আঁচিল নিয়ে দুঃশ্চিন্তা আর নয় ! জেনে নিন আঁচিলের চিকিৎসা !

ছোট বেলায় নানীর হাতের আঁচিল দেখে খুব অবাক হতাম; নাড়াচাড়া করতাম আর বলতাম, “এটা কী?” নানী বলতেন ওটার নাম আঁচিল। শরীরে আঁচিল থাকা নাকি সৌভাগ্যের ব্যাপার। এরকম ভুল ধারণা আমাদের অনেকের মধ্যেই আছে। মূলত আঁচিলের সাথে ভাগ্যের কোন সম্পর্ক নেই। আঁচিল একটি ভাইরাল ইনফেকশন। এ ধরনের ইনফেকশনে মৃত্যু ঝুঁকি তো নেই; তবে এড়িয়ে যাওয়াও ঠিক নয়। সঠিক উপায়ে আঁচিলের চিকিৎসা করা না হলে এগুলো ছড়িয়ে পড়ার আশংকা দেখা দেয়।

 

আঁচিল হওয়ার কারণ কী ?

নিম্নলিখিত কারণে এ লক্ষণ দেখা দিতে পারে-

  • ভাইরাসের মাধ্যমে সংক্রমিত হয়।
  • মানুষের শরীর থেকেই আঁচিল ছড়িয়ে পড়ে। আঁচিল আছে এমন মানুষের সংস্পর্শে আসলে আঁচিল হতে পারে।
  • আঁচিল আছে এমন মানুষের ব্যবহৃত জিনিসপত্র ব্যবহার করলে। যেমনঃ তোয়ালে।
  • আঁচিল আছে এমন মানুষের নখের আঁচড়ে আঁচিল হতে পারে।
  • মেকআপ বা শক্তিশালী ক্যামিকেলের জিনিসপত্র ব্যবহার করলে আঁচিল হতে পারে।
  • এছাড়াও ত্বকের পলিপ, ত্বকের ক্যান্সার, স্কিন ডিজঅর্ডার, ব্রণ, কন্ট্যাক্ট ডার্মাটাইটিস, সেবোরিক কেরাটোসিস এবং মোলাস্‌কাম কন্ট্যাজিওসামের কারণে আঁচিল হতে পারে।

কোন কোন ব্যাপারগুলো আঁচিল হওয়ার প্রবণতা বৃদ্ধি করে ?

  • যেকোনো বয়সে আঁচিল হতে পারে। তবে শিশু ও তরুণদের ক্ষেত্রে আঁচিল হওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে। আঁচিলের চিকিৎসা করানো না হলে পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের আঁচিল হতে পারে।
  • এইডস ও অঙ্গ প্রতিস্থাপনের কারণে দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা দুর্বল হয়ে পড়লে আঁচিল হওয়ার ঝুঁকি বৃদ্ধি পায়।

 

ত্বকে আঁচিল হলে কখন চিকিৎসকের শরণাপন্ন হতে হবে?

দুই বা একমাসের মধ্যে আঁচিল ভাল না হলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে। কেননা, ত্বকে একটি আঁচিল থেকে আরেকটি আঁচিল হতে পারে। এ অবস্থায় ঔষধের সাহয্যে আঁচিলের চিকিৎসা করা হয় বা অপারেশনের মাধ্যমে আঁচিল অপসারণ করা হয়।

আঁচিল হলে করণীয় কী ?

  • ত্বকে আঁচিল দেখা দিলে তা হাত দিয়ে স্পর্শ করা উচিৎ নয় ও একই সাথে ঐ স্থানে যাতে কোনো রকম আঘাত না লাগে সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে।
  • আক্রান্ত ব্যক্তির ব্যবহৃত জিনিসপত্র ব্যবহার করা উচিৎ নয়।
  • নখ দিয়ে আঁচিল খোঁচানো যাবে না। এতে ভাইরাস সংক্রমণের ঝুঁকি থাকে।
  • হাত সবসময় পরিষ্কার এবং শুষ্ক রাখতে হবে।

সবাই এখন যা পড়ছে :-

খুব বেশি পর্ন দেখেন? জানেন কী ক্ষতি করছেন নিজের!

ব্যস্ত জীবনের মধ্যে পর্ন দেখার জন্য অনেকেই সময় বের করে নেন। অনেকেই দিনান্তে পর্ন দেখেন সাময়িক আনন্দলাভের আশায়। কিন্তু জানেন কি, বেশি মাত্রায় পর্ন দর্শন কতটা সর্বনাশ করছে আপনার? সমীক্ষা করে দেখা গিয়েছে, যাঁরা নিয়মিত পর্ন দেখেন, তাঁরা বিভিন্ন ধরনের সমস্যায় ভুগছেন। পৃথিবীর একাধিক দেশের পুরুষ, নারীর উপর এই সমীক্ষা চালিয়ে দেখা গিয়েছে ভয়ঙ্কর সব সমস্যার জন্ম দিচ্ছে এই অভ্যাস। মানসিক বিকৃতির জন্ম দেয়। অতিরিক্ত পর্ন মস্তিস্কের উপর চাপ ফেলে। স্বাভাবিক বিচক্ষণতা লুপ্ত হতে থাকে। বাস্তব থেকে দূরে সরিয়ে দেয় মানুষকে। বাস্তব এবং অবাস্তবের মধ্যে এক অদ্ভুত গুলিয়ে দেওয়া পরিস্থিতি তৈরি করে।

ক্রমশ নিজের ব্যক্তিগত আবেগ, ইমোশনের উপর থেকে নিয়ন্ত্রণ হারাতে শুরু করে। হঠাৎ রেগে যাওয়াও এক অন্যতম লক্ষণ। সর্বোপরি একটা সুস্থ জীবন থেকে আপনাকে ক্রমশ দূরে সরিয়ে নিয়ে যাবে আপনার পর্ন-দর্শন। শুধু জীবনসঙ্গী নয়, সন্তানদের থেকেও দূরে সরিয়ে নিয়ে যাবে আপনাকে। কারণ অতিরিক্ত পর্ন দেখলে পৃথিবীর স্বাভাবিক, নিষ্পাপ আনন্দ আপনি উপভোগ করতেই ভুলে যাবেন ধীরে ধীরে। ব্যক্তিগত জীবন অসুখী করে তোলে। সঙ্গীকে সুখী করা বা সঙ্গীর থেকে আনন্দ পাওয়ার ক্ষেত্রে অন্তরায় হয়ে দাঁড়ায় আপনার এই অভ্যাস।

About the Author

Leave a comment

XHTML: You can use these html tags: <a href="" title=""> <abbr title=""> <acronym title=""> <b> <blockquote cite=""> <cite> <code> <del datetime=""> <em> <i> <q cite=""> <s> <strike> <strong>