যে ৬টি সবজি কখনো কাঁচা খাবেন না ! জেনে নিন !

আমাদের প্রতিদিনের খাদ্যাভ্যাসে সবজি একটি নিয়মিত খাবার। শীতকালে বাজারে পাওয়া যায় হরেক রকম সবজি। বিশেষ করে যাদের কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা রয়েছে তাদের জন্য সবজি খাওয়া বেশি উপকারী। তবে কিছু সবজি আছে যেগুলো আমরা রান্নার পাশাপাশি কাঁচা খেয়ে থাকি। কিন্তু হাতের নাগালে পাওয়া সবজি কাঁচা খাওয়া ঠিক নয়। গাঁজর, টমেটো ব্রোকলিসহ বেশকিছু সবজি রয়েছে যেগুলো আমরা রান্নার পাশাপাশি কাঁচাও খেয়ে থাকি। মূলত শরীরে পর্যাপ্ত পুষ্টি পাওয়ার কথা চিন্তা করেই আমরা এগুলো কাঁচা খেয়ে থাকি। কিন্তু আপনি জানেন কি, সব সবজি ও ফলই কাঁচা খাওয়া ঠিক নয়।

আসুন জেনে নেই কোন সবজি ও ফলগুলো কাঁচা খাওয়া ঠিক নয়।

টমেটো: টমেটো সারা বছরই পাওয়া যায়। এতে লাইকোপেন এবং অন্যান্য অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট উপাদান রয়েছে। রান্নার সময় এই পুষ্টি উপাদানগুলো সবজির কোষ ভেঙে বাইরে বেরিয়ে আসে। ফলে লাইকোপেন শরীরে শোষণ করতে সাহায্য করে।

আলু: আমরা কাচা আলু খেতে অভ্যস্ত নই।আলুর মতো সবজি রান্না করে খেলে বেটা ক্যারোটিনের উপাদান বেড়ে যায়। তাই কাচা আলু না খাওয়ায় ভালো।

গাঁজর: গাঁজর আমরা রান্না ও সারাতের সঙ্গে দুই ভাবেই খেয়ে থাকি। কিন্তু গাঁজর রান্না করে খেলে বেশি উপকার পাওয়া যায়।রান্নার ফলে গাঁজর থেকে অধিক পরিমাণে বেটা-ক্যারোটিন নির্গত হয়, যা আমাদের শরীরে ভিটামিন এতে রূপান্তরিত হয়।

ফুলকপি: ফুলকপি মোটে কাঁচা খাওয়া ঠিক নয়। হজমে ব্যাঘাত ঘটায়।তাই ফুলকপি রান্না করে খাওয়া উচিত।

পালংশাক: রান্না করলে পালংশাক থেকে বেশি পরিমাণে ক্যালসিয়াম, আয়রন ও ম্যাগনেসিয়াম পাওয়া যায়। রান্নার ফলে এতে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট উপাদান অটুট থাকে।

খুব বেশি পর্ন দেখেন? জানেন কী ক্ষতি করছেন নিজের!

ব্যস্ত জীবনের মধ্যে পর্ন দেখার জন্য অনেকেই সময় বের করে নেন। অনেকেই দিনান্তে পর্ন দেখেন সাময়িক আনন্দলাভের আশায়। কিন্তু জানেন কি, বেশি মাত্রায় পর্ন দর্শন কতটা সর্বনাশ করছে আপনার? সমীক্ষা করে দেখা গিয়েছে, যাঁরা নিয়মিত পর্ন দেখেন, তাঁরা বিভিন্ন ধরনের সমস্যায় ভুগছেন। পৃথিবীর একাধিক দেশের পুরুষ, নারীর উপর এই সমীক্ষা চালিয়ে দেখা গিয়েছে ভয়ঙ্কর সব সমস্যার জন্ম দিচ্ছে এই অভ্যাস। মানসিক বিকৃতির জন্ম দেয়। অতিরিক্ত পর্ন মস্তিস্কের উপর চাপ ফেলে। স্বাভাবিক বিচক্ষণতা লুপ্ত হতে থাকে। বাস্তব থেকে দূরে সরিয়ে দেয় মানুষকে। বাস্তব এবং অবাস্তবের মধ্যে এক অদ্ভুত গুলিয়ে দেওয়া পরিস্থিতি তৈরি করে।

ক্রমশ নিজের ব্যক্তিগত আবেগ, ইমোশনের উপর থেকে নিয়ন্ত্রণ হারাতে শুরু করে। হঠাৎ রেগে যাওয়াও এক অন্যতম লক্ষণ। সর্বোপরি একটা সুস্থ জীবন থেকে আপনাকে ক্রমশ দূরে সরিয়ে নিয়ে যাবে আপনার পর্ন-দর্শন। শুধু জীবনসঙ্গী নয়, সন্তানদের থেকেও দূরে সরিয়ে নিয়ে যাবে আপনাকে। কারণ অতিরিক্ত পর্ন দেখলে পৃথিবীর স্বাভাবিক, নিষ্পাপ আনন্দ আপনি উপভোগ করতেই ভুলে যাবেন ধীরে ধীরে। ব্যক্তিগত জীবন অসুখী করে তোলে। সঙ্গীকে সুখী করা বা সঙ্গীর থেকে আনন্দ পাওয়ার ক্ষেত্রে অন্তরায় হয়ে দাঁড়ায় আপনার এই অভ্যাস।

রোদ পোহালেই দুর হবে যৌনসমস্যা ! পড়ুন তাহলে

পৃথিবীতে যে রোগের ওষুধ হিসেবে মাটির বড়ি বানিয়ে বিক্রি করলেও ক্রেতার অভাব হয় না, সেটা হলো যৌনঅক্ষমতা। এর জন্য টাকা খরচ করতে পিছুপা হয় না কেউ। কিন্তু রোদ পোহালেই বাড়তে পারে পুরুষের কামশক্তি। গবেষকরা তো তাই বলছেন। অস্ট্রিয়ার গ্রাজ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকেরা জানিয়েছেন, পুরুষের রক্তে যৌন হরমোন টেস্টোস্টেরন ভিটামিন ডি-র মাধ্যমে বৃদ্ধি পায়৷ আর ভিটামিন ডি-র প্রধান উৎস হল সূর্যালোক৷ ত্বকে সূর্যালোকের প্রভাবে রক্তে ভিটামিন ডি এর মাত্রা বৃদ্ধি পায়৷ এছাড়াও ভিটামিন ডি এর প্রধান উৎস হল মাছ এবং মাংস৷ গবেষকেরা জানিয়েছেন, রক্তে প্রতি মিলিলিটারে ভিটামিন ডি-র পরিমাণ যত বেশি হবে পুরুষের যৌন ক্ষমতা তত বাড়বে৷

গবেষণায় দেখা গেছে, সূর্যালোকের সাহায্যে পুরুষের রক্তে টেস্টোস্টেরনের মাত্রা প্রায় ৬৯ শতাংশ বৃদ্ধি পায়৷ পুরুষের যৌনতার ক্ষেত্রে এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি হরমোন৷ এই হরমোনটিই যৌনতার চরিত্র, শুক্রাণু উৎপাদন ও পুরুষের যৌন চাহিদাকে নিয়ন্ত্রণ করে৷ তবে গায়ে রোদ লাগানোর ক্ষেত্রে বরাবরের মতোই সকালের মিষ্টি রোদকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। কারণ, বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে সূর্য্যের আলোতে বাড়তে থাকে অতিবেগুনি রশ্মির প্রভাব। এটা ত্বকের ক্যান্সার সৃষ্টিসহ নানা শারীরিক সমস্যার জন্ম দেয়।

About the Author

Leave a comment

XHTML: You can use these html tags: <a href="" title=""> <abbr title=""> <acronym title=""> <b> <blockquote cite=""> <cite> <code> <del datetime=""> <em> <i> <q cite=""> <s> <strike> <strong>