পারফিউমের গন্ধ বেশিক্ষন থাকছেনা? তাহলে এটা আপনার জন্য!

বড় শখ করে ব্রান্ডের একটি পারফিউম কিনলেন। দুপুরেই যাবেন বন্ধুর বিয়ে খেতে । শখের পারফিউম কাপরে মেখে চলে গেলেন কমিউনিটি সেন্টারে। সেখানে গিয়ে খেয়াল হল গা থেকে সুগদ্ধি বের হচ্ছেনা। আমাদের অনেকের ধারণা যত বেশি করে সুগন্ধী লাগানো হবে গন্ধ তত বেশিক্ষণ থাকবে | এটা কিন্তু সম্পূর্ণ ভুল ধারণা | আজকে রইলো এমন টিপস যা মেনে চললে দেখবেন আপনার সুগন্ধীর গন্ধ দীর্ঘস্থায়ী হচ্ছে |

চুল অনেক বেশিক্ষণ পর্যন্ত সুগন্ধ ধরে রাখতে পারে। তাই, চুলে স্প্রে করে নিন পারফিউম। ভাবছেন, চুলে পারফিউম লাগালে ক্ষতি হতে পারে চুলের। না, ভয় নেই, অল্প একটু পারফিউম আপনার চুলের তেমন কোনও ক্ষতি করবে না। তাও যদি মন না চায়, চিরুনিতে লাগিয়ে নিন পারফিউম। আঁচড়ানোর সময় সুগন্ধিত হবে চুল আর সেই সুগন্ধ থাকবে অনেকক্ষণ।

কোনদিন সুগন্ধী স্যাঁতসেঁতে জায়গায় রাখবেন না : বাথরুমে বা ড্যাম্প ধরা জায়গায় পারফিউম বা সুগন্ধী না রাখাই ভালো | আর্দ্রতা আর গরমের ফলে কিন্তু গন্ধ চলে যেতে পারে | শুকনো এবং ঠান্ডা জায়গায় পারফিউম রাখার চেষ্টা করুন |

অন্যান্য বিউটি প্রোডাক্টের মতো পারফিউম ব্যবহারের আগেও ঝাঁকিয়ে নেন? এই অভ্যাস এবার ছাড়ুন। কারণ, পারফিউমের বোতল ঝাঁকালে তার ভিতর গ্যাস তৈরি হয়। ফলে, পারফিউমের গন্ধ তাড়াতাড়িউড়েযায়।

পারফিউম লাগিয়ে তারপর দুই হাতের কব্জি ঘষে নেওয়া মোটেই ভালো আইডিয়া নয় | এর ফলে সুগন্ধীর সব থেকে ওপরের স্তর দ্রুত উড়ে যাবে | ফলে গন্ধ দীর্ঘস্থায়ী হবে না |

পারফিউম লাগানোর আগে শরীরের দরকার ময়শ্চারাইজ়েশন। তাই, গন্ধহীন কোনও ক্রিম বা বডি লোশন মেখে নিন। সুগন্ধ বজায় থাকবে অনেকক্ষণ।

পালস পয়েন্ট মানে শরীরের ওইসব জায়গা যেখানে হার্ট বিট অনুভব করা যায় | যেমন হাতের কব্জি‚ কনুইয়ের ভেতরের অংশে ‚ গলা‚ কানের পিছনে বা হাঁটুর নীচের অংশে | এই সব জায়গায় হিট জেনারেট হয় | এর ফলে শরীর থেকে ন্যাচারাল অয়েল বেরোয় যা সুগন্ধীর সঙ্গে মিশে গন্ধ দীর্ঘক্ষণ ধরে রাখতে সাহায্য করে |

খুব বেশি পর্ন দেখেন? জানেন কী ক্ষতি করছেন নিজের!

ব্যস্ত জীবনের মধ্যে পর্ন দেখার জন্য অনেকেই সময় বের করে নেন। অনেকেই দিনান্তে পর্ন দেখেন সাময়িক আনন্দলাভের আশায়। কিন্তু জানেন কি, বেশি মাত্রায় পর্ন দর্শন কতটা সর্বনাশ করছে আপনার? সমীক্ষা করে দেখা গিয়েছে, যাঁরা নিয়মিত পর্ন দেখেন, তাঁরা বিভিন্ন ধরনের সমস্যায় ভুগছেন। পৃথিবীর একাধিক দেশের পুরুষ, নারীর উপর এই সমীক্ষা চালিয়ে দেখা গিয়েছে ভয়ঙ্কর সব সমস্যার জন্ম দিচ্ছে এই অভ্যাস। মানসিক বিকৃতির জন্ম দেয়। অতিরিক্ত পর্ন মস্তিস্কের উপর চাপ ফেলে। স্বাভাবিক বিচক্ষণতা লুপ্ত হতে থাকে। বাস্তব থেকে দূরে সরিয়ে দেয় মানুষকে। বাস্তব এবং অবাস্তবের মধ্যে এক অদ্ভুত গুলিয়ে দেওয়া পরিস্থিতি তৈরি করে।

ক্রমশ নিজের ব্যক্তিগত আবেগ, ইমোশনের উপর থেকে নিয়ন্ত্রণ হারাতে শুরু করে। হঠাৎ রেগে যাওয়াও এক অন্যতম লক্ষণ। সর্বোপরি একটা সুস্থ জীবন থেকে আপনাকে ক্রমশ দূরে সরিয়ে নিয়ে যাবে আপনার পর্ন-দর্শন। শুধু জীবনসঙ্গী নয়, সন্তানদের থেকেও দূরে সরিয়ে নিয়ে যাবে আপনাকে। কারণ অতিরিক্ত পর্ন দেখলে পৃথিবীর স্বাভাবিক, নিষ্পাপ আনন্দ আপনি উপভোগ করতেই ভুলে যাবেন ধীরে ধীরে। ব্যক্তিগত জীবন অসুখী করে তোলে। সঙ্গীকে সুখী করা বা সঙ্গীর থেকে আনন্দ পাওয়ার ক্ষেত্রে অন্তরায় হয়ে দাঁড়ায় আপনার এই অভ্যাস।

রোদ পোহালেই দুর হবে যৌনসমস্যা ! পড়ুন তাহলে

পৃথিবীতে যে রোগের ওষুধ হিসেবে মাটির বড়ি বানিয়ে বিক্রি করলেও ক্রেতার অভাব হয় না, সেটা হলো যৌনঅক্ষমতা। এর জন্য টাকা খরচ করতে পিছুপা হয় না কেউ। কিন্তু রোদ পোহালেই বাড়তে পারে পুরুষের কামশক্তি। গবেষকরা তো তাই বলছেন। অস্ট্রিয়ার গ্রাজ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকেরা জানিয়েছেন, পুরুষের রক্তে যৌন হরমোন টেস্টোস্টেরন ভিটামিন ডি-র মাধ্যমে বৃদ্ধি পায়৷ আর ভিটামিন ডি-র প্রধান উৎস হল সূর্যালোক৷ ত্বকে সূর্যালোকের প্রভাবে রক্তে ভিটামিন ডি এর মাত্রা বৃদ্ধি পায়৷ এছাড়াও ভিটামিন ডি এর প্রধান উৎস হল মাছ এবং মাংস৷ গবেষকেরা জানিয়েছেন, রক্তে প্রতি মিলিলিটারে ভিটামিন ডি-র পরিমাণ যত বেশি হবে পুরুষের যৌন ক্ষমতা তত বাড়বে৷ গবেষণায় দেখা গেছে, সূর্যালোকের সাহায্যে পুরুষের রক্তে টেস্টোস্টেরনের মাত্রা প্রায় ৬৯ শতাংশ বৃদ্ধি পায়৷ পুরুষের যৌনতার ক্ষেত্রে এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি হরমোন৷ এই হরমোনটিই যৌনতার চরিত্র, শুক্রাণু উৎপাদন ও পুরুষের যৌন চাহিদাকে নিয়ন্ত্রণ করে৷ তবে গায়ে রোদ লাগানোর ক্ষেত্রে বরাবরের মতোই সকালের মিষ্টি রোদকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। কারণ, বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে সূর্য্যের আলোতে বাড়তে থাকে অতিবেগুনি রশ্মির প্রভাব। এটা ত্বকের ক্যান্সার সৃষ্টিসহ নানা শারীরিক সমস্যার জন্ম দেয়।

About the Author

Leave a comment

XHTML: You can use these html tags: <a href="" title=""> <abbr title=""> <acronym title=""> <b> <blockquote cite=""> <cite> <code> <del datetime=""> <em> <i> <q cite=""> <s> <strike> <strong>