এবার দাঁতের হলুদ দাগ দূর করুন সহজ উপায়ে !

যতোই সুন্দর মুখশ্রীর অধিকারী হোন না কেন দাঁতগুলো হলুদ হলে সব সৌন্দর্য ম্লান হয়ে যাবে, অন্যের বিরক্তি যোগাবে। তাই এ বিষয়ে সচেতন হওয়া জরুরী।  আপনি ঘরে বসেই কিছু টিপস মেনে চললে হলুদ দাঁতজনিত সমস্যা থেকে রেহা্ই পেতে পারেন। এর ফলে, হলুদ দাগ তো যাবেই, দাঁত হবে ঝকঝকে-উজ্জ্বল।

ধূমপান ত্যাগ করুন :
ধূমপানের কারণে স্বাস্থ্যরে ক্ষতির পাশাপাশি দাঁত হলুদ ও বিবর্ণ হয়ে যায়। তাই, প্রথমেই আপনাকে এই বদঅভ্যাস পরিত্যাগ করতে হবে। এ ছাড়া, অতিরিক্ত কফি পান এবং তামাক পাতা গ্রহণের অভ্যাস বাদ দিতে হবে।

জাংক ফুড পরিহার :
জাংক ফুড খাওয়ার পরিবর্তে প্র্রচুর ফলমূল ও শাকসবজি গ্রহণ করুন। আপনার খাদ্যতালিকায় আপেল, গাজর, জাম ও বেদনা জাতীয় ফল যুক্ত করুন।

দুগ্ধজাত খাবার :
নিয়মিত দুধ, দুগ্ধজাত খাবার, দধি খেলে মিনারেল ও অ্যানামেলের প্রভাবে দাঁত থাকবে সুন্দর, হলুদ দাগ বা বিবর্ণতার সম্ভাবনা কমে যাবে।আর আপনার হাসিতে মুক্তো ঝরবে, সন্দেহ নেই।

ইলেকট্রিক টুথব্র্যাশ :
ভালো মানের টুথপেষ্টের সঙ্গে ইলেকট্রিক টুথব্র্যাশ ব্যবহার করতে হবে। এর ফলে, হলুদ দাগ ও ক্ষতিকর ‘প্লাক’-র হাত থেকে মুক্ত থাকবেন। মুখ ও দাঁতের স্বাস্থ্যও ভালো থাকবে। খাবার গ্রহণের পরপরই ভুলেও দেরী না করে ব্রাশ করে ফেলুন। কেননা, খাবার গ্রহণের সাথে সাথেই মুখগহবরে যে এসিড ও সুগার নি:সৃত হয় তা দাঁতের অ্যানামেলকে দূর্বল করে ফেলে। দাঁত ব্রাশের পরে খুব ভালোভাবে কুলকুচি করতে ভুলবেন না যেন।

নারিকেল তেলে কুলকুচি :
নারিকেল তেল বা চায়ের নির্যাস দিয়ে কুলকুচি করলে খুব ভালো ফলাফল পাবেন। কেননা, এসব উপাদান আপনার দাঁতকে ‘টারটার’ ও প্লাক পড়ার হাত থেকে রক্ষা করবে। ‘টারটার’ ও প্লাকের কারণে দাঁত বিবর্ণ হয়ে যায়। ওই তেল ২ চা-চামচ পরিমাণ মুখে নিয়ে অন্তত ৫ মিনিট  কুলকুচি করুন। আর কুলকুচির পর আধাঘন্টা খাবার গ্রহণ থেকে বিরত থাকতে হবে। প্রতিদিন ২ বার এই প্রক্রিয়া মেনে চলুন।

তুলসি পাতা :
তুলসি পাতার ব্যবহারে দারুন ফল পাবেন।১৫-২০ টি পরিষ্কার তুলশি পাতা দিয়ে টুথপেষ্ট বানিয়ে নিন, নিয়মিত ব্রাশ করুন, দাঁত হবে ঝকঝকে-দাগহীন।

কাঠকয়লার গুঁড়া :
কাঠকয়লার গুঁড়া ব্রাশে লাগিয়ে প্রতিদিন ২-৩ বার ব্যবহার করলে ভালো ফলদায়ক হবে। আর ক্ষতিগ্রস্ত দাঁতের ওপর একটু ভালোভাবে ব্রাশ করতে হবে। তথ্যসূত্র: ফেমিনা

সবাই এখন যা পড়ছে :-

খুব বেশি পর্ন দেখেন? জানেন কী ক্ষতি করছেন নিজের!

ব্যস্ত জীবনের মধ্যে পর্ন দেখার জন্য অনেকেই সময় বের করে নেন। অনেকেই দিনান্তে পর্ন দেখেন সাময়িক আনন্দলাভের আশায়। কিন্তু জানেন কি, বেশি মাত্রায় পর্ন দর্শন কতটা সর্বনাশ করছে আপনার? সমীক্ষা করে দেখা গিয়েছে, যাঁরা নিয়মিত পর্ন দেখেন, তাঁরা বিভিন্ন ধরনের সমস্যায় ভুগছেন। পৃথিবীর একাধিক দেশের পুরুষ, নারীর উপর এই সমীক্ষা চালিয়ে দেখা গিয়েছে ভয়ঙ্কর সব সমস্যার জন্ম দিচ্ছে এই অভ্যাস। মানসিক বিকৃতির জন্ম দেয়। অতিরিক্ত পর্ন মস্তিস্কের উপর চাপ ফেলে। স্বাভাবিক বিচক্ষণতা লুপ্ত হতে থাকে। বাস্তব থেকে দূরে সরিয়ে দেয় মানুষকে। বাস্তব এবং অবাস্তবের মধ্যে এক অদ্ভুত গুলিয়ে দেওয়া পরিস্থিতি তৈরি করে।

ক্রমশ নিজের ব্যক্তিগত আবেগ, ইমোশনের উপর থেকে নিয়ন্ত্রণ হারাতে শুরু করে। হঠাৎ রেগে যাওয়াও এক অন্যতম লক্ষণ। সর্বোপরি একটা সুস্থ জীবন থেকে আপনাকে ক্রমশ দূরে সরিয়ে নিয়ে যাবে আপনার পর্ন-দর্শন। শুধু জীবনসঙ্গী নয়, সন্তানদের থেকেও দূরে সরিয়ে নিয়ে যাবে আপনাকে। কারণ অতিরিক্ত পর্ন দেখলে পৃথিবীর স্বাভাবিক, নিষ্পাপ আনন্দ আপনি উপভোগ করতেই ভুলে যাবেন ধীরে ধীরে। ব্যক্তিগত জীবন অসুখী করে তোলে। সঙ্গীকে সুখী করা বা সঙ্গীর থেকে আনন্দ পাওয়ার ক্ষেত্রে অন্তরায় হয়ে দাঁড়ায় আপনার এই অভ্যাস।

About the Author

Leave a comment

XHTML: You can use these html tags: <a href="" title=""> <abbr title=""> <acronym title=""> <b> <blockquote cite=""> <cite> <code> <del datetime=""> <em> <i> <q cite=""> <s> <strike> <strong>