সাবধান! ওজন কমানোর চেষ্টায় আপনি ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হতে পারেন!

ওজন কমানোর চেষ্টায় উল্টো আপনার ওজন বেড়ে যেতে পারে বা আপনি ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হতে পারেন। ওজন কমাতে ডায়েট বা খাদ্যাভ্যাসে পরিবর্তন আনতে গিয়ে অনেকেই একটা ভুল করে বসেন। তারা হয়তো কোন এক বেলার খাবারই খান না বা একেবারেই অল্প খান। কিন্তু, তারা যেটা ভুলে যান, সেটা হলো সবকিছুই একটি পরিমিত মাত্রায় করা ভালো। কারণ, যে কোন এক বেলার খাবার না খেলে, শরীরের যা উপকার হবে, তার চেয়ে ক্ষতি হবে ঢের বেশি। এ ধরনের বিপজ্জনক অভ্যাসে আপনার শরীর অপরিহার্য পুষ্টি উপাদানসমূহ থেকে বঞ্চিত হয়। এটা বিপাকীয় বা হজম প্রক্রিয়াকে মারাত্মকভাবে প্রভাবিত করে, যার কারণে ওজন বেড়ে যায় বা ডায়াবেটিসের সমস্যায় আক্রান্ত হন ওই ব্যক্তি।

বিশেষ করে সকালের নাস্তা না খাওয়ার প্রবণতা অনেকের মধ্যেই দেখা যায়। তারা চান খুব দ্রুত অতিরিক্ত ওজন শরীর থেকে ঝেড়ে ফেলতে। তা করতে গিয়ে স্বাভাবিক বিপাকীয় প্রক্রিয়াকেই নষ্ট করে ফেলেন তারা। আমরা যে খাবার খাই, বিপাকীয় প্রক্রিয়ায় তা আরও ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র অংশে বিভক্ত হয়ে যায়। আর সেখান থেকে যে পুষ্টি-উপাদান শরীর গ্রহণ করে, তা আপনাকে সারাদিন সক্রিয় থাকতে সহায়তা করে। আপনি যখন কোন একটি বেলার খাবার খান না, তখন আপনার বিপাকীয় প্রক্রিয়া নিষ্ক্রিয় থাকে ও দুর্বল হয়ে পড়ে। ফলে, দিনের পরবর্তী ভাগে আপনি যে খাবারটি খান, সেটিকে ভাঙার মতো পর্যাপ্ত ক্ষমতা থাকে না বিপাকীয় প্রক্রিয়ার। খাবারগুলো সঞ্চিত হতে শুরু করে ও সেখান থেকে যে চর্বি উৎপন্ন হয়, তা দ্রুত ওজন বাড়িয়ে দেয়। শুধু তাই নয়।

খাবার না খাওয়ার প্রবণতা আপনার রক্তের গ্লুকোজের মাত্রাকে মারাত্মকভাবে প্রভাবিত করে। স্বাভাবিক বিপাকীয় প্রক্রিয়ার সময় সঞ্চিত খাবারের একটি অংশ তো চর্বিতে পরিণত হয়। বাকি অংশগুলো রক্তে সুগার হিসেবে মিশে যায়, যা আপনাকে সারা দিনের শক্তি যোগায়। অন্যদিকে, প্রতিদিন নিয়মিত বিরতিতে খাবার না খাওয়ার অভ্যাস আপনার রক্তে সুগারের মাত্রাকে ভয়াবহ মাত্রায় কমিয়ে আনে। আর, সেটাই পরবর্তীকালে ডায়াবেটিসে রূপ নেয়। তাই সঠিক সময়ে পরিমিত খাবার খাওয়ার অভ্যাস করুন। প্রতি বেলায় খাওয়ার জন্য একটি সুনির্দিষ্ট সময় অনুসরণ করুন। ওজন কমাতে গিয়ে অনিয়ম করে অযথা নিজের বিপদ ডেকে আনবেন না। স্বাস্থ্যসম্মত খাদ্যাভ্যাস গড়ে তুলুন, নিয়মিত ব্যায়াম করুন ও নিজেকে ফিট রাখুন।

সবাই এখন যা পড়ছে :-

খুব বেশি পর্ন দেখেন? জানেন কী ক্ষতি করছেন নিজের!

ব্যস্ত জীবনের মধ্যে পর্ন দেখার জন্য অনেকেই সময় বের করে নেন। অনেকেই দিনান্তে পর্ন দেখেন সাময়িক আনন্দলাভের আশায়। কিন্তু জানেন কি, বেশি মাত্রায় পর্ন দর্শন কতটা সর্বনাশ করছে আপনার? সমীক্ষা করে দেখা গিয়েছে, যাঁরা নিয়মিত পর্ন দেখেন, তাঁরা বিভিন্ন ধরনের সমস্যায় ভুগছেন। পৃথিবীর একাধিক দেশের পুরুষ, নারীর উপর এই সমীক্ষা চালিয়ে দেখা গিয়েছে ভয়ঙ্কর সব সমস্যার জন্ম দিচ্ছে এই অভ্যাস। মানসিক বিকৃতির জন্ম দেয়। অতিরিক্ত পর্ন মস্তিস্কের উপর চাপ ফেলে। স্বাভাবিক বিচক্ষণতা লুপ্ত হতে থাকে। বাস্তব থেকে দূরে সরিয়ে দেয় মানুষকে। বাস্তব এবং অবাস্তবের মধ্যে এক অদ্ভুত গুলিয়ে দেওয়া পরিস্থিতি তৈরি করে।

ক্রমশ নিজের ব্যক্তিগত আবেগ, ইমোশনের উপর থেকে নিয়ন্ত্রণ হারাতে শুরু করে। হঠাৎ রেগে যাওয়াও এক অন্যতম লক্ষণ। সর্বোপরি একটা সুস্থ জীবন থেকে আপনাকে ক্রমশ দূরে সরিয়ে নিয়ে যাবে আপনার পর্ন-দর্শন। শুধু জীবনসঙ্গী নয়, সন্তানদের থেকেও দূরে সরিয়ে নিয়ে যাবে আপনাকে। কারণ অতিরিক্ত পর্ন দেখলে পৃথিবীর স্বাভাবিক, নিষ্পাপ আনন্দ আপনি উপভোগ করতেই ভুলে যাবেন ধীরে ধীরে। ব্যক্তিগত জীবন অসুখী করে তোলে। সঙ্গীকে সুখী করা বা সঙ্গীর থেকে আনন্দ পাওয়ার ক্ষেত্রে অন্তরায় হয়ে দাঁড়ায় আপনার এই অভ্যাস।

রোদ পোহালেই দুর হবে যৌনসমস্যা ! পড়ুন তাহলে

পৃথিবীতে যে রোগের ওষুধ হিসেবে মাটির বড়ি বানিয়ে বিক্রি করলেও ক্রেতার অভাব হয় না, সেটা হলো যৌনঅক্ষমতা। এর জন্য টাকা খরচ করতে পিছুপা হয় না কেউ। কিন্তু রোদ পোহালেই বাড়তে পারে পুরুষের কামশক্তি। গবেষকরা তো তাই বলছেন। অস্ট্রিয়ার গ্রাজ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকেরা জানিয়েছেন, পুরুষের রক্তে যৌন হরমোন টেস্টোস্টেরন ভিটামিন ডি-র মাধ্যমে বৃদ্ধি পায়৷ আর ভিটামিন ডি-র প্রধান উৎস হল সূর্যালোক৷ ত্বকে সূর্যালোকের প্রভাবে রক্তে ভিটামিন ডি এর মাত্রা বৃদ্ধি পায়৷ এছাড়াও ভিটামিন ডি এর প্রধান উৎস হল মাছ এবং মাংস৷ গবেষকেরা জানিয়েছেন, রক্তে প্রতি মিলিলিটারে ভিটামিন ডি-র পরিমাণ যত বেশি হবে পুরুষের যৌন ক্ষমতা তত বাড়বে৷

গবেষণায় দেখা গেছে, সূর্যালোকের সাহায্যে পুরুষের রক্তে টেস্টোস্টেরনের মাত্রা প্রায় ৬৯ শতাংশ বৃদ্ধি পায়৷ পুরুষের যৌনতার ক্ষেত্রে এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি হরমোন৷ এই হরমোনটিই যৌনতার চরিত্র, শুক্রাণু উৎপাদন ও পুরুষের যৌন চাহিদাকে নিয়ন্ত্রণ করে৷ তবে গায়ে রোদ লাগানোর ক্ষেত্রে বরাবরের মতোই সকালের মিষ্টি রোদকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। কারণ, বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে সূর্য্যের আলোতে বাড়তে থাকে অতিবেগুনি রশ্মির প্রভাব। এটা ত্বকের ক্যান্সার সৃষ্টিসহ নানা শারীরিক সমস্যার জন্ম দেয়।

About the Author

Leave a comment

XHTML: You can use these html tags: <a href="" title=""> <abbr title=""> <acronym title=""> <b> <blockquote cite=""> <cite> <code> <del datetime=""> <em> <i> <q cite=""> <s> <strike> <strong>