বগলের কালো দাগ দূর করার ঘরোয়া উপায় জেনে নিন!

আন্ডারআর্ম বা বগলের কালো দাগ অনেকের জীবনের খুব সাধারণ সমস্যা। মরা কোষ জমে থাকার কারণে বগলের নিচের অংশ কালো হয়ে যায়। মরা কোষ ছাড়াও শেভ করার কারণে, ঘামের কারণ; এমনকি ডিওডোরেন্ট ব্যবহারের কারণেও বগলের নিচে কালো দাগ পড়ে। বিশেষ করে যাঁরা স্লিভলেস পোশাক পরতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন, তাঁদের বগলের নিচে কালো দাগ থাকলে তো একদম চলবে না। এটি কেবল অস্বস্তিকরই নয়, এর সঙ্গে চুলকানি এবং গন্ধের ঝামেলা তো রয়েছেই।

নানান ক্রিম ব্যবহার করে এই দাগ সাময়িক ভাবে দূর করা যায়, কিন্তু আমাদেরই ভুলে সেটা আবার ফিরে আসে। কী করবেন? জেনে নিন কিছু দারুণ টিপস, যেগুলো কেবল আপনার বগলের কালো দাগ দূর করবেই না বরং দাগ সরিয়ে সবসময় বগলকে ফর্সা ও সুন্দর রাখবে।

বগলের দাগ দূর করতে লেবুর রস খুব সহজ, তবে কার্যকর একটি উপায়। লেবুর স্লাইস হাতে নিয়ে বগলের নিচে পাঁচ মিনিট ঘষুন। এবার পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। টানা ২১ দিন এভাবে লেবু দিয়ে বগলের নিচে ঘষুন। দেখবেন, কালো দাগ একেবারই দূর হয়ে যাবে।

শসার রসের সঙ্গে সামান্য লেবুর রস ও এক চিমটি হলুদের গুঁড়া একসঙ্গে মিশিয়ে বগলের নিচে লাগিয়ে রাখুন। ২০ মিনিট পর পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। এতে বগলের দাগ দূর হবে সহজেই।

চন্দনের গুঁড়া গোলাপজলের সঙ্গে মিশিয়ে ঘন মিশ্রণ তৈরি করুন। বগলের নিচে লাগিয়ে ১৫ মিনিট রেখে দিন। এবার পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। দেখবেন, বগলের কালো দাগ দূর হয়ে উজ্জ্বল হবে।

ময়দার সঙ্গে এক চা চামচ টক দই মিশিয়ে ঘন মিশ্রণ তৈরি করুন। এবার এই প্যাক বগলের নিচে লাগান। এভাবে দুই ঘণ্টা রেখে দিন। এরপর হালকাভাবে ম্যাসাজ করে পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। এতে বগলের নিচের কালচে ভাব দূর হবে।

বগলের কালো দাগ দূর করার জন্য শসা বা আলুর রস খুবই দারুণ একটি জিনিস। দিনে দুবার বগলে শসা বা আলুর রস লাগিয়ে রাখুন। ১৫/২০ মিনিট পর শুকিয়ে গেলে উষ্ণ পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। রসের বদলে থেঁতো করা আলু বা শসাও ব্যবহার করতে পারেন।

বেকিং সোডার সাথে পানি মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করে নিন। এই পেস্ট বগলে লাগিয়ে রাখুন। শুকিয়ে গেলে ধুয়ে ফেলুন। সপ্তাহে বেশ কয়েকবার এটা করুন। কালো দাগ তো দূর হবেই, নতুন দাগ হবে না।

২ টেবিল চামচ কাঁচা দুধ, ১ টেবিল চামচ দই, ১ টেবিল চামচ ময়দা মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করে নিন। এই পেস্ট বগলে মাখুন।সপ্তাহে ২/৩ বার নিয়মিত ব্যবহারে কালো দাগ দূর হবে আবার বগলে নতুন করে দাগও হবে না।

রোদ পোহালেই দুর হবে যৌনসমস্যা ! পড়ুন তাহলে

পৃথিবীতে যে রোগের ওষুধ হিসেবে মাটির বড়ি বানিয়ে বিক্রি করলেও ক্রেতার অভাব হয় না, সেটা হলো যৌনঅক্ষমতা। এর জন্য টাকা খরচ করতে পিছুপা হয় না কেউ। কিন্তু রোদ পোহালেই বাড়তে পারে পুরুষের কামশক্তি। গবেষকরা তো তাই বলছেন। অস্ট্রিয়ার গ্রাজ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকেরা জানিয়েছেন, পুরুষের রক্তে যৌন হরমোন টেস্টোস্টেরন ভিটামিন ডি-র মাধ্যমে বৃদ্ধি পায়৷ আর ভিটামিন ডি-র প্রধান উৎস হল সূর্যালোক৷ ত্বকে সূর্যালোকের প্রভাবে রক্তে ভিটামিন ডি এর মাত্রা বৃদ্ধি পায়৷ এছাড়াও ভিটামিন ডি এর প্রধান উৎস হল মাছ এবং মাংস৷ গবেষকেরা জানিয়েছেন, রক্তে প্রতি মিলিলিটারে ভিটামিন ডি-র পরিমাণ যত বেশি হবে পুরুষের যৌন ক্ষমতা তত বাড়বে৷

গবেষণায় দেখা গেছে, সূর্যালোকের সাহায্যে পুরুষের রক্তে টেস্টোস্টেরনের মাত্রা প্রায় ৬৯ শতাংশ বৃদ্ধি পায়৷ পুরুষের যৌনতার ক্ষেত্রে এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি হরমোন৷ এই হরমোনটিই যৌনতার চরিত্র, শুক্রাণু উৎপাদন ও পুরুষের যৌন চাহিদাকে নিয়ন্ত্রণ করে৷ তবে গায়ে রোদ লাগানোর ক্ষেত্রে বরাবরের মতোই সকালের মিষ্টি রোদকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। কারণ, বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে সূর্য্যের আলোতে বাড়তে থাকে অতিবেগুনি রশ্মির প্রভাব। এটা ত্বকের ক্যান্সার সৃষ্টিসহ নানা শারীরিক সমস্যার জন্ম দেয়।

About the Author

Leave a comment

XHTML: You can use these html tags: <a href="" title=""> <abbr title=""> <acronym title=""> <b> <blockquote cite=""> <cite> <code> <del datetime=""> <em> <i> <q cite=""> <s> <strike> <strong>