হাঁচির সময় নাক-মুখ চেপে ধরছেন? তাহলে মারাত্মক বিপদ!

ঠান্ডা লাগলে কিংবা ধুলোবালি নাকে ঢুকলে হাঁচি কম বেশি সবারই হয়। আর হাঁচি সময় অনেকেই হাত দিয়ে নাক, মুখ চেপে ধরেন। এতে আপনার মারাত্মক বিপদ হতে পারে।

জেনে নিন কি মারাত্মক বিপদ হতে পারে!

ভারতীয় এক সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন থেকে জানা গেছে, সম্প্রতি এক গবেষণায় বলা হয়েছে হাঁচি দেওয়ার সময়ে নাক ও মুখ চেপে ধরলে আপনার গলার ভয়াবহ ক্ষতি হতে পারে। এমনকি, এতে করে আপনার কানের পর্দা পর্যন্ত ফেটে যাওয়ারও সম্ভাবনা থাকে।

গবেষকরদের দাবি, হাঁচির সময়ে নাক, মুখ হাত দিয়ে চেপে ধরলে দুই ফুসফুসের মধ্যে বাতাস আটকে গিয়ে বড় রকমের বিপদ ঘটতে পারে। এছাড়াও রক্তের কোনো কণা মস্তিষ্কে গিয়ে ধাক্কা দিতে পারে।

এমনই একটি ঘটনা ‘বিএমজে কেস রিপোর্ট’-এ প্রকাশিত হয়েছিল। সেখানে দেখা যায়, এক ব্যক্তি হাঁচির সময়ে নাক, মুখ চেপে ধরেছিলেন বলে তার গলার ভেতর এতোটাই আঘাত লাগে যার ফলে সে বেশ কয়েকদিন ঠিক মতো কথা বলতে পারেনি। এ সময় গলায় অধিক ব্যাথা কারণে খাবার ঠিক করে গিলতে খেতে পারছিলেন না। চিকিৎসকরা জানান, ওই ব্যক্তির কণ্ঠনালীর পিছন দিক় মারাত্মক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ফলে সে ঠিক মতো খাবার খেতে পারছে না ব্যাথা কারণে।

ওই ব্যক্তি জানান, হাঁচি দেওয়ার সময় নাক ও মুখ জোর করে চেপে ধরে রেখেছিলেন তিনি। আর এতে করে সঙ্গে সঙ্গেই ঘাড়ে আঘাত লেগেছিল তার। তারপরেই শুরু হয় গলায় ব্যাথা। এমন কি ওই সময় গলা দিয়ে স্পষ্ট আওয়াজ পর্যন্ত বন্ধ হয়ে যায়। তার এই অবস্থার কারণে হাসপাতালে পর্যন্ত ভর্তি হতে হয়। চিকিৎসকরা তার বুকের ভেতর থেকে মটমট শব্দ শুনতে পান। এই শব্দটি প্রথমে তার ঘাড়ের কাছ থেকে আসছিল। পরে তা পাঁজর পর্যন্ত পৌঁছায়।

চিকিৎসকরা আরো জানান, বুকের ভেতরে পেশিতে বাতাস আটকে থাকার ফলেই এই আওয়াজ আসছে। এই ব্যক্তিকে এ ঘটনায় ৭ দিন তাকে হাসপাতালে রেখে নলের মাধ্যমে খাওয়ানো হয়। তাই এই ধরনের ঘটনা এড়াতে চিকিৎসকরা হাঁচি দেওয়ার সময়ে নাক ও মুখ চেপে না ধারার পরামর্শ দিয়েছেন।

খুব বেশি পর্ন দেখেন? জানেন কী ক্ষতি করছেন নিজের!

ব্যস্ত জীবনের মধ্যে পর্ন দেখার জন্য অনেকেই সময় বের করে নেন। অনেকেই দিনান্তে পর্ন দেখেন সাময়িক আনন্দলাভের আশায়। কিন্তু জানেন কি, বেশি মাত্রায় পর্ন দর্শন কতটা সর্বনাশ করছে আপনার? সমীক্ষা করে দেখা গিয়েছে, যাঁরা নিয়মিত পর্ন দেখেন, তাঁরা বিভিন্ন ধরনের সমস্যায় ভুগছেন। পৃথিবীর একাধিক দেশের পুরুষ, নারীর উপর এই সমীক্ষা চালিয়ে দেখা গিয়েছে ভয়ঙ্কর সব সমস্যার জন্ম দিচ্ছে এই অভ্যাস। মানসিক বিকৃতির জন্ম দেয়। অতিরিক্ত পর্ন মস্তিস্কের উপর চাপ ফেলে। স্বাভাবিক বিচক্ষণতা লুপ্ত হতে থাকে। বাস্তব থেকে দূরে সরিয়ে দেয় মানুষকে। বাস্তব এবং অবাস্তবের মধ্যে এক অদ্ভুত গুলিয়ে দেওয়া পরিস্থিতি তৈরি করে।

ক্রমশ নিজের ব্যক্তিগত আবেগ, ইমোশনের উপর থেকে নিয়ন্ত্রণ হারাতে শুরু করে। হঠাৎ রেগে যাওয়াও এক অন্যতম লক্ষণ। সর্বোপরি একটা সুস্থ জীবন থেকে আপনাকে ক্রমশ দূরে সরিয়ে নিয়ে যাবে আপনার পর্ন-দর্শন। শুধু জীবনসঙ্গী নয়, সন্তানদের থেকেও দূরে সরিয়ে নিয়ে যাবে আপনাকে। কারণ অতিরিক্ত পর্ন দেখলে পৃথিবীর স্বাভাবিক, নিষ্পাপ আনন্দ আপনি উপভোগ করতেই ভুলে যাবেন ধীরে ধীরে। ব্যক্তিগত জীবন অসুখী করে তোলে। সঙ্গীকে সুখী করা বা সঙ্গীর থেকে আনন্দ পাওয়ার ক্ষেত্রে অন্তরায় হয়ে দাঁড়ায় আপনার এই অভ্যাস।

রোদ পোহালেই দুর হবে যৌনসমস্যা ! পড়ুন তাহলে

পৃথিবীতে যে রোগের ওষুধ হিসেবে মাটির বড়ি বানিয়ে বিক্রি করলেও ক্রেতার অভাব হয় না, সেটা হলো যৌনঅক্ষমতা। এর জন্য টাকা খরচ করতে পিছুপা হয় না কেউ। কিন্তু রোদ পোহালেই বাড়তে পারে পুরুষের কামশক্তি। গবেষকরা তো তাই বলছেন। অস্ট্রিয়ার গ্রাজ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকেরা জানিয়েছেন, পুরুষের রক্তে যৌন হরমোন টেস্টোস্টেরন ভিটামিন ডি-র মাধ্যমে বৃদ্ধি পায়৷ আর ভিটামিন ডি-র প্রধান উৎস হল সূর্যালোক৷ ত্বকে সূর্যালোকের প্রভাবে রক্তে ভিটামিন ডি এর মাত্রা বৃদ্ধি পায়৷ এছাড়াও ভিটামিন ডি এর প্রধান উৎস হল মাছ এবং মাংস৷ গবেষকেরা জানিয়েছেন, রক্তে প্রতি মিলিলিটারে ভিটামিন ডি-র পরিমাণ যত বেশি হবে পুরুষের যৌন ক্ষমতা তত বাড়বে৷

গবেষণায় দেখা গেছে, সূর্যালোকের সাহায্যে পুরুষের রক্তে টেস্টোস্টেরনের মাত্রা প্রায় ৬৯ শতাংশ বৃদ্ধি পায়৷ পুরুষের যৌনতার ক্ষেত্রে এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি হরমোন৷ এই হরমোনটিই যৌনতার চরিত্র, শুক্রাণু উৎপাদন ও পুরুষের যৌন চাহিদাকে নিয়ন্ত্রণ করে৷ তবে গায়ে রোদ লাগানোর ক্ষেত্রে বরাবরের মতোই সকালের মিষ্টি রোদকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। কারণ, বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে সূর্য্যের আলোতে বাড়তে থাকে অতিবেগুনি রশ্মির প্রভাব। এটা ত্বকের ক্যান্সার সৃষ্টিসহ নানা শারীরিক সমস্যার জন্ম দেয়।

About the Author

Leave a comment

XHTML: You can use these html tags: <a href="" title=""> <abbr title=""> <acronym title=""> <b> <blockquote cite=""> <cite> <code> <del datetime=""> <em> <i> <q cite=""> <s> <strike> <strong>