখী করে তোলে। সঙ্গীকে সুখী করা বা সঙ্গীর থেকে আনন্দ পাওয়ার ক্ষেত্রে অন্তরায় হয়ে দাঁড়ায় আপনার এই অভ্যাস।

রোদ পোহালেই দুর হবে যৌনসমস্যা ! পড়ুন তাহলে

পৃথিবীতে যে রোগের ওষুধ হিসেবে মাটির বড়ি বানিয়ে বিক্রি করলেও ক্রেতার অভাব হয় না, সেটা হলো যৌনঅক্ষমতা। এর জন্য টাকা খরচ করতে পিছুপা হয় না কেউ। কিন্তু রোদ পোহালেই বাড়তে পারে পুরুষের কামশক্তি। গবেষকরা তো তাই বলছেন। অস্ট্রিয়ার গ্রাজ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকেরা জানিয়েছেন, পুরুষের রক্তে যৌন হরমোন টেস্টোস্টেরন ভিটামিন ডি-র মাধ্যমে বৃদ্ধি পায়৷ আর ভিটামিন ডি-র প্রধান উৎস হল সূর্যালোক৷ ত্বকে সূর্যালোকের প্রভাবে রক্তে ভিটামিন ডি এর মাত্রা বৃদ্ধি পায়৷ এছাড়াও ভিটামিন ডি এর প্রধান উৎস হল মাছ এবং মাংস৷ গবেষকেরা জানিয়েছেন, রক্তে প্রতি মিলিলিটারে ভিটামিন ডি-র পরিমাণ যত বেশি হবে পুরুষের যৌন ক্ষমতা তত বাড়বে৷

গবেষণায় দেখা গেছে, সূর্যালোকের সাহায্যে পুরুষের রক্তে টেস্টোস্টেরনের মাত্রা প্রায় ৬৯ শতাংশ বৃদ্ধি পায়৷ পুরুষের যৌনতার ক্ষেত্রে এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি হরমোন৷ এই হরমোনটিই যৌনতার চরিত্র, শুক্রাণু উৎপাদন ও পুরুষের যৌন চাহিদাকে নিয়ন্ত্রণ করে৷ তবে গায়ে রোদ লাগানোর ক্ষেত্রে বরাবরের মতোই সকালের মিষ্টি রোদকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। কারণ, বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে সূর্য্যের আলোতে বাড়তে থাকে অতিবেগুনি রশ্মির প্রভাব। এটা ত্বকের ক্যান্সার সৃষ্টিসহ নানা শারীরিক সমস্যার জন্ম দেয়।

About the Author

Leave a comment

XHTML: You can use these html tags: <a href="" title=""> <abbr title=""> <acronym title=""> <b> <blockquote cite=""> <cite> <code> <del datetime=""> <em> <i> <q cite=""> <s> <strike> <strong>