ব্রণ কি ফাটানো উচিত? কি বলছেন চিকিৎসকেরা!

ফাটাবো কি ফাটাবো না? সারা মুখ ব্রণয় লাল হয়ে ওঠার পর এমন দোটানায় আমরা প্রায় সবাই পরে থাকি। কিন্তু শেষ সিদ্ধান্ত কি নেওয়া হচ্ছে, তার উপর কিন্তু অনেক কিছু নির্ভর করে থাকে। বেশ কিছু সমীক্ষায় দেখা গেছে বেশিরভাগেরই, ব্রণ হোক কী ফুসকুরি, তা যতক্ষণ না সেরে উঠছে সেই নিয়ে মনের মধ্যে একটা খুচখুচানি থাকেই যায়। আর এই ইরিটেশানের চক্করেই দু আঙুল দিয়ে টিপে ব্রণকে ত্রিভুজ বানিয়ে ঘ্যাচাং ফু করে দেওয়ার চেষ্টায় আমরা সবাই লেগে পরি। আর এমনটা করা মাত্র ঘটে যায় বেশ কিছু ঘটনা। যেমন…

সংক্রমণ আরও ছড়িয়ে পরে: যে মুহূর্তে ব্রণকে ফাটানোর চেষ্টায় আমরা লেগে পরি, ঠিক সে সময়ই অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি হওয়ার কারণে অ্যাকনের মধ্যে বাসা গেঁরে থাকা পুঁজ এবং ব্যাকটেরিয়া প্রথমে ত্বকের একেবারে উপরের স্থর, তারপর ধীরে ধীরে ডার্মিস নামক স্থর পেরিয়ে যদি একবার ভিতরে চলে যায়, তাহলেই বিপদ! কারণ সেক্ষেত্রে সারা মুখে ব্রণ ছড়িয়ে যাওয়ার আশঙ্কা যেমন বৃদ্ধি পায়, তেমনি সংক্রমণ ছড়িয়ে গিয়ে আরও নানা সব ত্বকের রোগে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনাও থাকে। তাই সাবধান!

আপনি কি চান আপনার সারা মুখ এমন দাগে ভরে যাক? যদি না চান, তাহলে ব্রণ না খুটিয়ে তাকে সারাতে কতগুলি ঘরোয়া পদ্ধতির সহায্য় নিতে পারেন। যেমন…

লেবু: সাইট্রাস পরিবারের সবথেকে জনপ্রিয় এই সদস্যটির শরীরে মজুত রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং আরও অনেক উপকারি উপাদান, যা ত্বকের অন্দরে প্রবেশ করার পর ব্রণ তো সারায়ই, সেই সঙ্গে অ্যাকনের কারণে হওয়া দাগ নিমূল করতেও বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে।

About the Author

Leave a comment

XHTML: You can use these html tags: <a href="" title=""> <abbr title=""> <acronym title=""> <b> <blockquote cite=""> <cite> <code> <del datetime=""> <em> <i> <q cite=""> <s> <strike> <strong>