এই শীতে আর্থ্রাইটিসের ব্যথা থেকে বাঁচার ৬টি প্রয়োজনীয় উপায় জেনে রাখুন !

যদি শীতকালের অন্য কোনো নাম রাখা হয় তাহলে সেটাকে হয়তো বলা হবে ব্যথা বাড়ানোর কাল। বাত, আর্থ্রাইটিস ও আরও নানা রকমের ব্যথা শরীরে জুড়ে বসে এই শীতকালে। তাহলে এই সময় কীভাবে ব্যথা থেকে দূরে থাকা যায়? বিশেষ করে আর্থ্রাইটিস রোগে আক্রান্ত ব্যক্তিরা কীভাবে তীব্র ব্যথা থেকে দূরে থাকবে? চলুন জেনে নেই-

গরম কাপড় পড়ুন

যেহেতু শীতকালে ব্যথার পরিমাণ বৃদ্ধি পায় সুতরাং বোঝা যাচ্ছে যে শীতের সাথে ব্যথার কোনো সম্পর্ক আছে। তাই শীত থেকে যতটা দূরে থাকা যায় ততটা উপকার।

পর্যাপ্ত পরিমাণে গরম কাপড় পরিধান করুন। একটি কাপড়ে কাজ না হলে আরও কয়েকটি কাপড় পড়তে পারেন। হাত ও পায়ের পাতার জন্য মোজা ব্যবহার করুন।

পানি পান

শীতকালে পানি পিপাসা কম লাগবে এটাই স্বাভাবিক। তাই বলে পানি পানের পরিমাণ কমিয়ে দিলে চলবে না। অন্তত ৮ গ্লাস পানি নিয়মিত পান করুন। শরীরে পানির অভাব দেখা দিলে ব্যথার পরিমাণ বৃদ্ধি পায়।

ওজন নিয়ন্ত্রণ

আমাদের শরীরের ওজনের সাথে ব্যথা অনেকাংশে সম্পর্কযুক্ত। লক্ষ্য করলে দেখবেন যে শরীরের কোমর থেকে উপরের অংশের ওজন নিচের অংশের তুলনায় বেশি হলে হাঁটু, গোড়ালি এবং কোমরের ব্যথা বৃদ্ধি পায়। তাই ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখার চেষ্টা করুন।

খাবার গ্রহণ

যাদের আর্থ্রাইটিস বা অন্য ধরনের হাড় জনিত সমস্যা আছে তারা খাবারের দিকে অত্যন্ত মনযোগী হওয়ার চেষ্টা করুন। শীতকালে শারীরিক পরিশ্রম কম হওয়ার কারণে খাওয়ার চাহিদাও কমে আসে।

কিন্তু নিয়মিত ও পর্যাপ্ত পরিমাণে স্বাস্থ্যকর খাবার (মাছের তেল, সবুজ শাকসবজি ইত্যাদি) গ্রহণ করলে আপনার শরীর স্বাভাবিক নিয়মে কার্যসম্পাদন করতে পারে। ফলে ব্যথা কমে যায়।

ব্যায়াম করুন

আরথ্রাইটিসের সমস্যায় ভুগতে থাকলে বা কোনো ধরনের ব্যথা করলে অনেকেই ব্যায়াম করতে চান না। আর বাঙ্গালীদের তো ব্যায়াম করতে অ্যালার্জি আছে। অথচ এই ব্যায়াম করার কারণেই হাজার হাজার রোগ বালাই থেকে আপনি মুক্ত থাকতে পারেন।

গরম পানিতে গোসল করুন

শীতকাল আসলেই পানি বিরোধী আন্দোলনে নেমে যান অনেকেই। পানি থেকে ১০০ হাত দূরে থাকেন। এমনকি গোসলও করেন না। এগুলোর কারণে ব্যথা বৃদ্ধি পায়। তাই নিয়মিত হালকা গরম পানি দিয়ে গোসল করুন। এতে শরীরের ব্যথা অনেকাংশে কমে যাবে।

সবাই এখন যা পড়ছে :-

খুব বেশি পর্ন দেখেন? জানেন কী ক্ষতি করছেন নিজের!

ব্যস্ত জীবনের মধ্যে পর্ন দেখার জন্য অনেকেই সময় বের করে নেন। অনেকেই দিনান্তে পর্ন দেখেন সাময়িক আনন্দলাভের আশায়। কিন্তু জানেন কি, বেশি মাত্রায় পর্ন দর্শন কতটা সর্বনাশ করছে আপনার? সমীক্ষা করে দেখা গিয়েছে, যাঁরা নিয়মিত পর্ন দেখেন, তাঁরা বিভিন্ন ধরনের সমস্যায় ভুগছেন। পৃথিবীর একাধিক দেশের পুরুষ, নারীর উপর এই সমীক্ষা চালিয়ে দেখা গিয়েছে ভয়ঙ্কর সব সমস্যার জন্ম দিচ্ছে এই অভ্যাস। মানসিক বিকৃতির জন্ম দেয়। অতিরিক্ত পর্ন মস্তিস্কের উপর চাপ ফেলে। স্বাভাবিক বিচক্ষণতা লুপ্ত হতে থাকে। বাস্তব থেকে দূরে সরিয়ে দেয় মানুষকে। বাস্তব এবং অবাস্তবের মধ্যে এক অদ্ভুত গুলিয়ে দেওয়া পরিস্থিতি তৈরি করে।

ক্রমশ নিজের ব্যক্তিগত আবেগ, ইমোশনের উপর থেকে নিয়ন্ত্রণ হারাতে শুরু করে। হঠাৎ রেগে যাওয়াও এক অন্যতম লক্ষণ। সর্বোপরি একটা সুস্থ জীবন থেকে আপনাকে ক্রমশ দূরে সরিয়ে নিয়ে যাবে আপনার পর্ন-দর্শন। শুধু জীবনসঙ্গী নয়, সন্তানদের থেকেও দূরে সরিয়ে নিয়ে যাবে আপনাকে। কারণ অতিরিক্ত পর্ন দেখলে পৃথিবীর স্বাভাবিক, নিষ্পাপ আনন্দ আপনি উপভোগ করতেই ভুলে যাবেন ধীরে ধীরে। ব্যক্তিগত জীবন অসুখী করে তোলে। সঙ্গীকে সুখী করা বা সঙ্গীর থেকে আনন্দ পাওয়ার ক্ষেত্রে অন্তরায় হয়ে দাঁড়ায় আপনার এই অভ্যাস।

About the Author

Leave a comment

XHTML: You can use these html tags: <a href="" title=""> <abbr title=""> <acronym title=""> <b> <blockquote cite=""> <cite> <code> <del datetime=""> <em> <i> <q cite=""> <s> <strike> <strong>