চর্ম ও যৌনরোগসহ বহু রোগের ওষুধ অর্জুন গাছ !

আধুনিকতার দোহায় দিয়ে যতো চিকিৎসায় করা হোক না কেনো গাছ-গাছালির গুণাগুণ অপরিসীম। এদের মধ্যে অন্যতম হলো অর্জুন বৃক্ষ। অর্জুনে রয়েছে চর্ম ও যৌনরোগসহ বহু রোগের উপকারী গুণাগুণ। তাহলে আসুন কি কি উপকার করে এই বৃক্ষ যেনে নেওয়া যাক।

মাঝারি আকৃতির এই পত্র পতনশীল বৃক্ষটি তার ওষধী গুণ নিয়ে মানব সমাজে দৃষ্টি আকৃষ্ট করেছে সুপ্রাচীন কাল থেকেই। শারীরিক বল ফিরে আনা এবং রণাঙ্গনে মনকে উজ্জ্বীবিত করতে ভেষজ রস হিসেবে অর্জুনের ব্যবহার রয়েছে প্রাচীনকাল থেকে।

তারপর যতই দিন যাচ্ছে ততই অর্জুনের উপকারী দিক উদ্ভাবিত হচ্ছে।

* অর্জুন গাছের ছাল, ফল ও পাতা তিনটিই ওষুধী উপাদান হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে থাকে। তবে অর্জুন গাছের ছালই ভেষজ চিকিৎসায় বেশি ব্যবহৃত হয়ে থাকে।

* অর্জুন গাছের ছাল বেটে খেলে হৃৎপিণ্ডের পেশি শক্তিশালী হয় এবং হৃদযন্ত্রের কার্যক্ষমতা বাড়ে।

* অর্জুন গাছের রসে রক্ত পরিশোধন ক্ষমতা রয়েছে। এ কারণে পথ্য হিসেবে অর্জুনের রস হর হামেসা ব্যবহৃত হয়ে থাকে।

* অর্জুন খাদ্য হজম ক্ষমতা বাড়ায়। খাদ্যতন্ত্রের শৃংখলা স্বাভাবিক রাখতে সাহায্য করে।

* অর্জুন গাছের রস চর্ম ও যৌনরোগে উপকার করে। যৌন উদ্দীপনা বাড়াতেও অর্জুনের রস সাহায্য করে বলে ভেষজবিদরা বলে থাকেন।

* শরীরে খোস-পাচড়া দেখা দিলে অর্জুন গাছের ছাল বেটে লাগালে ভালো হয়ে যায়।

এসব ছাড়াও অর্জুন গাছের আরও অসংখ্য রোগের ওষুধ প্রস্তুতিতে অন্যতম ভেষজ উপাদান হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে থাকে।

সবাই এখন যা পড়ছে :-

খুব বেশি পর্ন দেখেন? জানেন কী ক্ষতি করছেন নিজের!

ব্যস্ত জীবনের মধ্যে পর্ন দেখার জন্য অনেকেই সময় বের করে নেন। অনেকেই দিনান্তে পর্ন দেখেন সাময়িক আনন্দলাভের আশায়। কিন্তু জানেন কি, বেশি মাত্রায় পর্ন দর্শন কতটা সর্বনাশ করছে আপনার? সমীক্ষা করে দেখা গিয়েছে, যাঁরা নিয়মিত পর্ন দেখেন, তাঁরা বিভিন্ন ধরনের সমস্যায় ভুগছেন। পৃথিবীর একাধিক দেশের পুরুষ, নারীর উপর এই সমীক্ষা চালিয়ে দেখা গিয়েছে ভয়ঙ্কর সব সমস্যার জন্ম দিচ্ছে এই অভ্যাস। মানসিক বিকৃতির জন্ম দেয়। অতিরিক্ত পর্ন মস্তিস্কের উপর চাপ ফেলে। স্বাভাবিক বিচক্ষণতা লুপ্ত হতে থাকে। বাস্তব থেকে দূরে সরিয়ে দেয় মানুষকে। বাস্তব এবং অবাস্তবের মধ্যে এক অদ্ভুত গুলিয়ে দেওয়া পরিস্থিতি তৈরি করে।

ক্রমশ নিজের ব্যক্তিগত আবেগ, ইমোশনের উপর থেকে নিয়ন্ত্রণ হারাতে শুরু করে। হঠাৎ রেগে যাওয়াও এক অন্যতম লক্ষণ। সর্বোপরি একটা সুস্থ জীবন থেকে আপনাকে ক্রমশ দূরে সরিয়ে নিয়ে যাবে আপনার পর্ন-দর্শন। শুধু জীবনসঙ্গী নয়, সন্তানদের থেকেও দূরে সরিয়ে নিয়ে যাবে আপনাকে। কারণ অতিরিক্ত পর্ন দেখলে পৃথিবীর স্বাভাবিক, নিষ্পাপ আনন্দ আপনি উপভোগ করতেই ভুলে যাবেন ধীরে ধীরে। ব্যক্তিগত জীবন অসুখী করে তোলে। সঙ্গীকে সুখী করা বা সঙ্গীর থেকে আনন্দ পাওয়ার ক্ষেত্রে অন্তরায় হয়ে দাঁড়ায় আপনার এই অভ্যাস।

About the Author

Leave a comment

XHTML: You can use these html tags: <a href="" title=""> <abbr title=""> <acronym title=""> <b> <blockquote cite=""> <cite> <code> <del datetime=""> <em> <i> <q cite=""> <s> <strike> <strong>