একজিমা হতে পারে ভয়ঙ্কর রোগ! তাই জেনে নিন সঠিক প্রতিকার!

দাদ একজিমায় জীবন হারানোর তো নজির নেই; তবে একজিমা রোগ ব্যক্তি ও তার আশপাশের মানুষের জন্য মারাত্মক ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে। একজিমা একটি ছোঁয়াচে রোগ। একবার একজিমায় আক্রান্ত হলে সেরে উঠতে অনেক দিন লেগে যায়। অবহেলা করলে একজিমা ছড়িয়ে গিয়ে মারাত্মক আকার ধারণ করতে পারে।

একজিমা রোগের কারণগুলো কী?

এ্যাটোপিক ডার্মাটাইটিস বা একজিমার আসল কারণ এখনও অজানা। সুস্থ ত্বকে সবসময় আর্দ্রতা (moisture) বজায় থাকে যা ব্যাকটেরিয়া এবং যে সকল পদার্থ অ্যালার্জির সৃষ্টি করে তা থেকে ত্বককে রক্ষা করে। যেসকল কারণে একজিমা রোগ হয়ে থাকে সেগুলো হলঃ

শুষ্ক ও রুক্ষ ত্বক ব্যাকটেরিয়া প্রতিরোধ করতে পারে না। তাই এই ধরণের ত্বক একজিমার জন্য দায়ী।

জিনের পরিবর্তনের ফলে ত্বকের প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যায় ও একজিমার সৃষ্টি হয়।

দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা হ্রাস পেলে একজিমা রোগ দেখা দেয়।

বিভিন্ন ব্যাকটেরিয়া যেমনঃ স্ট্যাফিলোকক্কাস অরিয়াস (Staphylococcus Aureus) এর কারণে ঘর্মগ্রন্থি বন্ধ হয়ে গেলে একজিমার সৃষ্টি হয়। পরিবেশগত কারণেও একজিমা রোগ দেখা দিতে পারে।

একজিমা কি বংশগত কারণে হতে পারে?

একজিমা অ্যালার্জি ও অ্যাজমার সমগোত্রীয় রোগ যা এই দুটি রোগের মতই বংশগত কারণে হতে পারে। তবে শুধুমাত্র বংশগত কারণেই একজিমা রোগ হয় না।

ত্বকের যে অংশ সূর্যের আলোর সংস্পর্শে আসে না সেখানে কি একজিমা হতে পারে?

হ্যাঁ, ত্বকের যেকোনো অংশেই একজিমা রোগ হতে পারে।

হেলথ টিপস:

সবসময় নরম ও আরামদায়ক পোশাক পরা উচিৎ। সিনথেটিক বা উলের পোশাকে যদি অ্যালার্জির সমস্যা থাকে তবে এ ধরণের পোশাক এড়িয়ে চলুন। কাপড় ধোয়ার জন্য কৃত্রিম রঙ ও সুগন্ধিবিহীন ডিটারজেন্ট ব্যবহার করুন। ধূলাবালি, ফুলের রেণু ও সিগারেটের ধোঁয়া থেকে দূরে থাকুন।

আক্রান্ত স্থান চুলকানো থেকে যথাসম্ভব বিরত থাকুন। দুশ্চিন্তা ও মানসিক চাপ থেকে মুক্ত থাকতে হবে। ত্বক কখনই শুষ্ক রাখা যাবে না। সবসময় লোশন বা ক্রিম ব্যাবহার করতে হবে। তবে অবশ্যই খেয়াল রাখবেন লোশন বা ক্রিমটি যেন কৃত্রিম রঙ ও সুগন্ধিবিহীন হয়।

সবাই এখন যা পড়ছে :-

রোদ পোহালেই দুর হবে যৌনসমস্যা ! পড়ুন তাহলে

পৃথিবীতে যে রোগের ওষুধ হিসেবে মাটির বড়ি বানিয়ে বিক্রি করলেও ক্রেতার অভাব হয় না, সেটা হলো যৌনঅক্ষমতা। এর জন্য টাকা খরচ করতে পিছুপা হয় না কেউ। কিন্তু রোদ পোহালেই বাড়তে পারে পুরুষের কামশক্তি। গবেষকরা তো তাই বলছেন। অস্ট্রিয়ার গ্রাজ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকেরা জানিয়েছেন, পুরুষের রক্তে যৌন হরমোন টেস্টোস্টেরন ভিটামিন ডি-র মাধ্যমে বৃদ্ধি পায়৷ আর ভিটামিন ডি-র প্রধান উৎস হল সূর্যালোক৷ ত্বকে সূর্যালোকের প্রভাবে রক্তে ভিটামিন ডি এর মাত্রা বৃদ্ধি পায়৷ এছাড়াও ভিটামিন ডি এর প্রধান উৎস হল মাছ এবং মাংস৷ গবেষকেরা জানিয়েছেন, রক্তে প্রতি মিলিলিটারে ভিটামিন ডি-র পরিমাণ যত বেশি হবে পুরুষের যৌন ক্ষমতা তত বাড়বে৷

গবেষণায় দেখা গেছে, সূর্যালোকের সাহায্যে পুরুষের রক্তে টেস্টোস্টেরনের মাত্রা প্রায় ৬৯ শতাংশ বৃদ্ধি পায়৷ পুরুষের যৌনতার ক্ষেত্রে এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি হরমোন৷ এই হরমোনটিই যৌনতার চরিত্র, শুক্রাণু উৎপাদন ও পুরুষের যৌন চাহিদাকে নিয়ন্ত্রণ করে৷ তবে গায়ে রোদ লাগানোর ক্ষেত্রে বরাবরের মতোই সকালের মিষ্টি রোদকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। কারণ, বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে সূর্য্যের আলোতে বাড়তে থাকে অতিবেগুনি রশ্মির প্রভাব। এটা ত্বকের ক্যান্সার সৃষ্টিসহ নানা শারীরিক সমস্যার জন্ম দেয়।

About the Author

Leave a comment

XHTML: You can use these html tags: <a href="" title=""> <abbr title=""> <acronym title=""> <b> <blockquote cite=""> <cite> <code> <del datetime=""> <em> <i> <q cite=""> <s> <strike> <strong>