ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখে তেঁতুল! রয়েছে অারও দারুন সব স্বাস্থ্য উপকারিতা!

গবেষণায় দেখা গেছে তেঁতুলে প্রচুর মাত্রায় ভিটামিন সি, ই এবং বি রয়েছে৷ এছাড়াও রয়েছে ক্যালসিয়াম, আয়রন, ফসফরাস, পটাশিয়াম, ম্যাঙ্গানিজ এবং ডায়াটারি ফাইবার যা স্বাস্থ্যের পক্ষে ভীষণই উপকারী। তেঁতুল শক্তিশালী অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের ভান্ডার, যা শরীরে পক্ষে অত্যন্ত উপকারী। চলুন তাহলে জেনে নেয়া যাক তেঁতুলের নানাবিধ স্বাস্থ্য উপকারিতা সম্পর্কে-

⇒তেঁতুল একটি ফ্যাট ফ্রি খাবার৷ এতে উচ্চ মাত্রায় ফাইবারও আছে৷ গবেষণায় প্রমাণিত রোজ তেঁতুল খেলে ওজন কমে। তেঁতুলে থাকা হাইড্রক্সাইটিসট্রিক এসিড খিদে কমিয়ে দেয়৷ ফলে কমে ওজন৷

⇒তেঁতুলের বীজ ডায়বেটিক রোগীদের পক্ষে উপকারী৷ তেঁতুল বীজে এমন একধরনের এনজাইমের দেখা মেলে যা ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ করে৷

⇒পেট ব্যথা বা কোষ্ঠকাঠিন্যর মতো সমস্যা থেকে সমাধানে তেঁতুল গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিতে পারে। তেঁতুলের মধ্যে টারটারিক অ্যাসিড, ম্যালিক অ্যাসিড এবং পটাশিয়ামের উৎস যা কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা দূর করতে সাহায্য করে।

⇒তেঁতুল একাধিক ভিটামিন ও মিনারেলের ভান্ডার৷ ব্লাড প্রেসার, রক্তে কোলেস্টেরলের মাত্রা ঠিক রাখতেই কাজে লাগানো যেতে পারে তেঁতুলকে৷

⇒তেঁতুলে উচ্চ পরিমাণে অ্যান্টি অক্সিডেন্ট আছে যা ত্বকের পক্ষে ভীষণই উপকারী । কিডনি ফেলিওর এবং ক্যান্সার রোধেও তেঁতুলের ভূমিকা আছে৷ তেঁতুল গাছের পাতা এবং ছালের অ্যান্টি সেপটিক এবং অ্যান্টি ব্যাকটেরিয়ালের গুণের জন্য ক্ষত সারাতে কাজে লাগানো হয়৷

⇒ব্রণের সমস্যা দূর করতেও উপকারী তেঁতুল। মরা কোষ তুলতে ও ত্বককে উজ্জ্বল করতে সাহায্য করে তেঁতুল৷ এছাড়া তেঁতুল আল্ট্রাভায়োলেট রে থেকে ত্বককে রক্ষা করে৷

⇒রক্তাল্পতাতেও উপকারী তেঁতুল৷ এতে রয়েছে প্রচুর মাত্রায় আয়রন, যা অ্যানিমিয়া নিরাময়ে কাজ দেয়৷ এছাড়া প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি থাকায় তেঁতুল খেলে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে৷

সবাই এখন যা পড়ছে :-

খুব বেশি পর্ন দেখেন? জানেন কী ক্ষতি করছেন নিজের!

ব্যস্ত জীবনের মধ্যে পর্ন দেখার জন্য অনেকেই সময় বের করে নেন। অনেকেই দিনান্তে পর্ন দেখেন সাময়িক আনন্দলাভের আশায়। কিন্তু জানেন কি, বেশি মাত্রায় পর্ন দর্শন কতটা সর্বনাশ করছে আপনার? সমীক্ষা করে দেখা গিয়েছে, যাঁরা নিয়মিত পর্ন দেখেন, তাঁরা বিভিন্ন ধরনের সমস্যায় ভুগছেন। পৃথিবীর একাধিক দেশের পুরুষ, নারীর উপর এই সমীক্ষা চালিয়ে দেখা গিয়েছে ভয়ঙ্কর সব সমস্যার জন্ম দিচ্ছে এই অভ্যাস। মানসিক বিকৃতির জন্ম দেয়। অতিরিক্ত পর্ন মস্তিস্কের উপর চাপ ফেলে। স্বাভাবিক বিচক্ষণতা লুপ্ত হতে থাকে। বাস্তব থেকে দূরে সরিয়ে দেয় মানুষকে। বাস্তব এবং অবাস্তবের মধ্যে এক অদ্ভুত গুলিয়ে দেওয়া পরিস্থিতি তৈরি করে।

ক্রমশ নিজের ব্যক্তিগত আবেগ, ইমোশনের উপর থেকে নিয়ন্ত্রণ হারাতে শুরু করে। হঠাৎ রেগে যাওয়াও এক অন্যতম লক্ষণ। সর্বোপরি একটা সুস্থ জীবন থেকে আপনাকে ক্রমশ দূরে সরিয়ে নিয়ে যাবে আপনার পর্ন-দর্শন। শুধু জীবনসঙ্গী নয়, সন্তানদের থেকেও দূরে সরিয়ে নিয়ে যাবে আপনাকে। কারণ অতিরিক্ত পর্ন দেখলে পৃথিবীর স্বাভাবিক, নিষ্পাপ আনন্দ আপনি উপভোগ করতেই ভুলে যাবেন ধীরে ধীরে। ব্যক্তিগত জীবন অসুখী করে তোলে। সঙ্গীকে সুখী করা বা সঙ্গীর থেকে আনন্দ পাওয়ার ক্ষেত্রে অন্তরায় হয়ে দাঁড়ায় আপনার এই অভ্যাস।

রোদ পোহালেই দুর হবে যৌনসমস্যা ! পড়ুন তাহলে

পৃথিবীতে যে রোগের ওষুধ হিসেবে মাটির বড়ি বানিয়ে বিক্রি করলেও ক্রেতার অভাব হয় না, সেটা হলো যৌনঅক্ষমতা। এর জন্য টাকা খরচ করতে পিছুপা হয় না কেউ। কিন্তু রোদ পোহালেই বাড়তে পারে পুরুষের কামশক্তি। গবেষকরা তো তাই বলছেন। অস্ট্রিয়ার গ্রাজ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকেরা জানিয়েছেন, পুরুষের রক্তে যৌন হরমোন টেস্টোস্টেরন ভিটামিন ডি-র মাধ্যমে বৃদ্ধি পায়৷ আর ভিটামিন ডি-র প্রধান উৎস হল সূর্যালোক৷ ত্বকে সূর্যালোকের প্রভাবে রক্তে ভিটামিন ডি এর মাত্রা বৃদ্ধি পায়৷ এছাড়াও ভিটামিন ডি এর প্রধান উৎস হল মাছ এবং মাংস৷ গবেষকেরা জানিয়েছেন, রক্তে প্রতি মিলিলিটারে ভিটামিন ডি-র পরিমাণ যত বেশি হবে পুরুষের যৌন ক্ষমতা তত বাড়বে৷

গবেষণায় দেখা গেছে, সূর্যালোকের সাহায্যে পুরুষের রক্তে টেস্টোস্টেরনের মাত্রা প্রায় ৬৯ শতাংশ বৃদ্ধি পায়৷ পুরুষের যৌনতার ক্ষেত্রে এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি হরমোন৷ এই হরমোনটিই যৌনতার চরিত্র, শুক্রাণু উৎপাদন ও পুরুষের যৌন চাহিদাকে নিয়ন্ত্রণ করে৷ তবে গায়ে রোদ লাগানোর ক্ষেত্রে বরাবরের মতোই সকালের মিষ্টি রোদকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। কারণ, বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে সূর্য্যের আলোতে বাড়তে থাকে অতিবেগুনি রশ্মির প্রভাব। এটা ত্বকের ক্যান্সার সৃষ্টিসহ নানা শারীরিক সমস্যার জন্ম দেয়।

About the Author

Leave a comment

XHTML: You can use these html tags: <a href="" title=""> <abbr title=""> <acronym title=""> <b> <blockquote cite=""> <cite> <code> <del datetime=""> <em> <i> <q cite=""> <s> <strike> <strong>