কেন চিকিৎসকেরা ‘গ্রিন টি’ পান করার পরামর্শ দেয় !

শরীরকে ভেতর থেকে পরিশুদ্ধ করার অন্যতম প্রধান উপাদানের নাম গ্রিন টি । শরীরের অভ্যন্তরীণ অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ সুস্থ থাকলেই শরীর সুস্থ থাকে। যার কারণেই প্রায় প্রত্যেক ডাক্তার, নিউট্রিশনিস্ট এবং অন্যান্য স্বাস্থ্য বিশারদগণ সব সময় গ্রিন টি পান করার পরামর্শ দিয়ে থাকেন।

কিন্তু শুধু ভেতর থেকে শরীরকে পরিশুদ্ধ করার মধ্যেই গ্রিন টির উপকারিতা সীমাবদ্ধ নেই। চলুন এই অসাধারণ সবুজের উৎস আমাদের কী কী উপকার করে থাকে জেনে নেই-

গ্রিন টির ৮টি উপকারী দিক

গ্রিন টি বিভিন্ন বায়োঅ্যাক্টিভ উপাদানে (যেমন- পলিফেনল, এপিগ্যালোক্যাটেচিন গ্যালেট ইত্যাদি) ভরপুর যা শরীরকে সুস্থ্য রাখে এবং রোগ প্রতিরোধ করে।

এতে সামান্য পরিমাণ ক্যাফেইন থাকে যা মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা বৃদ্ধি করে। এতে এল-থিয়ানিন নামক এক ধরনের অ্যামাইনো অ্যাসিড থাকে যা ক্যাফেইনের সাথে মিশে মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা আরও বৃদ্ধি করতে সাহায্য করে। ফলে বয়স্ক ব্যক্তির অ্যালঝাইমার, পারকিনসন ইত্যাদি মস্তিষ্কের রোগ হওয়ার সম্ভাবনা কমে আসে।

এটি শরীরের হজম প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত করে এবং অল্প সময়েই শরীরের অতিরিক্ত ফ্যাট কমিয়ে দেয়। তবে এ ব্যাপারে দ্বিমত আছে।

এতে উপস্থিত অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট শরীরকে বিভিন্ন ধরনের ক্যান্সারের (যেমন- ব্রেস্ট ক্যান্সার, প্রোস্টেট ক্যান্সার, কোলোরেক্টাল কযান্সার ইত্যাদি) হাত থেকে রক্ষা করে।

ব্যাকটেরিয়া ধ্বংস করে দেয় গ্রিন টি। ফলে দাঁত মজবুত ও শক্ত থাকে এবং ইনফেকশন হওয়ার সম্ভাবনা কমে যায়।

নিয়মিত গ্রিন টি পান করলে আপনার টাইপ-২ ডায়াবেটিস হওয়ার সম্ভাবনা কমে আসতে পারে। কারণ গ্রিন টি-তে উপস্থিত কিছু উপাদান শরীরে সুগারের পরিমাণ অল্প অল্প করে কমাতে সাহায্য করে।

এটি শরীরের কোলেস্টেরলের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। ফলে সকল প্রকার কার্ডিওভাস্কুলার ডিজিজ বা হৃদরোগ হওয়ার সম্ভাবনা কমে আসে।

সর্বোপরি, গ্রিন টি আপনার মৃত্যুর ঝুঁকি কমিয়ে দেয়। নিয়মিত গ্রিন টি পান করলে মহিলাদের মৃত্যুর ঝুঁকি ২৩ শতাংশ এবং পুরুষদের মৃত্যুর ঝুঁকি ১২ শতাংশ কমে আসে।

*আমাদের সকল লেখা বিশেষজ্ঞ ডাক্তার দ্বারা নিরীক্ষিত*

সবাই এখন যা পড়ছে :-

খুব বেশি পর্ন দেখেন? জানেন কী ক্ষতি করছেন নিজের!

ব্যস্ত জীবনের মধ্যে পর্ন দেখার জন্য অনেকেই সময় বের করে নেন। অনেকেই দিনান্তে পর্ন দেখেন সাময়িক আনন্দলাভের আশায়। কিন্তু জানেন কি, বেশি মাত্রায় পর্ন দর্শন কতটা সর্বনাশ করছে আপনার? সমীক্ষা করে দেখা গিয়েছে, যাঁরা নিয়মিত পর্ন দেখেন, তাঁরা বিভিন্ন ধরনের সমস্যায় ভুগছেন। পৃথিবীর একাধিক দেশের পুরুষ, নারীর উপর এই সমীক্ষা চালিয়ে দেখা গিয়েছে ভয়ঙ্কর সব সমস্যার জন্ম দিচ্ছে এই অভ্যাস। মানসিক বিকৃতির জন্ম দেয়। অতিরিক্ত পর্ন মস্তিস্কের উপর চাপ ফেলে। স্বাভাবিক বিচক্ষণতা লুপ্ত হতে থাকে। বাস্তব থেকে দূরে সরিয়ে দেয় মানুষকে। বাস্তব এবং অবাস্তবের মধ্যে এক অদ্ভুত গুলিয়ে দেওয়া পরিস্থিতি তৈরি করে।

ক্রমশ নিজের ব্যক্তিগত আবেগ, ইমোশনের উপর থেকে নিয়ন্ত্রণ হারাতে শুরু করে। হঠাৎ রেগে যাওয়াও এক অন্যতম লক্ষণ। সর্বোপরি একটা সুস্থ জীবন থেকে আপনাকে ক্রমশ দূরে সরিয়ে নিয়ে যাবে আপনার পর্ন-দর্শন। শুধু জীবনসঙ্গী নয়, সন্তানদের থেকেও দূরে সরিয়ে নিয়ে যাবে আপনাকে। কারণ অতিরিক্ত পর্ন দেখলে পৃথিবীর স্বাভাবিক, নিষ্পাপ আনন্দ আপনি উপভোগ করতেই ভুলে যাবেন ধীরে ধীরে। ব্যক্তিগত জীবন অসুখী করে তোলে। সঙ্গীকে সুখী করা বা সঙ্গীর থেকে আনন্দ পাওয়ার ক্ষেত্রে অন্তরায় হয়ে দাঁড়ায় আপনার এই অভ্যাস।

রোদ পোহালেই দুর হবে যৌনসমস্যা ! পড়ুন তাহলে

পৃথিবীতে যে রোগের ওষুধ হিসেবে মাটির বড়ি বানিয়ে বিক্রি করলেও ক্রেতার অভাব হয় না, সেটা হলো যৌনঅক্ষমতা। এর জন্য টাকা খরচ করতে পিছুপা হয় না কেউ। কিন্তু রোদ পোহালেই বাড়তে পারে পুরুষের কামশক্তি। গবেষকরা তো তাই বলছেন। অস্ট্রিয়ার গ্রাজ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকেরা জানিয়েছেন, পুরুষের রক্তে যৌন হরমোন টেস্টোস্টেরন ভিটামিন ডি-র মাধ্যমে বৃদ্ধি পায়৷ আর ভিটামিন ডি-র প্রধান উৎস হল সূর্যালোক৷ ত্বকে সূর্যালোকের প্রভাবে রক্তে ভিটামিন ডি এর মাত্রা বৃদ্ধি পায়৷ এছাড়াও ভিটামিন ডি এর প্রধান উৎস হল মাছ এবং মাংস৷ গবেষকেরা জানিয়েছেন, রক্তে প্রতি মিলিলিটারে ভিটামিন ডি-র পরিমাণ যত বেশি হবে পুরুষের যৌন ক্ষমতা তত বাড়বে৷

গবেষণায় দেখা গেছে, সূর্যালোকের সাহায্যে পুরুষের রক্তে টেস্টোস্টেরনের মাত্রা প্রায় ৬৯ শতাংশ বৃদ্ধি পায়৷ পুরুষের যৌনতার ক্ষেত্রে এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি হরমোন৷ এই হরমোনটিই যৌনতার চরিত্র, শুক্রাণু উৎপাদন ও পুরুষের যৌন চাহিদাকে নিয়ন্ত্রণ করে৷ তবে গায়ে রোদ লাগানোর ক্ষেত্রে বরাবরের মতোই সকালের মিষ্টি রোদকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। কারণ, বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে সূর্য্যের আলোতে বাড়তে থাকে অতিবেগুনি রশ্মির প্রভাব। এটা ত্বকের ক্যান্সার সৃষ্টিসহ নানা শারীরিক সমস্যার জন্ম দেয়।

About the Author

Leave a comment

XHTML: You can use these html tags: <a href="" title=""> <abbr title=""> <acronym title=""> <b> <blockquote cite=""> <cite> <code> <del datetime=""> <em> <i> <q cite=""> <s> <strike> <strong>