সঙ্গিনীকে সুখী রাখতে পুরুষাঙ্গের গড় দৈর্ঘ্য কত হওয়া উচিত !

পুরুষাঙ্গের দৈর্ঘ্য নিয়ে অনেকের মনেই সংশয় থাকে। নিজের পুরুষাঙ্গ নিয়ে চিন্তায় থাকেন বহু ব্যক্তিই। বিশেষত বিয়ের আগে অনেক পুরুষই সংশয়ে থাকেন, তাঁর পুরুষাঙ্গটি সঙ্গিনীকে সুখ দিতে পারবে কি না? যদিও ভারতে এই বিষয়ে প্রকাশ্যে আলোচনা করতে অনেকেই লজ্জা পান। যেটুকু অবৈজ্ঞানিকভাবে আলোচনা হয়, পুরোটাই ঘনিষ্ঠ বন্ধুদের বৃত্তে।

কিন্তু এবার প্রায় ১৫ হাজার সুস্থ ও স্বাভাবিক পুরুষের উপর এক বড় মাপের সমীক্ষা চালিয়ে গবেষকরা পুরুষাঙ্গের গড় দৈর্ঘ্য জানতে পেরেছেন। তাঁরা জানাচ্ছেন, ঠিক কতটা লম্বা হলে কারও পুরুষাঙ্গকে স্বাভাবিক বলা যাবে। লন্ডনের কিংস কলেজ ও এনএইচএস ট্রাস্ট সমীক্ষাটি চালিয়েছে। গবেষকদের বক্তব্য, নিজের পুরুষাঙ্গের আকৃতি ও দৈর্ঘ্য নিয়ে অনেকেই চিন্তা ও সংশয়ে ভোগেন। কিন্তু এবার সেই সংশয় কাটিয়ে দেখে নেওয়া যাবে, আপনার পুরুষাঙ্গটি স্বাভাবিক কি না।

[কানের লতিতে কাপড় মেলার ক্লিপ লাগিয়েই মিলবে যৌনতৃপ্তি] পুরুষাঙ্গের দুটি রূপের দৈর্ঘ্যই জানিয়েছেন গবেষকরা। একটি যখন কারও পুরুষাঙ্গ স্বাভাবিক অবস্থায় থাকে বা নরম ও ইষৎ বাঁকা অবস্থায় থাকে। এই অবস্থায় স্বাভাবিক পুরুষাঙ্গের দৈর্ঘ্য হওয়া উচিত ৯.১৬ সেন্টিমিটার লম্বা। আর ‘ইরেক্ট’ অবস্থায় বা দৃঢ় ও উত্তেজিত অবস্থায় পুরুষাঙ্গের দৈর্ঘ্য হওয়া উচিত ১৩.২৪ সেন্টিমিটার। তবে এটাই একমাত্র দৈর্ঘ্য নয়। গবেষকরা বলছেন, এই দৈর্ঘ্যের চেয়ে একটু কমবেশি হলেই যে কেউ সুস্থ নন, এমনটা ভাবার দরকার নেই। গবেষণা বলছে, একজন পূর্ণবয়স্ক ব্যক্তির উচ্চতার উপরেও তাঁর পুরুষাঙ্গের দৈর্ঘ্য খানিকটা নির্ভর করে।

সবাই এখন যা পড়ছে :-

খুব বেশি পর্ন দেখেন? জানেন কী ক্ষতি করছেন নিজের!

ব্যস্ত জীবনের মধ্যে পর্ন দেখার জন্য অনেকেই সময় বের করে নেন। অনেকেই দিনান্তে পর্ন দেখেন সাময়িক আনন্দলাভের আশায়। কিন্তু জানেন কি, বেশি মাত্রায় পর্ন দর্শন কতটা সর্বনাশ করছে আপনার? সমীক্ষা করে দেখা গিয়েছে, যাঁরা নিয়মিত পর্ন দেখেন, তাঁরা বিভিন্ন ধরনের সমস্যায় ভুগছেন। পৃথিবীর একাধিক দেশের পুরুষ, নারীর উপর এই সমীক্ষা চালিয়ে দেখা গিয়েছে ভয়ঙ্কর সব সমস্যার জন্ম দিচ্ছে এই অভ্যাস। মানসিক বিকৃতির জন্ম দেয়। অতিরিক্ত পর্ন মস্তিস্কের উপর চাপ ফেলে। স্বাভাবিক বিচক্ষণতা লুপ্ত হতে থাকে। বাস্তব থেকে দূরে সরিয়ে দেয় মানুষকে। বাস্তব এবং অবাস্তবের মধ্যে এক অদ্ভুত গুলিয়ে দেওয়া পরিস্থিতি তৈরি করে।

ক্রমশ নিজের ব্যক্তিগত আবেগ, ইমোশনের উপর থেকে নিয়ন্ত্রণ হারাতে শুরু করে। হঠাৎ রেগে যাওয়াও এক অন্যতম লক্ষণ। সর্বোপরি একটা সুস্থ জীবন থেকে আপনাকে ক্রমশ দূরে সরিয়ে নিয়ে যাবে আপনার পর্ন-দর্শন। শুধু জীবনসঙ্গী নয়, সন্তানদের থেকেও দূরে সরিয়ে নিয়ে যাবে আপনাকে। কারণ অতিরিক্ত পর্ন দেখলে পৃথিবীর স্বাভাবিক, নিষ্পাপ আনন্দ আপনি উপভোগ করতেই ভুলে যাবেন ধীরে ধীরে। ব্যক্তিগত জীবন অসুখী করে তোলে। সঙ্গীকে সুখী করা বা সঙ্গীর থেকে আনন্দ পাওয়ার ক্ষেত্রে অন্তরায় হয়ে দাঁড়ায় আপনার এই অভ্যাস।

রোদ পোহালেই দুর হবে যৌনসমস্যা ! পড়ুন তাহলে

পৃথিবীতে যে রোগের ওষুধ হিসেবে মাটির বড়ি বানিয়ে বিক্রি করলেও ক্রেতার অভাব হয় না, সেটা হলো যৌনঅক্ষমতা। এর জন্য টাকা খরচ করতে পিছুপা হয় না কেউ। কিন্তু রোদ পোহালেই বাড়তে পারে পুরুষের কামশক্তি। গবেষকরা তো তাই বলছেন। অস্ট্রিয়ার গ্রাজ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকেরা জানিয়েছেন, পুরুষের রক্তে যৌন হরমোন টেস্টোস্টেরন ভিটামিন ডি-র মাধ্যমে বৃদ্ধি পায়৷ আর ভিটামিন ডি-র প্রধান উৎস হল সূর্যালোক৷ ত্বকে সূর্যালোকের প্রভাবে রক্তে ভিটামিন ডি এর মাত্রা বৃদ্ধি পায়৷ এছাড়াও ভিটামিন ডি এর প্রধান উৎস হল মাছ এবং মাংস৷ গবেষকেরা জানিয়েছেন, রক্তে প্রতি মিলিলিটারে ভিটামিন ডি-র পরিমাণ যত বেশি হবে পুরুষের যৌন ক্ষমতা তত বাড়বে৷

গবেষণায় দেখা গেছে, সূর্যালোকের সাহায্যে পুরুষের রক্তে টেস্টোস্টেরনের মাত্রা প্রায় ৬৯ শতাংশ বৃদ্ধি পায়৷ পুরুষের যৌনতার ক্ষেত্রে এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি হরমোন৷ এই হরমোনটিই যৌনতার চরিত্র, শুক্রাণু উৎপাদন ও পুরুষের যৌন চাহিদাকে নিয়ন্ত্রণ করে৷ তবে গায়ে রোদ লাগানোর ক্ষেত্রে বরাবরের মতোই সকালের মিষ্টি রোদকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। কারণ, বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে সূর্য্যের আলোতে বাড়তে থাকে অতিবেগুনি রশ্মির প্রভাব। এটা ত্বকের ক্যান্সার সৃষ্টিসহ নানা শারীরিক সমস্যার জন্ম দেয়।

About the Author

Leave a comment

XHTML: You can use these html tags: <a href="" title=""> <abbr title=""> <acronym title=""> <b> <blockquote cite=""> <cite> <code> <del datetime=""> <em> <i> <q cite=""> <s> <strike> <strong>