অল্প সময়ে চুলের দ্রুত বৃদ্ধিতে ২টি কার্যকরী মাস্ক !

সুন্দর, ঘন, লম্বা চুল সবারই কাম্য। কিন্তু চুলের পরিপূর্ণ বৃদ্ধি না হলে সুন্দর চুল পাবেন কি করে? অনেকেরই অভিযোগ, চুল লম্বা হচ্ছে না। এজন্যে অনেক কারণ থাকতে পারে। যেমন- পরিপূর্ণ যত্ন না নেওয়া, চুলের আগা নিয়মিত না কাটা, পরিপূর্ণ প্রোটিনযুক্ত খাবার গ্রহণ না করা ইত্যাদি। আবার অনেকে বলেন, এসব করার পরেও চুল বাড়ছে না। তাদের জন্যে আজকে রয়েছে ২ টি কার্যকরী হেয়ার মাস্ক।

হেয়ার মাস্ক এক

যা যা লাগবে-

আলু: আলুতে রয়েছে ভিটামিন বি, ভিটামিন সি, নায়াসিন এবং জিংক এর মতো চুলের গ্রোথ বৃদ্ধিতে সহায়ক উপাদান। যা চুলের গ্রোথ বৃদ্ধিতে খুবই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

পেঁয়াজ: পেঁয়াজে রয়েছে মিনারেলস এবং নিউট্রেশন। পেঁয়াজে বিদ্যমান সালফার কোলাজেন টিস্যু তৈরিতে সাহায্য করে হেয়ার গ্রোথকে প্রোমোট করে। এটি নতুন চুল গজাতেও সাহায্য করে।

যেভাবে তৈরি করবেন:

– আলু এবং পেঁয়াজের খোসা ছাড়িয়ে নিন। এবার এগুলোকে ছোট ছোট টুকরা করে নিয়ে ব্লেন্ডারে ব্লেন্ড করে নিন।

– ব্লেন্ড করা হয়ে গেলে মিশ্রণটিকে একটি ছাঁকনির সাহায্যে জুসটা ছেঁকে নিন। এই জুসটাই আপনার হেয়ার গ্রোথ মাস্ক।

হেয়ার মাস্ক দুই

যা যা লাগবে-

গাজর: গাজরে রয়েছে নিউট্রিয়েন্টস, ভিটামিন এ, কে, সি, বি১, বি৩, বি৬, বি২, ফাইবার, পটাশিয়াম, ফসফরাস যা, চুলের বৃদ্ধির জন্যে খুবই উপকারী। এছাড়াও গাজর স্কাল্পের ব্লাড সার্কুলেশন বৃদ্ধি করে, চুলকে সফট বানিয়ে দেয়, চুলের ড্যামেজ দূর করে, চুল ভেঙে যাওয়া রোধ করে।

যেভাবে তৈরি করবেন: গাজর ছোট ছোট টুকরো করে ব্লেন্ডারে ব্লেন্ড করে নিন। এর জুসটা ছাঁকনীর সাহায্যে ছেঁকে নিন।

ব্যবহারবিধি-

– এই ২ টি হেয়ার মাস্কই জুস কন্সেস্টেন্সির। তাই এগুলো একই নিয়মে ব্যবহার করতে হবে। আপনার সুবিধা অনুযায়ী যে কোনো একটি মাস্ক ব্যবহার করতে পারেন। তবে প্রত্যেকটি মাস্কই কার্যকরী।

– একটি কটন বল নিয়ে হেয়ার গ্রোথ মাস্কটির মধ্যে চুবিয়ে নিন। এই কটন বলটি চুলের গোড়ায় সিঁথি কেটে কেটে লাগান। আপনি চাইলে, জুসটা যে কোনো স্প্রে বোতলে ভরে চুলের গোড়ায় স্প্রে করে নিতে পারেন।

– ৪০ মিনিট রেখে চুল শ্যাম্পু করে নিবেন। সপ্তাহে ৩ দিন এই মাস্ক ব্যবহার করুন।

কিছু কথা: হেয়ার গ্রোথ মাস্কগুলো ২/১ বার ব্যবহার করে অনেকেই বলতে পারেন যে, কোনো কাজ হচ্ছে না। এর কারণ, হেয়ার গ্রোথ মাস্কগুলোর ফলাফল পেতে একটু সময় লাগে। তাই সময় এবং ধৈর্য নিয়ে ১-২ মাস ব্যবহার করুন। আশা করছি, ফল পাবেনই।

সবাই এখন যা পড়ছে :-

খুব বেশি পর্ন দেখেন? জানেন কী ক্ষতি করছেন নিজের!

ব্যস্ত জীবনের মধ্যে পর্ন দেখার জন্য অনেকেই সময় বের করে নেন। অনেকেই দিনান্তে পর্ন দেখেন সাময়িক আনন্দলাভের আশায়। কিন্তু জানেন কি, বেশি মাত্রায় পর্ন দর্শন কতটা সর্বনাশ করছে আপনার? সমীক্ষা করে দেখা গিয়েছে, যাঁরা নিয়মিত পর্ন দেখেন, তাঁরা বিভিন্ন ধরনের সমস্যায় ভুগছেন। পৃথিবীর একাধিক দেশের পুরুষ, নারীর উপর এই সমীক্ষা চালিয়ে দেখা গিয়েছে ভয়ঙ্কর সব সমস্যার জন্ম দিচ্ছে এই অভ্যাস। মানসিক বিকৃতির জন্ম দেয়। অতিরিক্ত পর্ন মস্তিস্কের উপর চাপ ফেলে। স্বাভাবিক বিচক্ষণতা লুপ্ত হতে থাকে। বাস্তব থেকে দূরে সরিয়ে দেয় মানুষকে। বাস্তব এবং অবাস্তবের মধ্যে এক অদ্ভুত গুলিয়ে দেওয়া পরিস্থিতি তৈরি করে।

ক্রমশ নিজের ব্যক্তিগত আবেগ, ইমোশনের উপর থেকে নিয়ন্ত্রণ হারাতে শুরু করে। হঠাৎ রেগে যাওয়াও এক অন্যতম লক্ষণ। সর্বোপরি একটা সুস্থ জীবন থেকে আপনাকে ক্রমশ দূরে সরিয়ে নিয়ে যাবে আপনার পর্ন-দর্শন। শুধু জীবনসঙ্গী নয়, সন্তানদের থেকেও দূরে সরিয়ে নিয়ে যাবে আপনাকে। কারণ অতিরিক্ত পর্ন দেখলে পৃথিবীর স্বাভাবিক, নিষ্পাপ আনন্দ আপনি উপভোগ করতেই ভুলে যাবেন ধীরে ধীরে। ব্যক্তিগত জীবন অসুখী করে তোলে। সঙ্গীকে সুখী করা বা সঙ্গীর থেকে আনন্দ পাওয়ার ক্ষেত্রে অন্তরায় হয়ে দাঁড়ায় আপনার এই অভ্যাস।

About the Author

Leave a comment

XHTML: You can use these html tags: <a href="" title=""> <abbr title=""> <acronym title=""> <b> <blockquote cite=""> <cite> <code> <del datetime=""> <em> <i> <q cite=""> <s> <strike> <strong>