চোখ জ্বালাপোড়া থেকে নিজেকে রক্ষা করুন এই ১০টি ঘরোয়া উপায়ে

অতিরিক্ত গরম, ঠাণ্ডা, ধুলাবালি চোখে ঢোকা ইত্যাদি বিভিন্ন কারণে প্রায়শই আমাদের চোখ জ্বালাপোড়া করে। এসময় স্বভাবতই অনেকেই চোখ চুলকান। যার কারণে জ্বালাপোড়া আরও বেড়ে যায়। তাহলে এমতাবস্থায় কী করা উচিৎ? চলুন জেনে নেই-

চোখ জ্বালাপোড়া থেকে মুক্তি পেতে ঘরোয়া ভাবে কী পন্থা অবলম্বন করা যায়?

  • যেসকল পরিবেশে গেলে চোখ জ্বালাপোড়া করে সেসব এড়িয়ে চলুন।
  • চোখকে ধূলা-বালি থেকে রক্ষা করার জন্য সানগ্লাস ব্যবহার করুন।
  • কখনো চোখে ঘষাঘষি করবেন না।
  • দুই হাত সব সময় পরিষ্কার রাখুন।
  • বরফ ঠাণ্ডা পানিতে চোখ মুখ ধুয়ে ফেলুন। কয়েক টুকরা বরফ একটি নরম কাপড়ে পেঁচিয়ে নিন। এবার এটি চোখের উপর দিয়ে রাখুন। আরাম পাবেন।
  • গোল করে শসা কাটুন দুই টুকরা। বরফ ঠাণ্ডা পানিতে ডুবিয়ে রাখুন ১০ মিনিট। এরপর ঠাণ্ডা শসা চোখের উপর দিয়ে চোখ বন্ধ করে রাখুন কিছুক্ষণ। দেখবেন, চোখ জ্বালাপোড়া অনেকটা কমে এসেছে।
  • টি ব্যাগে উপস্থিত বায়োফ্লেভোনয়েডস বিভিন্ন ব্যাকটেরিয়াল ইনফেকশন ও জ্বালাপোড়া কমাতে সহায়তা করে। দুই চোখে দুইটি ব্যবহৃত টি ব্যাগ দিয়ে রাখুন। চোখ জ্বালাপোড়া হ্রাস পাবে।
  • প্রচুর পানি পান করুন।
  • দুইটি চা চামচ বরফ ঠাণ্ডা পানিতে ঠাণ্ডা করুন। এবার চামচ দুটি চোখে লাগিয়ে রাখুন। চামচ গরম হয়ে আসলে আবার বরফ পানিতে ভিজিয়ে নিন।
  • একটি বাটিতে কিছু অ্যালোভেরার রস নিন। ফ্রিজে রাখুন বেশ কিছুক্ষণ। ঠাণ্ডা হয়ে এলে বের করে একটু ঠাণ্ডা পানি মেশান। দুই টুকরা নরম পাতলা কাপড় ওই রসে ভিজিয়ে চোখে লাগিয়ে রাখুন। চোখ জ্বালাপোড়া কমে আসবে।
  • নিয়মিত চোখের ডাক্তার দেখান। চোখে কোন ধরণের অস্বস্তিবোধ হলে ডাক্তারকে তৎক্ষণাৎ জানিয়ে রাখুন।

চোখ জ্বালাপোড়া করলে কীভাবে তা থেকে উপশম পাওয়া যায়?

বিভিন্ন ধরনের আই ড্রপ ব্যবহারের মাধ্যমে চোখের জ্বালাপোড়া ভাব কমে যায়। যদি আই ড্রপে জ্বালাপোড়া না কমে তবে চিকিৎসকের শরণাপন্ন হতে হবে।

সবাই এখন যা পড়ছে :-

খুব বেশি পর্ন দেখেন? জানেন কী ক্ষতি করছেন নিজের!

ব্যস্ত জীবনের মধ্যে পর্ন দেখার জন্য অনেকেই সময় বের করে নেন। অনেকেই দিনান্তে পর্ন দেখেন সাময়িক আনন্দলাভের আশায়। কিন্তু জানেন কি, বেশি মাত্রায় পর্ন দর্শন কতটা সর্বনাশ করছে আপনার? সমীক্ষা করে দেখা গিয়েছে, যাঁরা নিয়মিত পর্ন দেখেন, তাঁরা বিভিন্ন ধরনের সমস্যায় ভুগছেন। পৃথিবীর একাধিক দেশের পুরুষ, নারীর উপর এই সমীক্ষা চালিয়ে দেখা গিয়েছে ভয়ঙ্কর সব সমস্যার জন্ম দিচ্ছে এই অভ্যাস। মানসিক বিকৃতির জন্ম দেয়। অতিরিক্ত পর্ন মস্তিস্কের উপর চাপ ফেলে। স্বাভাবিক বিচক্ষণতা লুপ্ত হতে থাকে। বাস্তব থেকে দূরে সরিয়ে দেয় মানুষকে। বাস্তব এবং অবাস্তবের মধ্যে এক অদ্ভুত গুলিয়ে দেওয়া পরিস্থিতি তৈরি করে।

ক্রমশ নিজের ব্যক্তিগত আবেগ, ইমোশনের উপর থেকে নিয়ন্ত্রণ হারাতে শুরু করে। হঠাৎ রেগে যাওয়াও এক অন্যতম লক্ষণ। সর্বোপরি একটা সুস্থ জীবন থেকে আপনাকে ক্রমশ দূরে সরিয়ে নিয়ে যাবে আপনার পর্ন-দর্শন। শুধু জীবনসঙ্গী নয়, সন্তানদের থেকেও দূরে সরিয়ে নিয়ে যাবে আপনাকে। কারণ অতিরিক্ত পর্ন দেখলে পৃথিবীর স্বাভাবিক, নিষ্পাপ আনন্দ আপনি উপভোগ করতেই ভুলে যাবেন ধীরে ধীরে। ব্যক্তিগত জীবন অসুখী করে তোলে। সঙ্গীকে সুখী করা বা সঙ্গীর থেকে আনন্দ পাওয়ার ক্ষেত্রে অন্তরায় হয়ে দাঁড়ায় আপনার এই অভ্যাস।

About the Author

Leave a comment

XHTML: You can use these html tags: <a href="" title=""> <abbr title=""> <acronym title=""> <b> <blockquote cite=""> <cite> <code> <del datetime=""> <em> <i> <q cite=""> <s> <strike> <strong>