হাত পরিষ্কার করায় আপনি কতটা সচেতন ? জেনে নিন সঠিক পদ্ধতি !

আমরা প্রতিদিন  কেউ না কেউ কত রকমের অসুক নিয়ে ডাক্তারের কাছে হাজির হই। কিন্তু আমরা একটু সচেতন হলে অনাকাঙ্ক্ষিত অনেক ছোটখাট রোগবালাই থেকে নিজেকে ও আমাদের সন্তানদের সহ আসে পাশে অনেককেই বিপদ মুক্ত রাখতে পারি। আমাদের এই একটু সাবধানতা অনেকের জীবন পাল্টাতে পারে আনতে পারে সুখের মধুখন ।কেমন ভাবে জেনে নেই তাহলে –  

“ পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা ঈমানের অঙ্গ”  এই কথা আমরা সবাই জানি। তবে মানি কয়জন বলুনতো? বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থার তথ্য মতে সবাই যদি ঠিকমতো হাত পরিষ্কার করত, তাহলে সংক্রমণের সংখ্যা অর্ধেকই কমে যেত । সংক্রামক ব্যাধির আক্রমণ কমিয়ে আনতে পরিচ্ছন্নতাবিষয়ক সচেতনতা সবচেয়ে জরুরি। ঠিক সময়ে ঠিক উপায়ে হাত ধোয়া এই সচেতনতার একটা বড় উপাদান। কিন্তু এই বিষয়ে আমাদের রয়েছে চরম অবহেলা আর আলসেমি ভাব।

পরিবারের সুস্থতা নিশ্চিত করতে তাই কখন কীভাবে হাত পরিষ্কার করবেন জেনে নিন। এ বিষয়ে পরিবারের ছোটদেরও সচেতন করুন, ওদেরও শেখান। শেখান আপনার পরিবারের গৃহকর্মীকে, আশপাশের মানুষদেরও। প্রয়োজনে বাইরে রেস্তোরাঁয়, খাবার দোকানেও এ নিয়ে কথা বলুন।

হাত কখন  ধুতে হবে:

খাবার প্রস্তুত বা পরিবেশনের আগে

টয়লেট ব্যবহারের পর

শিশুদের ডায়াপার পরিবর্তনের পর

পশুপাখি ধরা বা আদর করা বা খাওয়ানোর পর

নাক ঝাড়া, হাঁচি-কাশির পর

বাড়ির ময়লা-আবর্জনা ফেলা, ঘর পরিষ্কার করা, বাগানে বা খেতে কাজ করা বা মাটি লাগে এমন যেকোনো কাজের পর

বাইরে থেকে ফিরে এসে, সিঁড়ির রেলিং, দরজার হাতল বা যানবাহনে হাত লাগার পর

অসুস্থ ব্যক্তিকে সেবা দেওয়ার পর

অন্যের সঙ্গে হাত মেলানোর পর

 হাত ধুবেন কীভাবেঃ

হাত ধয়ার জন্য একটা সাবান বা একটু লিকুইড সাবানই যথেষ্ট । কলের পানির নিচে হাত রেখে প্রথমে ভালো করে ভিজিয়ে নিন। তারপর গোটা হাতে সাবান লাগান। এবার ২০ সেকেন্ড ধরে হাতের তালু, আঙুল, আঙুলের ফাঁক, নখের নিচ এমনকি কবজি পর্যন্ত ঘষে ঘষে পরিষ্কার করুন। তারপর পানির ধারায় সবটুকু সাবান ধুয়ে নিন। নোংরা তোয়ালে বা কাপড়ে হাত মুছবেন না।

আপনি হাত ধোয়াতে সচেতন হওন এবং অন্যকেউ উৎসাহিত করুন । তবেই সংক্রামক রোগের আক্রমণ থেকে নিজেকে মুক্ত করতে পারবেন।

সবাই এখন যা পড়ছে :-

রোদ পোহালেই দুর হবে যৌনসমস্যা ! পড়ুন তাহলে

পৃথিবীতে যে রোগের ওষুধ হিসেবে মাটির বড়ি বানিয়ে বিক্রি করলেও ক্রেতার অভাব হয় না, সেটা হলো যৌনঅক্ষমতা। এর জন্য টাকা খরচ করতে পিছুপা হয় না কেউ। কিন্তু রোদ পোহালেই বাড়তে পারে পুরুষের কামশক্তি। গবেষকরা তো তাই বলছেন। অস্ট্রিয়ার গ্রাজ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকেরা জানিয়েছেন, পুরুষের রক্তে যৌন হরমোন টেস্টোস্টেরন ভিটামিন ডি-র মাধ্যমে বৃদ্ধি পায়৷ আর ভিটামিন ডি-র প্রধান উৎস হল সূর্যালোক৷ ত্বকে সূর্যালোকের প্রভাবে রক্তে ভিটামিন ডি এর মাত্রা বৃদ্ধি পায়৷ এছাড়াও ভিটামিন ডি এর প্রধান উৎস হল মাছ এবং মাংস৷ গবেষকেরা জানিয়েছেন, রক্তে প্রতি মিলিলিটারে ভিটামিন ডি-র পরিমাণ যত বেশি হবে পুরুষের যৌন ক্ষমতা তত বাড়বে৷

গবেষণায় দেখা গেছে, সূর্যালোকের সাহায্যে পুরুষের রক্তে টেস্টোস্টেরনের মাত্রা প্রায় ৬৯ শতাংশ বৃদ্ধি পায়৷ পুরুষের যৌনতার ক্ষেত্রে এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি হরমোন৷ এই হরমোনটিই যৌনতার চরিত্র, শুক্রাণু উৎপাদন ও পুরুষের যৌন চাহিদাকে নিয়ন্ত্রণ করে৷ তবে গায়ে রোদ লাগানোর ক্ষেত্রে বরাবরের মতোই সকালের মিষ্টি রোদকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। কারণ, বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে সূর্য্যের আলোতে বাড়তে থাকে অতিবেগুনি রশ্মির প্রভাব। এটা ত্বকের ক্যান্সার সৃষ্টিসহ নানা শারীরিক সমস্যার জন্ম দেয়।

About the Author

Leave a comment

XHTML: You can use these html tags: <a href="" title=""> <abbr title=""> <acronym title=""> <b> <blockquote cite=""> <cite> <code> <del datetime=""> <em> <i> <q cite=""> <s> <strike> <strong>